অস্থায়ী কর্মীদের পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধান্তে চাকরি হারনোর আশঙ্কায় ভুগছেন কর্মীরা

কাজের প্রয়োজনেই অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ করেছিল পুরসভা। এবার সেই কর্মীদেরই বসতে হবে পরীক্ষায়। কিন্তু চাকরি হারাতে হবে না তো? আশঙ্কায় কর্মীরা।

কাজের প্রয়োজনেই অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ করেছিল পুরসভা। এবার সেই কর্মীদেরই বসতে হবে পরীক্ষায়। কিন্তু চাকরি হারাতে হবে না তো? আশঙ্কায় কর্মীরা।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #হাওড়া: কাজের  প্রয়োজনেই অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ করেছিল পুরসভা। এবার সেই কর্মীদেরই বসতে হবে পরীক্ষায়। যোগ্যতার বিচারে যেমন থাকবে পদোন্নতি। তেমনি, অকৃতকার্য হলেও থাকবে যোগ্যতা প্রমাণের ফের সুযোগ। কিন্তু চাকরি হারাতে হবে না তো? আশঙ্কায় কর্মীরা। যদিও তেমন সম্ভাবনা নেই বলেই আশ্বাস মেয়রের।

    ২০১২ সালে হাওড়া পুরসভায় ক্ষমতায় আসে তৃণমূল কংগ্রেস। সরকারি অনুমোদিত পদের সংখ্যা যখন ৫২০০ ৷ তখন কর্মীর সংখ্যা ছিল মাত্র ২৪০০। বহু পদ ফাঁকা থাকায় তার প্রভাব পড়ছিল উন্নয়নে। তাই উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে, যোগ্যতা বিবেচনা না করেই তখন বিভিন্ন পদে অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ হয়। এতে কাজের গতিও বেড়েছে। কিন্তু, এবার সেই কর্মীদেরই যোগ্যতার মান পরীক্ষা করতে চায় পুরসভা।

    বর্তমানে হাওড়া পুরসভায় স্থায়ী-অস্থায়ী কর্মীর সংখ্যা প্রায় ৮ হাজার ৷ যোগ্যতা বিচার না করেই অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ হয়েছিল ৷ ফলে যোগ্যতার বিচারে কর্মীদের কাজের দায়িত্ব ভাগ করা যায়নি ৷ তাই এবার অস্থায়ী কর্মীদের মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুরসভা ৷ যোগ্যতা অনুযায়ী কাজের দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন হাওড়ার মেয়র রথীন চক্রবর্তী ৷

    সঠিক মূল্যায়নের জন্য প্রয়োজন নিরপেক্ষ পরীক্ষা প্রস্তুতি। সেদিকেও স্বচ্ছতা বজায় রেখেছে হাওড়া পুরসভা কর্তৃপক্ষ। নিরপেক্ষ পরীক্ষার জন্য IIEST- কে দিয়ে  নেওয়া হবে ৷

    এতদিন শ্রম দেওয়ার পর আবার মূল্যায়ন? পরীক্ষা প্রস্তুতি চূড়ান্ত হলেও, ছাঁটাই আশঙ্কায় ভুগছেন অস্থায়ী কর্মীরা।

    তবে মেয়রের আশ্বাস, ছাঁটাই নয়, উন্নয়নের গতি বৃদ্ধিই মূল্যায়নের মূল উদ্দেশ্য। তবে যোগ্যতার নিরিখে দফতর পরিবর্তন হতেই পারে।

    জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে শুরু পরীক্ষা। ধাপে ধাপে মূল্যায়ন চলবে তিন মাস। রেজাল্ট আউট মার্চে। ততদিন আশা আশঙ্কার দোলাচলে অস্থায়ী কর্মীরা।

    First published: