• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • এরাজ্যের কোন শিব মন্দিরের দেওয়ালে রামায়ণ মহাভারতের ছবি আঁকা রয়েছে জানেন ? 

এরাজ্যের কোন শিব মন্দিরের দেওয়ালে রামায়ণ মহাভারতের ছবি আঁকা রয়েছে জানেন ? 

আজ থেকে ২১০ বছর আগে বর্ধমানের মহারাজা তেজ চাঁদ বাহাদুর এই একশো আট শিব মন্দিরের প্রতিষ্ঠা করেন।

আজ থেকে ২১০ বছর আগে বর্ধমানের মহারাজা তেজ চাঁদ বাহাদুর এই একশো আট শিব মন্দিরের প্রতিষ্ঠা করেন।

আজ থেকে ২১০ বছর আগে বর্ধমানের মহারাজা তেজ চাঁদ বাহাদুর এই একশো আট শিব মন্দিরের প্রতিষ্ঠা করেন।

  • Share this:

#বর্ধমান: শিব মন্দিরের কথা বললেই সবার আগে চোখে ভাসে তারকেশ্বরের বাবা তারকনাথের কথা। তবে প্রাচীন শিব মন্দির দেখতে হলে পূর্ব বর্ধমান জেলায় যেতেই হবে। এই জেলার কালনাকে মন্দির শহর বলা হয়। আর কালনার সবচেয়ে আকর্ষণীয় মন্দির হল রাজ আমলে প্রতিষ্ঠিত একশো আট শিব মন্দির। এই মন্দিরের দেওয়ালে আঁকা রয়েছে রামায়ণ মহাভারতের নানান চিত্র।

আজ থেকে ২১০ বছর আগে বর্ধমানের মহারাজা তেজ চাঁদ বাহাদুর এই একশো আট শিব মন্দিরের প্রতিষ্ঠা করেন। ইতিহাসের গবেষক সর্বজিত যশ বলেন, ‘‘রাজ পরিবারের বসবাস ছিল কালনায়। বর্ধমান থেকে তারা শাসন কাজ চালাতেন। কালনায় থাকতেন রাজ পরিবারের মহিলারা। রাজ পরিবার ছিল শিবের উপাসক। রাজ পরিবারের মহিলাদের পুজোর সুবিধার জন্যই কালনায় অন্যান্য শিব মন্দিরের পাশাপাশি এই একশো আট শিব মন্দির গড়ে তোলা হয়েছিল।’’

অনেকে বলেন, বিষ্ণুপুরের রাজকীয় ভূসম্পত্তির স্থানান্তর এবং মালিকানা উদযাপন করার জন্য ১৮০৯ সালে মহারাজা তেজ চন্দ্র বাহাদুর এই মন্দির নির্মাণ করেন। এতো দিনের পুরনো এই মন্দিরের স্হাপত্য শৈলী বিশেষজ্ঞদের অবাক করে আজও। এই মন্দিরের কাঠামো দুটি সমকেন্দ্রিক বৃত্তের একটি সমন্বয়। যার মধ্যে প্রতিটি ছোট মন্দির ভগবান শিবকে নিবেদিত করা হয়েছে। এটি একটি পুঁতির অক্ষমালার মতো।  এই মন্দিরের দেয়ালে রামায়ণ ও মহাভারতের পর্ব এবং শিকারের বহু দৃশ্যও চিত্রিত রয়েছে।

বাইরের দিকে রয়েছে ৭৪টি মন্দির। ভিতরে রয়েছে ৩৪টি মন্দির। সেগুলি আবার পৌরাণিক কাহিনি অনুসারে নির্মিত হয়েছে। একে নব কৈলাশ মন্দিরও বলা হয়। এই ১০৮টি মন্দিরের প্রতিটিতে একটি করে শিব লিঙ্গ রয়েছে। ভেতরের প্রতিটি শিব লিঙ্গ সাদা রঙের। যা পুণ্যের প্রতীক।  অন্যদিকে বাইরের অর্ধেক লিঙ্গ কালো পাথরের। যা পাপের প্রতীক।

Saradindu Ghosh

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: