গামছা কাঁধে পানা পরিষ্কার করতে নেমে পড়লেন খোদ মন্ত্রী!‌ দেখে অবাক সবাই

গামছা কাঁধে পানা পরিষ্কার করতে নেমে পড়লেন খোদ মন্ত্রী!‌ দেখে অবাক সবাই
পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর বড় কোবলা, ছোট কোবলা গ্রামের কিছুটা দূর দিয়ে বয়ে গিয়েছে ভাগীরথী।

পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর বড় কোবলা, ছোট কোবলা গ্রামের কিছুটা দূর দিয়ে বয়ে গিয়েছে ভাগীরথী।

  • Share this:

#‌বর্ধমান:‌ একেবারে জলে নেমে পানা পরিষ্কার করলেন মন্ত্রী। হাত লাগালেন স্হানীয়দের সঙ্গে। খোদ মন্ত্রী মশাইকে সঙ্গী হিসেবে পেয়ে বাকিরাও কাজ করলেন দ্বিগুণ উৎসাহে। লুঙ্গির ওপর সুতীর পাঞ্জাবি। গলায় গামছা। মাস্ক, গ্লাভস। পানা টেনে ডাঙায় তুললেন ষাটোর্ধ্ব মন্ত্রী। রবিবার ছুটির দিনে এমন ভূমিকায় দেখা গেল রাজ্যের কোন মন্ত্রীকে?

তিনি প্রাণী সম্পদ বিকাশ দফতরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। তাঁর আর এক পরিচয় তিনি পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর বাসিন্দা। দীর্ঘ দুই দশক ধরে এলাকার জলাভূমি সংস্কারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। দীর্ঘ প্রচেষ্টায় এলাকার বাঁশদহ বিলকে সাজিয়ে তুলেছেন। স্হানীয় প্রকৃতি ও পশুপ্রেমী সংস্থার সদস্যদের নিয়ে এই বর্ষায় বৃক্ষরোপণের কাজও চালিয়ে যাচ্ছেন। গত সপ্তাহে পূর্বস্থলীর বড় কোবলা গ্রামে জলাশয়ের তীর বরাবর একশোটি সুপুরি গাছ লাগিয়েছিলেন। এদিন বাঁশদহ বিলে পানা সরানোর কাজে হাত লাগালেন।

পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর বড় কোবলা, ছোট কোবলা গ্রামের কিছুটা দূর দিয়ে বয়ে গিয়েছে ভাগীরথী। সেই সূত্রে অতীত থেকেই এলাকায় বিশাল বিশাল জলাশয়ের ছড়াছড়ি। আর্সেনিক প্রবণ পূর্বস্থলীতে ভূপৃষ্ঠের জল সংরক্ষণের জন্য দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন চালিয়ে আসছেন এলাকার বাসিন্দা ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প দফতরেরও মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। এলাকার জলাভূমিতে চুনো পুঁটি মাছ চাষেরও উদ্যোগ নেন তিনি। জলাশয় বাঁচিয়ে তার সৌন্দর্যায়ন ঘটিয়ে সেখানের পর্যটন সম্ভাবনা বাড়াতেও নানান উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। রাজ্যবাসীর কাছে এলাকার পরিচিতি ঘটাতে প্রতিবছর ঘটা করে খাল বিল উৎসবের আয়োজন করেন তিনি। জলাশয়ের চারপাশে মেলা বসে। সেই জলাশয়ের পাড়ে গাছ লাগানোর পাশাপাশি জল পরিষ্কার রাখতে পানা সরানোর কাজে হাত লাগালেন তিনি।


Saradindu Ghosh

Published by:Uddalak Bhattacharya
First published:

লেটেস্ট খবর