পূর্ব বর্ধমানে ন্যায্যমূল্যে আলু বিক্রি বাড়ানোর নির্দেশ দিলেন জেলাশাসক 

পূর্ব বর্ধমানে ন্যায্যমূল্যে আলু বিক্রি বাড়ানোর নির্দেশ দিলেন জেলাশাসক 
পূর্ব বর্ধমান জেলায় এখন আলুর দাম চল্লিশ টাকা ও তার ওপরে ঘোরাফেরা করছে। ফলে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত বাসিন্দাদের একরকম নাভিশ্বাস ওঠার উপক্রম দেখা দিয়েছে।

পূর্ব বর্ধমান জেলায় এখন আলুর দাম চল্লিশ টাকা ও তার ওপরে ঘোরাফেরা করছে। ফলে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত বাসিন্দাদের একরকম নাভিশ্বাস ওঠার উপক্রম দেখা দিয়েছে।

  • Share this:

ন্যায্যমূল্যে আলু বিক্রি বাড়ানোর নির্দেশ দিল পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। সোমবার জেলাশাসক বিজয় ভারতী আলু বিক্রির ব্যাপারে বিস্তারিত ভাবে খোঁজখবর নেন। ন্যায্যমূল্যে আলো বিক্রির স্টল বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকদের নির্দেশ দেন তিনি। সেইসঙ্গে জেলার হিমঘরগুলিতে কত পরিমাণ আলু মজুত রয়েছে, নির্দিষ্ট সময় অন্তর হিমঘরগুলি থেকে আলু বের হচ্ছে কিনা সে ব্যাপারে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেন তিনি।

পূর্ব বর্ধমানের জেলা শাসক বিজয় ভারতী বলেন, জেলায় ইতিমধ্যেই এগারোটি জায়গায় পঁচিশ টাকা কেজি দরে কৃষি বিপনন দপ্তর আলু বিক্রির ব্যবস্থা করেছে। বর্ধমান, কালনা সহ বিভিন্ন শহর ও গ্রামীণ এলাকায় স্টল খুলে সেই আলু বিক্রি করা হচ্ছে। এক ব্যক্তি একবারে তিন কেজি পর্যন্ত আলু কিনতে পারছেন। সেই স্টলের সংখ্যা যত বেশি সম্ভব বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বর্ধমানের বিবেকানন্দ কলেজ মোড়, তিন নম্বর ইছলাবাদ এলাকায় ন্যায্য মূল্যে আলু বিক্রি হচ্ছে। শহরের আরও কয়েকটি প্রান্তে, জেলার বাজার এলাকাগুলিতে ও প্রতিটি কৃষক বাজারে অবিলম্বে ন্যায্যমূল্যে আলু বিক্রির স্টল খুলতে বলা হয়েছে। আপাতত কালীপুজো পর্যন্ত এই ন্যায্য মূল্যে আলু বিক্রি চলব। আলুর বাজার দর নিয়ন্ত্রণে আনতে এই পরিকল্পনা বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

পূর্ব বর্ধমান জেলায় এখন আলুর দাম চল্লিশ টাকা ও তার ওপরে ঘোরাফেরা করছে। ফলে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত বাসিন্দাদের একরকম নাভিশ্বাস ওঠার উপক্রম দেখা দিয়েছে। বাসিন্দারা বলছেন, পেঁয়াজ নব্বই টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বেশ কয়েক মাস ধরেই আলুর দাম আকাশছোঁয়া। তার ওপর এখন সেই দাম চল্লিশ টাকা পৌঁছে গিয়েছে। ডাল, সরষের তেলের দামও প্রায় ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গিয়েছে। সাধারণ মানুষের কথা ভেবে এইসব জিনিসের দাম অবিলম্বে নিয়ন্ত্রণে আনার কথা ভাবুক প্রশাসন।


জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, আলু ওঠার সময় বেশ কিছু পরিমাণ আলু সরকারের পক্ষ থেকে কিনে রাখা হয়েছিল। সেই আলুই এখন পঁচিশ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে হিমঘরে ও বাজারে যাতে আলু মজুদ রেখে কৃত্রিম অভাব তৈরি করা না হয় তা নিশ্চিত করারও চেষ্টা চলছে। এজন্য জেলা পর্যায়ে গঠিত টাস্কফোর্সকে নিয়মিত নজরদারি ও বিভিন্ন বাজারে অভিযান চালাতে বলা হয়েছে।

Saradindu Ghosh

Published by:Uddalak Bhattacharya
First published:

লেটেস্ট খবর