বাবা মায়ের ঋণ কখনও শোধ করা যায়না, এক বছর আগের কনকাঞ্জলিতে প্রতিবাদ

বাবা মায়ের ঋণ কখনও শোধ করা যায়না, এক বছর আগের কনকাঞ্জলিতে প্রতিবাদ

স্রোতের উল্টোদিকে হেঁটে বাড়ি ভর্তি লোকজনের সামনে গর্জে উঠেছিলেন প্রিয়া

  • Share this:

#বেগমপুর: আজ থেকে প্রায় এক বছর আগের কথা সোশ্যাল মিডিয়া কেঁপে উঠেছিল প্রিয়া মান্নার বিদ্রোহে ৷ তিনি স্রোতের ঠিক উল্টোদিকে হেঁটে সমাজিক প্রথার উল্টোদিকে হেঁটে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন ৷ কনকাঞ্জলির মঞ্চে প্রতিবাদে ঝড় তুলেছিলেন ৷ বালেছিলেন বাবা মায়ের ঋণ কখনও শোধ করা যায়না ৷ প্রতিবাদের এমনই এক ভাষা দেখে চমকে গিয়েছিলেন সবাই ৷ সময় বদলের সঙ্গে সঙ্গে বদলেছে মানুষের মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি ৷ চিরাচরিত প্রথার বিরুদ্ধে স্রোতের উল্টোদিকে হেঁটে বাবাকে বলেছিলেন বাবা তোমারই আছি, তোমারই থাকব ৷ বাপের বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার আগে হাসি মুখে বাবাকে বলেছিলেন আমার বাড়ি, আমি আবার আসব ৷ বাবা-মা, বোনকে নিয়েই প্রিয়া মান্নার বেড়ে ওঠা ৷ তাঁর বিদ্রোহী সত্তা একদিনের নয় ৷ তিনি যখন চাকরি পেয়েছিলেন বাবার আপত্তি ছিল ৷ বাবা চাইতেন না প্রিয়া চাকরি করুন ৷ সেখানেও প্রচলিত চিন্তাধারার বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিলেন তিনি ৷ প্রাণের চেয়েও প্রিয় বাবার (শ্রী শম্ভু মান্না) ইচ্ছার সামনে নিজের মানসিকতাকে এক অন্যরূপ দিয়েছিলেন ৷ চাকরি তিনি তখন ছাড়েননি ৷

'রূপকথা নয় এতো, এ কোনও গল্প নয় ৷ এ নয় স্বপ্নে দেখা পরীর কল্প নয়, এ যে এক নারীর জীবন ৷' অনেকের প্রচলিত ধারণা রয়েছে নারীর জীবন নাকি তেল নুন কড়াই, প্রতিদিন লড়াই-ই ৷ জীবনের প্রতিটি যুদ্ধ যে নারী জয় করে তাঁকেই বলা হয় জয়া ৷ সমস্ত প্রতিকূলতাকে পিছনে ফেলে যিনি এগিয়ে যান তিনিই জয়া, তিনিই জয়ী ৷ রূপকথা নয় এতো, এ কোনও গল্প নয় ৷ এ নয় স্বপ্নে দেখা পরীর কল্প নয়, এ যে এক নারীর জীবন ৷ অনেকের প্রচলিত ধারণা রয়েছে নারীর জীবন নাকি তেল নুন কড়াই, প্রতিদিন লড়াই-ই ৷ জীবনের প্রতিটি যুদ্ধ যে নারী জয় করে তাঁকেই বলা হয় জয়া ৷ সমস্ত প্রতিকূলতাকে পিছনে ফেলে যিনি এগিয়ে যান তিনিই জয়া, তিনিই জয়ী ৷

রূপকথা নয় এতো, এ কোনও গল্প নয় ৷ এ নয় স্বপ্নে দেখা পরীর কল্প নয়, এ যে এক নারীর জীবন ৷ অনেকের প্রচলিত ধারণা রয়েছে নারীর জীবন নাকি তেল নুন কড়াই, প্রতিদিন লড়াই-ই ৷ জীবনের প্রতিটি যুদ্ধ যে নারী জয় করে তাঁকেই বলা হয় জয়া ৷ সমস্ত প্রতিকূলতাকে পিছনে ফেলে যিনি এগিয়ে যান তিনিই জয়া, তিনিই জয়ী ৷ নতুন বউয়ের নাম প্রিয়া মান্না, হুগলির বেগমপুরের বাসিন্দা ৷

দীর্ঘদিনের সামাজিক প্রথার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে কনকাঞ্জলির সময়ে বলেছেন বাবা মায়ের ঋণ কখনই শোধ করা যায়না ৷ নতুন বউয়ের নাম প্রিয়া মান্না, হুগলির বেগমপুরের বাসিন্দা ৷ দীর্ঘদিনের সামাজিক প্রথার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে কনকাঞ্জলির সময়ে বলেছেন বাবা মায়ের ঋণ কখনই শোধ করা যায়না ৷ নতুন বউয়ের নাম প্রিয়া মান্না, হুগলির বেগমপুরের বাসিন্দা ৷ দীর্ঘদিনের সামাজিক প্রথার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে কনকাঞ্জলির সময়ে বলেছেন বাবা মায়ের ঋণ কখনই শোধ করা যায়না ৷ চিরাচরিত প্রথার বিরুদ্ধে স্রোতের উল্টোদিকে হেঁটে বাবাকে বলেছিলেন বাবা তোমারই আছি, তোমারই থাকব ৷ বাপের বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার আগে হাসি মুখে বাবাকে বলেছিলেন আমার বাড়ি, আমি আবার আসব ৷ চিরাচরিত প্রথার বিরুদ্ধে স্রোতের উল্টোদিকে হেঁটে বাবাকে বলেছিলেন বাবা তোমারই আছি, তোমারই থাকব ৷ বাপের বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার আগে হাসি মুখে বাবাকে বলেছিলেন আমার বাড়ি, আমি আবার আসব ৷ চিরাচরিত প্রথার বিরুদ্ধে স্রোতের উল্টোদিকে হেঁটে বাবাকে বলেছিলেন বাবা তোমারই আছি, তোমারই থাকব ৷ বাপের বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার আগে হাসি মুখে বাবাকে বলেছিলেন আমার বাড়ি, আমি আবার আসব ৷ এত পর্যন্ত তো সবারই জানা আছে ৷ এরপরের ঘটনা জানলে বুঝতে পারা যায় এই গল্প একটু ভিন্ন, একটু আলাদা ৷ এত পর্যন্ত তো সবারই জানা আছে ৷ এরপরের ঘটনা জানলে বুঝতে পারা যায় এই গল্প একটু ভিন্ন, একটু আলাদা ৷

এত পর্যন্ত তো সবারই জানা আছে ৷ এরপরের ঘটনা জানলে বুঝতে পারা যায় এই গল্প একটু ভিন্ন, একটু আলাদা ৷ বাপের বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে গাড়িতে নাচতে নাচতে নতুন জীবনের পথে পাড়ি দিয়েছিলেন ৷ বাপের বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে গাড়িতে নাচতে নাচতে নতুন জীবনের পথে পাড়ি দিয়েছিলেন ৷ বাপের বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে গাড়িতে নাচতে নাচতে নতুন জীবনের পথে পাড়ি দিয়েছিলেন ৷ বাবা-মা, বোনকে নিয়েই প্রিয়া মান্নার বেড়ে ওঠা ৷ তাঁর বিদ্রোহী সত্তা একদিনের নয় ৷ তিনি যখন চাকরি পেয়েছিলেন বাবার আপত্তি ছিল ৷ বাবা চাইতেন না প্রিয়া চাকরি করুন ৷ সেখানেও প্রচলিত চিন্তাধারার বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিলেন তিনি ৷ প্রাণের চেয়েও প্রিয় বাবার (শ্রী শম্ভু মান্না) ইচ্ছার সামনে নিজের মানসিকতাকে এক অন্যরূপ দিয়েছিলেন ৷ চাকরি তিনি তখন ছাড়েননি ৷ বাবা-মা, বোনকে নিয়েই প্রিয়া মান্নার বেড়ে ওঠা ৷ তাঁর বিদ্রোহী সত্তা একদিনের নয় ৷ তিনি যখন চাকরি পেয়েছিলেন বাবার আপত্তি ছিল ৷ বাবা চাইতেন না প্রিয়া চাকরি করুন ৷ সেখানেও প্রচলিত চিন্তাধারার বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিলেন তিনি ৷ প্রাণের চেয়েও প্রিয় বাবার (শ্রী শম্ভু মান্না) ইচ্ছার সামনে নিজের মানসিকতাকে এক অন্যরূপ দিয়েছিলেন ৷ চাকরি তিনি তখন ছাড়েননি ৷ বাবা-মা, বোনকে নিয়েই প্রিয়া মান্নার বেড়ে ওঠা ৷ তাঁর বিদ্রোহী সত্তা একদিনের নয় ৷ তিনি যখন চাকরি পেয়েছিলেন বাবার আপত্তি ছিল ৷ বাবা চাইতেন না প্রিয়া চাকরি করুন ৷ সেখানেও প্রচলিত চিন্তাধারার বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিলেন তিনি ৷

