Tarantula in Howrah:ঘরে ঘরে মোটা কালো মাকড়সা! হাওড়ায় নতুন আতঙ্ক এখন ট্যারেন্টুলা

Tarantula

১ যুবকের মৃত্যু হয়েছে ট্যারেন্টুলার কামড়ে (Tarantula bite dead), অভিযোগ গ্রামবাসীদের spider (tarantula) attack in howrah৷

  • Share this:

    #হাওড়া: করোনা, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের (Corona- Black Fungus) মাঝে এক নতুন আতঙ্ক গ্রাস করল হাওড়ার বাসিন্দাদের৷ হাওড়ার শ্যামপুরের কাটাগাছি মন্ডলপাড়ায় এবার ট্যারেন্টুলা আতঙ্ক (Tarantula in Howrah)। এর ফলে গোটা এলাকায় ছড়িয়েছে ভয়৷ গ্রামবাসীদের অভিযোগ গত কয়েকদিন ধরে ওই এলাকায় বেশ কয়েকটি বাড়িতে বড় আকারের কালো লোমযুক্ত মাকড়সা দেখা গিয়েছে (Black Fat spider in Howrah)) । এই বিষাক্ত মাকড়সা বেশ কয়েকজনকে কামড়েছে বলেও অভিযোগ৷ এই কামড়ে একজন যুবকের মাসখানেক আগে মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে মৃতের পরিবার (Tarantula bite dead)। যুবকের মৃত্যুর পর থেকেই গ্রামবাসীরা ভয়ে কাঁটা হয়ে রয়েছে৷ স্থানীয় বাসিন্দা আসলাম মন্ডল জানিয়েছেন যে, "কয়েকদিন ধরেই বড় আকাড়ের মাকড়সার উৎপাত শুরু হয়েছে৷ একে তো বড় মোটা মাকড়সা, তার সঙ্গে গায়ে বড় বড় লোম, দেখেই ভয় হয়৷ ঘরে ঢুকলে কীভাবে তাড়াব তা বুঝতে পারি না৷ গ্রামের এক যুবকের মৃত্যুর খবরে আরও ভয়ে রয়েছি৷" অন্য এক বাসিন্দা নিয়ামত মল্লিক বলেন, "বাড়িতে ছোট বাচ্চারা রয়েছে (spider tarantula attack in howrah)৷ তাদের এই বিষাক্ত মাকড়সা কামড়ালে কী কবর, কিছুই বুঝতে পারছি না৷ একে তো করোনার জন্য সব কিছু বন্ধ, এত মানুষের মৃত্যু হচ্ছে, তার উপর এই নতুন বিপদ৷ বাড়ির সকলে খুবই সাবধানে থাকার চেষ্টা করছি৷ কখন কীভাবে বিপদ হয়ে যাবে, কে জানে৷" ট্যারেন্টুলার (Howrah Tarantula) অত্যাচারে খুবই চিন্তায় শ্যামপুরের কাটাগাছি মন্ডলপাড়ার বাসিন্দারা৷

    ক্রমশ ঘটনা বাড়তে থাকায়, গোটা গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামবাসীরা প্রথমে নাকোল গ্রাম পঞ্চায়েতে খবর দেয়। সেখান থেকে বনদফতরে খবর দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার বনদফতরের কর্মীরা ওই গ্রামে গিয়ে প্রায় সাত-আটটি মাকড়সা ধরে সদর দফতরে পাঠিয়েছে। তবে বন দফতরের কর্মীরা ওই মাকড়সা সম্পর্কে বিশেষ কিছু বলতে পারেনি। বন দফতরের পক্ষ থেকে আব্দুল কালাম বলেন যে, "পরীক্ষার পর সঠিক করে বোঝা যাবে যে এই মাকড়সাগুলি ট্যারেন্টুলা কী না৷" পরীক্ষানিরীক্ষার আগে এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি তারা৷ ফলে মাকড়সা পাকড়াও হলেও, পুরোপুরি আতঙ্ক কাটেনি গ্রামবাসীর৷

    Input- Debashish Chakraborty

    Published by:Pooja Basu
    First published: