Home /News /south-bengal /
Tarkeshwar: তারকেশ্বরে যাওয়ার আগে গঙ্গা থেকে জল তুলতে গিয়ে তলিয়ে গেলেন এক যুবক

Tarkeshwar: তারকেশ্বরে যাওয়ার আগে গঙ্গা থেকে জল তুলতে গিয়ে তলিয়ে গেলেন এক যুবক

মৃত যুবকের নাম সুদীপ সর্দার। বছর ১৮-র সুদীপের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার গোবরডাঙ্গা থানার মছলন্দপুরে

  • Share this:

    #তারকেশ্বর: তারকেশ্বরে যাওয়ার আগে গঙ্গা থেকে জল তুলতে গিয়ে গঙ্গায় তলিয়ে গেলেন এক যুবক। মৃত যুবকের নাম সুদীপ সর্দার। বছর ১৮-র সুদীপের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার গোবরডাঙ্গা থানার মছলন্দপুরে। চৈত্রমাসে তারকেশ্বরে গাজন মেলার জন্য গঙ্গার জল তুলতে শেওড়াফুলি নিমাইতীর্থ ঘাটে আসেন ২৫ জন পূণ্যার্থীর একটি দল। মছলন্দপুরের দলটি নিমাইতীর্থ ঘাটে নেমে স্নান করছিল, তখন গঙ্গায় ভাটা ছিল। সাঁতার না জানার কারণে হঠাৎ-ই জলে তলিয়ে যান সুদীপ সর্দার। সন্ধ্যা পর্যন্ত তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি। খবর পেয়ে বৈদ্যবাটি পুরসভার চেয়ারম্যান ও কাউন্সিলররা ঘাটে আসেন। গঙ্গায় ডুবুরি নামিয়ে তল্লাসি শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন: 'সিবিআই-এ আস্থা নেই', বগটুইয়ের ঘটনায় বলছেন সিঙ্গুরের সেই সুহৃদ দত্ত

    অন্যদিকে, দক্ষিণ ২৪ পরগণার সাগর ব্লকের অন্তর্গত রাধাকৃষ্ণপুরে শনিবার খাবারের দোকানে হালখাতার মিষ্টি খেয়ে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৩০ জন। তাঁদের মধ্যে ১০ জন শিশু। অসুস্থদের মধ্যে দু'জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কাকদ্বীপ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।  স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সাগরের রাধাকৃষ্ণপুরে গতকাল রাতে মাছের খাবার পাওয়া যায়, এমন একটি দোকানে হালখাতা ছিল। সেই হালখাতার মিষ্টি খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন এলাকার মানুষ। এখনও পর্যন্ত মোট ৩০ জনকে অসুস্থ অবস্থায় সাগর গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে সকলেই সাগর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

    আরও পড়ুন: শ্রীনগর-লেহ হাইওয়েতে ভয়ঙ্কর গাড়ি দুর্ঘটনা! ২ বাঙালি পর্যটকের মর্মান্তিক মৃত্যু! আহত বহু...

    আজ, শনিবার বড়সড় দুর্ঘনার হাত থেকে রক্ষা পেলেন হাওড়া গামী ডাউন ফলকনুমা এক্সপ্রেসের যাত্রীরা (Falaknuma Express)৷ এ দিন পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipore) বেলদা স্টেশনের কাছে কাপলিং ভেঙে চলন্ত ট্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ফলকনুমা এক্সপ্রেসের তিনটি কামরা৷ বেশ কিছুটা এগিয়ে যাওয়ার পর ট্রেনটিকে দাঁড় করান চালক৷ এর পর ফের ট্রেন ফিরিয়ে নিয়ে এসে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া তিনটি কামরাকে জোড়া হয়৷ প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, সেকেন্দ্রাবাদ থেকে হাওড়াগামী ট্রেনটি এ দিন যখন বেলদা স্টেশনের কাছাকাছি ছিল, তখনই বিপত্তি ঘটে৷ চলন্ত ট্রেন থেকেই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় একটি বাতানুকুল এবং দু'টি সাধারণ কামরা৷ বাকি বাইশটি কামরা নিয়ে প্রায় এক কিলোমিটার এগিয়ে যায় ইঞ্জিন৷ শেষ পর্যন্ত আপতকালীন ব্রেক কষে ট্রেন থামান চালক৷ ঘটনাস্থলে পৌঁছান রেলের ইঞ্জিনিয়ার ও আধিকারিকরা৷ ইঞ্জিন সমেত বাকি ট্রেনকে ফিরিয়ে এনে তিনটি কামরাকেফের জুড়ে দেওয়া হয়৷ এর পর খড়্গপুরের দিকে রওনা হয় ট্রেনটি৷

    Rana Karmakar

    Published by:Rukmini Mazumder
    First published:

    Tags: Tarkeshwar

    পরবর্তী খবর