শাড়ির সঙ্গে ম্যাচিং মাস্ক পাওয়া যাচ্ছে এই দোকানে! লাগবে নাকি?

শাড়ির সঙ্গে ম্যাচিং মাস্ক পাওয়া যাচ্ছে এই দোকানে! লাগবে নাকি?
দাম মাত্র পঁচিশ টাকা। হেঁকে চলেছেন বিক্রেতা। সেই ডাকে আসছেন ক্রেতারা। কিনছেনও রঙ বেছে।

দাম মাত্র পঁচিশ টাকা। হেঁকে চলেছেন বিক্রেতা। সেই ডাকে আসছেন ক্রেতারা। কিনছেনও রঙ বেছে।

  • Share this:

Saradindu Ghosh

#বর্ধমান: শাড়ির সঙ্গে ম্যাচিং মাস্ক লাগবে নাকি। আসুন। দেখুন। পছন্দ করে নিয়ে যান। দাম মাত্র পঁচিশ টাকা। হেঁকে চলেছেন বিক্রেতা। সেই ডাকে আসছেন ক্রেতারা। কিনছেনও রঙ বেছে। বিক্রেতা বললেন, করোনার প্রকোপ কতদিন চলবে তার তো কোনও ঠিক নেই। জরুরি প্রয়োজনে ওষুধ কিনতে, বাজারে বেরচ্ছেন মহিলারাও। তাঁদের জন্যই ম্যাচিং মাস্ক। শাড়ির সঙ্গে মানানসই। চুড়িদার ম্যাচিংও রয়েছে।

বর্ধমানের বি সি রোড। ভালোবেসে লোকে বলে বর্ধমানের গড়িয়াহাট। এই ভরা চৈত্রে এই রাস্তায় অন্যান্য বছর চৈত্র সেলের বাজারে পা রাখাই দায় হয়ে দাঁড়ায়। শাড়ি চুড়িদার সহ রেডিমেড পোশাকের টানে পুরুষ মহিলারা আসেন জেলার নানা প্রান্ত থেকে। করোনা আতঙ্ক ও তারপর লক ডাউনের জেরে এখন শুনশান বিসি রোড। নিস্তব্ধ। নির্জন। তারই মধ্যে মাস্ক নিয়ে পসার সাজিয়েছেন একজন।


পুলিশের ভয় নেই? বিক্রেতা বললেন, ভয় করোনাকে। কিন্তু বাড়িতে বসে থাকলেই বা পেট চলবে কী করে। মাস্ক বেচছি। তাই পুলিশ হয়তো কিছু বলবে না।

কিন্তু এই মাস্ক কি করোনা ঠেকাতে পারবে? বিক্রেতা বললেন, আসল মাস্ক আর মিলছে কোথায়। সবাই তো কাপড়ের তৈরি এই মাস্কই মুখে বাঁধছেন। তাই এই মাস্ক নিয়েই বসেছি। টুকটাক বিক্রি হচ্ছে।

রাস্তার ধারে রেলিংয়ে ঝুলছে জলপাই রঙের একগোছা। বিক্রেতার কোলের কাছে টিয়া রঙের বেশ কয়েকটি। পাশে ঝুলছে লাল, নীল, হলুদ, সবুজ - মহিলাদের জন্য। শাড়ির সঙ্গে ম্যাচিং মাস্ক। রয়েছে চেক কাটা, টিপ ছাপও। সেসব চুড়িদারের সঙ্গে ম্যাচিং করে মুখে বাঁধার জন্য। সুতির ছিটের এক টুকরো কাপড়। চার কোণে চারটে দড়ি ঝুলছে। দাম পঁচিশ টাকা। কিছুতে আবার দড়ির বদলে রয়েছে ইলাস্টিক। তার দাম তিরিশ টাকা।

পথ চলতি পুরুষ মহিলা দাঁড়াচ্ছেন। দেখছেন। কিনছেন। মুখেও লাগাচ্ছেন কেউ কেউ। সে খোলা হাওয়ায় যতই ঝুলুক। স্ট্রেরিলাইজড না হোক, বয়েই গেল তাতে। নাই বা হল এন নাইনটি ফাইভ। মাস্ক তো বটে। এই করোনার বাজারে এটাই বা কম কি!

Published by:Simli Raha
First published:

লেটেস্ট খবর