প্রাণের চেয়েও প্রিয় বাবার (শ্রী শম্ভু মান্না) ইচ্ছার সামনে নিজের মানসিকতাকে এক অন্যরূপ দিয়েছিলেন ৷ চাকরি তিনি তখন ছাড়েননি ৷ পেশায় ব্যবসায়ী বাবাকেও মেয়ের আদর্শের সামনে কিছুটা থামতে বাধ্য হয়েছিল৷ মেনে নিয়েছিলেন শম্ভুবাবু ৷ পেশায় ব্যবসায়ী বাবাকেও মেয়ের আদর্শের সামনে কিছুটা থামতে বাধ্য হয়েছিল৷ মেনে নিয়েছিলেন শম্ভুবাবু ৷ পেশায় ব্যবসায়ী বাবাকেও মেয়ের আদর্শের সামনে কিছুটা থামতে বাধ্য হয়েছিল৷ মেনে নিয়েছিলেন শম্ভুবাবু ৷ কনকাঞ্জলির মঞ্চে এমন তীব্র আপত্তি করেও কি শ্বশুরবাড়ির সবার মন জয় করতে পারবেন তিনি ? কনকাঞ্জলির মঞ্চে এমন তীব্র আপত্তি করেও কি শ্বশুরবাড়ির সবার মন জয় করতে পারবেন তিনি ? কনকাঞ্জলির মঞ্চে এমন তীব্র আপত্তি করেও কি শ্বশুরবাড়ির সবার মন জয় করতে পারবেন তিনি ? হুগলি থেকে রাজারহাট এক অন্য যাত্রা ৷ অভিজিৎ পালের সঙ্গে বিয়ে হয়েছে প্রিয়া মান্নার ৷ ৬ মাসের প্রেম পর্বের পরই বিয়ের পিঁড়িতে প্রিয়া-অভিজিৎ ৷ হুগলি থেকে রাজারহাট এক অন্য যাত্রা ৷ অভিজিৎ পালের সঙ্গে বিয়ে হয়েছে প্রিয়া মান্নার ৷ ৬ মাসের প্রেম পর্বের পরই বিয়ের পিঁড়িতে প্রিয়া-অভিজিৎ ৷ হুগলি থেকে রাজারহাট এক অন্য যাত্রা ৷ অভিজিৎ পালের সঙ্গে বিয়ে হয়েছে প্রিয়া মান্নার ৷ ৬ মাসের প্রেম পর্বের পরই বিয়ের পিঁড়িতে প্রিয়া-অভিজিৎ ৷ প্রিয়া অভিজিতের বিয়ে হয়েছিল ২৭ জানুয়ারি ২০১৯ ৷ আর মাত্র হাতেগোণা কয়েকটি দিন রয়েছে ৷ রয়েছে তাঁদের বিবাহ বার্ষিকীর ৷ এক বছরের এই উদযাপনে থাকছে বড়সড় চমকও ৷ পড়তে থাকুন নিউজ 18 বাংলা ডট কম ৷

First published: January 21, 2020, 4:47 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर