• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • পার্শ্বশিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে নির্যাতিতাকে পরীক্ষায় বসতে না দেওয়ার নির্দেশ স্কুলের

পার্শ্বশিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে নির্যাতিতাকে পরীক্ষায় বসতে না দেওয়ার নির্দেশ স্কুলের

Representational Image

Representational Image

  • Share this:

    #সোনারপুর: যে স্কুলের পার্শ্বশিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ। সেই স্কুলই পাশে দাঁড়াল না নির্যাতিতার। বরং স্কুলে না আসার ফতোয়া জারি করা হল। মামলা না  মিটলে ছাত্রীকে বার্ষিক পরীক্ষায় বসতেও বারণ করে স্কুল। ইটিভি নিউজ বাংলার খবর হতেই বদলে েগল অবস্থান। শিক্ষামন্ত্রী ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যানের  নির্দেশে পিছু হঠল স্কুল কর্তৃপক্ষ। 

    ধর্ষিতা ছাত্রীকে স্কুলে না আসার ফতোয়া জারি। অভিযোগ উঠল স্কুলেরই বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত বাবলু ঘোষ সোনারপুরের ওই স্কুলের পার্শ্বশিক্ষকের সঙ্গেই ছাত্রীর গৃহশিক্ষকও। ধর্ষণের অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হলেও মামলা না মিটলে ১৪ বছর বয়সী ছাত্রীর বার্ষিক পরীক্ষায় বসার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞাও জারি করে স্কুল। ইটিভি নিউজ বাংলার খবরের জেরে স্কুল কর্তৃপক্ষকে ফোন করে নির্যাতিতাকে পরীক্ষায় বসতে দেওয়ার নির্দেশ দেয় মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ও শিক্ষামন্ত্রী।

    মাস তিনেক ধরে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ। মুখ খুললে ফেল করিয়ে দেওয়ার ভয়। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সোনারপুরে ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয় গৃহশিক্ষক বাবলু ঘোষকে। বাবলু ছাত্রীর স্কুলেরও পাশ্বর্শিক্ষক। এর আগে দু’বার অকৃতকার্য হওয়ায় ভয়ে চুপ করে ছিল নিযাতিতা।  এরপর ২৯ অক্টোবর থেকে অসুস্থ হয়ে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয় সে। অভিযোগ, এরপরই মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্যাতিতা ছাত্রীকে স্কুলে না আসার ফতোয়া জারি করে কর্তৃপক্ষ। বার্ষিক পরীক্ষায় না বসারও নির্দেশ জারি হয়।

    দোষ ঢাকতে আজব সাফাইও দেয় স্কুল। বুধবার শিক্ষিকারা দাবি করেন, ওই ছাত্রীর উপস্থিতির হার কম। বৃহস্পতিবার ইটিভি নিউজ বাংলার তরফে যোগাযোগ করা হয় প্রধানশিক্ষিকার সঙ্গে। ফোন কেটে দেন তিনি।

    স্কুলে ঢুকতেও বাধা দেওয়া হয়। তালা বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। সেসময় দৌড়ে পালাতে ব্যস্ত ছিলেন শিক্ষিকারা। খবর প্রকাশ হতেই মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি জেলার বিদ্যালয় পরিদর্শককে বিস্তারিত রিপোর্ট দিতে বলেন। রিপোর্ট দেওয়ার পরই পর্ষদ সভাপতি ওই ছাত্রীকে পরীক্ষায় বসার আশ্বাস দেন।

    বিদ্যালয় পরিদর্শকের ফোন পেয়ে নড়েচড়ে বসে স্কুল কর্তৃপক্ষও। ওই ছাত্রীকে পরীক্ষায় বসার নির্দেশ দিয়ে প্রধান শিক্ষিকাকে ফোন করেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও। শুক্রবার থেকেই স্কুলে যেতে পারবে নির্যাতিতা। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে সে ও তার পরিবার।

    First published: