Nadia News: পুজো ছাড়াও বছরের অন্য সময় মৃৎশিল্পীদের কাজ দেবে সরকার, পাঁচ কোটিতে তৈরি হবে ট্রেনিং সেন্টার
- Reported by:MAINAK DEBNATH
- Published by:kaustav bhowmick
Last Updated:
নদিয়া জেলা কুম্ভকার সমিতির পক্ষ থেকে মুন্না পাল জানান, দুর্গাপুজোর সময় করে মূর্তি নির্মাণের কাজ থাকে। কিন্তু পুজোর মরশুম শেষ হয়ে যাওয়ার পরছাড়া বাকি বছরটা তাঁদের কর্মহীন অবস্থায় কাটে
নদিয়া: ধুঁকছিল শান্তিপুরের মৃৎশিল্প। এই দুরবস্থার কথা সম্প্রচারিত হয়েছিল সংবাদমাধ্যমে। মৃৎশিল্পীরা তাঁদের বর্তমান পরিস্থিতির কথাও তুলে ধরেছিলেন। এবার সেই মৃৎশিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য পাশে দাঁড়াল কেন্দ্রীয় সরকারের বস্ত্র বয়ন দফতর।পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ক্ষুদ্র ও মাঝারি কুটির শিল্প দফতরের তত্ত্বাবধানে জেলায় এই প্রথম গঠিত হতে চলেছে অফিস এবং সেটা নদিয়ার শান্তিপুরেই। এদিন কুম্ভকার অর্থাৎ শান্তিপুরের মৃৎশিল্পীদের নিয়ে এক আলোচনা ও প্রশিক্ষণ সভার আয়োজন করা হয় মতিগঞ্জ মোড়ে একটি বেসরকারি লজে। উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ক্ষুদ্র ও মাঝারি কুটির শিল্পর চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক কল্লোল খাঁ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজ্যের মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস, রানাঘাটের এসডিও রৌনক আগরওয়াল।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শান্তিপুরের বিধায়ক ব্রজ কিশোর গোস্বামী ও পুরপ্রধান সুব্রত ঘোষ সহ এক ঝাঁক প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা। ছিলেন বেঙ্গল চেম্বার অফ কমার্সের কর্মকর্তারাও। তারা বলেন, তাঁত শিল্পের পর এবার শান্তিপুরের মৃৎশিল্পের উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গ্রামীণ শান্তিপুরের পাশাপাশি শান্তিপুর শহর সব মিলিয়ে শান্তিপুর থানা এলাকার যে সমস্ত মৃৎশিল্পীরা আছেন তাঁদের জন্য প্রায় পাঁচ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। মূলত ক্ষুদ্র মাঝারি কুটির শিল্প দফতরের উদ্যোগে এই কাজ করা হবে। প্রশাসন সূত্র জানা গিয়েছে, শান্তিপুরের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মৃৎশিল্পীদের নিয়ে ছোট ছোট ইউনিট তৈরি হবে। এক একটি এলাকার মৃৎশিল্পীদের নিয়ে সেই এলাকায় স্থানীয়ভাবে ইউনিট হবে। দক্ষ এবং অদক্ষ শ্রমিকদের চিহ্নিত করার কাজ হবে সেখানে।
advertisement
advertisement
আরও খবর পড়তে ফলো করুন
নদিয়া জেলা কুম্ভকার সমিতির পক্ষ থেকে মুন্না পাল জানান, দুর্গাপুজোর সময় করে মূর্তি নির্মাণের কাজ থাকে। কিন্তু পুজোর মরশুম শেষ হয়ে যাওয়ার পরছাড়া বাকি বছরটা তাঁদের কর্মহীন অবস্থায় কাটে। অথচ সরকারি তত্ত্বাবধানে মাটির ঘর সাজানোর দ্রব্য, সৌখিন গৃহস্থলীর ব্যবহার্য জিনিসপত্র, উপহার সামগ্রী, চায়ের ভাঁড় এই সমস্ত জিনিস তৈরি করার সুযোগ পেলে তাঁরা উপকৃত হবেন। অন্যদিকে আর্টিসন কার্ড পেলেও উৎপাদন সামগ্রী প্রস্তুতির জন্য দরকার অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি কেনার অর্থ। এই অনুষ্ঠানের শেষে মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস বলেন, রাজ্য সরকার মৃৎশিল্পীদের নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে। একদিকে যেমন তাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে অন্যদিকে আর্থিক সহযোগিতাও করা হবে। তবে এই মৃৎশিল্প আগামী দিনে বিশ্ববাংলা দরবারে পৌঁছে যাবে এটা আমার বিশ্বাস। অন্যদিকে এসডিও রৌনক আগরওয়াল বলেন, যেসব মৃৎশিল্পীরা বিভিন্ন রকমের পুতুল তৈরি করছেন তাঁরা যাতে আরও নতুনত্ব আনতে পারেন তার জন্যই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা। আগামী দিনে রাজ্য সরকার এদের তৈরি পুতুল কিনে দেশ-বিদেশে রফতানি করবে। তাতে করে অনেকটাই এগিয়ে যাবে এই শিল্প।
advertisement
মৈনাক দেবনাথ
কলকাতা এবং পশ্চিমবঙ্গের সব লেটেস্ট ব্রেকিং নিউজ পাবেন নিউজ 18 বাংলায় ৷ থাকছে দক্ষিণবঙ্গ এবং উত্তরবঙ্গের খবরও ৷ দেখুন ব্রেকিং নিউজ এবং সব গুরুত্বপূর্ণ খবর নিউজ 18 বাংলার লাইভ টিভিতে ৷ এর পাশাপাশি সব খবরের আপডেট পেতে ডাউনলোড করতে পারেন নিউজ 18 বাংলার অ্যাপ ৷ News18 Bangla-কে গুগলে ফলো করতে ক্লিক করুন এখানে ৷
Location :
Kolkata,West Bengal
First Published :
Jan 12, 2024 5:42 PM IST
বাংলা খবর/ খবর/দক্ষিণবঙ্গ/
Nadia News: পুজো ছাড়াও বছরের অন্য সময় মৃৎশিল্পীদের কাজ দেবে সরকার, পাঁচ কোটিতে তৈরি হবে ট্রেনিং সেন্টার









