সিএএ বা এন আর সি নয়, এবার বার বন্ধ করতে ধর্নায় মহিলা ও শিশুরা

আয়ের উৎস নেই। উৎপাদন নেই। রোজগারের মোটে তিন উৎস-রাজস্ব, ভ্যাটের অংশ, কেন্দ্রের অনুদান ৷ মদ বিক্রি করে একদিনেই পশ্চিমবঙ্গের কোষাগারে জমা পড়ল ৪০ কোটি টাকা রাজস্ব ৷

মদের দোকান বন্ধের দাবিতে সোমবার থেকে ধর্নায় বসেছেন স্থানীয় মহিলারা

  • Share this:

#গোপালনগর: রাজ্যে ধর্না হয়েছে বহু। দাবী আদায়ে এই গনতান্ত্রিক অস্ত্র নতুন নয়। কিন্তু উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্ত এলাকায় গত ৪ দিন ধরে ধর্নায় বসেছে স্থানীয় মহিলা ও শিশুরা। জনবহুল একালায় গড়ে উঠছে রেষ্টুরেন্ট কাম বার। স্থানীয়দের অভিযোগ বারবার প্রশাসনকে জানিয়েও বন্ধ করা যাচ্ছেনা মদের দোকান। মদের দোকান বন্ধের দাবিতে সোমবার থেকে ধর্নায় বসেছেন স্থানীয় মহিলারা। সঙ্গে নিয়েছেন কোলের সন্তানদেরও। গত ৪ দিন ধরে মহিলারা পালা করে ধর্না দিচ্ছেন বারের পাশে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উত্তর ২৪ পরগণার গোপালনগর থানার বর্দ্ধনবেড়িয়া এলাকায় গিয়ে দেখা গেল রাস্তার পাশে ফ্লেক্স টাঙ্গিয়ে ধর্নায় বসে আছেন স্থানীয় মহিলারা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপালনগর থানার বর্দ্ধনবেড়িয়া এলাকার বনগাঁ-চাকদা রোডের জনবহুল ও বসতি এলাকায় রাস্তার গায়ে গড়ে উঠেছে একটি রেস্টুরেন্ট কাম বার। দীর্ঘ এক বছর ধরে বিভিন্ন ভাবে প্রতিবাদ করে ও বারংবার প্রশাসনকে জানালেও কোন কাজ হয়নি।প্রশাসন উদাসীন। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই বার গড়ে ওঠায় এলাকার সুস্থ জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে। ওই এলাকায় মদ খেয়ে প্রায় প্রতিদিনই চলছে বিভিন্ন ধরনের হুজ্জুতি। ধর্নায় সামিল ইতি গায়েনের অভিযোগ, সন্ধ্যার পরে বাইরের থেকে ভাড়ার মেয়েদের নিয়ে আসা হচ্ছে। আবার কাউকে রেস্টুরেন্টে খাবার খাওয়াবার নাম করে নিয়ে আসা হচ্ছে। বারের ভিতরে বিছানা পাতা রয়েছে। সেখানেই সর্বনাশ করা হচ্ছে তাদের।তাদের অভিযোগ, প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন রকম সহযোগীতা না পেয়ে অবশেষে সোমবার থেকে মদের দোকানের পাশে ফ্লেক্স টানিয়ে ধর্নায় বসেছেন স্থানীয় মহিলার। চার দিন কেটে গেলেও এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন রকম সদূত্তোর পান নি তারা। যত দিন না দোকান বন্ধ হচ্ছে ততদিন তারা ধর্না চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। দোকান মালিক বিভাস সাধুখাঁ বলেন, আমি সরকারি অনুমোদন নিয়ে ওখানে দোকান করেছি। কিছু লোক টাকার জন্য বিভিন্ন ভাবে ঝামেলা করছে। এই বিষয়ে বনগাঁ পঞ্চায়ের সমিতির সভাপতি প্রদ্বীপ বিশ্বাস বলেন, আমারা ব্যাপাটা শুনেছি। প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে ওদের সঙ্গে কথা বলবো। আশা করি দ্রুত সমস্যার সমাধন হয়ে যাবে। তবে আন্দোলন কারী গৃহবধূ রুপালী রায়ের দাবী এলাকা সুস্থ রাখতে এই বার তার বন্ধ করাবেন।প্রশাসন না শুনলে তাদের এই ধর্না চলবেই।

Rajorshi Roy
Published by:Ananya Chakraborty
First published: