• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • তদন্ত না করেই বর্ধমান স্টেশনে ভেঙে পড়া অংশে তড়িঘড়ি শুরু হল তাপ্পি মারার কাজ

তদন্ত না করেই বর্ধমান স্টেশনে ভেঙে পড়া অংশে তড়িঘড়ি শুরু হল তাপ্পি মারার কাজ

৯০ দিন পার হতে না হতেই পাঁপড়়ের মতো খসে পড়ছে ফলস সিলিং। কেন এত তাড়াতাড়ি তা ভঙ্গুর হয়ে পড়ল তার কারণ খোঁজার কোন উৎসাহ দেখায়নি রেল।

৯০ দিন পার হতে না হতেই পাঁপড়়ের মতো খসে পড়ছে ফলস সিলিং। কেন এত তাড়াতাড়ি তা ভঙ্গুর হয়ে পড়ল তার কারণ খোঁজার কোন উৎসাহ দেখায়নি রেল।

৯০ দিন পার হতে না হতেই পাঁপড়়ের মতো খসে পড়ছে ফলস সিলিং। কেন এত তাড়াতাড়ি তা ভঙ্গুর হয়ে পড়ল তার কারণ খোঁজার কোন উৎসাহ দেখায়নি রেল।

  • Share this:

#বর্ধমান: তদন্ত করে কারণ খুঁজে বের করার আগেই বর্ধমান রেল স্টেশনের ভেঙে পড়া ফলস সিলিং সংস্কারের কাজ শুরু হয়ে যাওয়ায় প্রশ্ন তুলছেন যাত্রীরা। ঠিকাদার সংস্থার দোষ ত্রুটি আড়াল করতেই কি তড়িঘড়ি তাপ্পি মারার কাজ চলল? এখন সেই প্রশ্ন তুলছেন বাসিন্দাদের অনেকেই। তাঁরা বলছেন, লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে বর্ধমান রেল স্টেশন বিল্ডিংয়ের সংস্কারের কাজ হল। ৯০ দিন পার হতে না হতেই পাঁপড়়ের মতো খসে পড়ছে ফলস সিলিং। কেন এত তাড়াতাড়ি তা ভঙ্গুর হয়ে পড়ল তার কারণ খোঁজার কোন উৎসাহ দেখায়নি রেল। যে ঠিকাদার সংস্থা এই কাজ করেছিল তাদের কাছে ভেঙে পড়ার কারণ জানতে চাওয়া হয়নি। উল্টে তাদের দিয়েই তাপ্পি মারার কাজ চালানো হল।

রবিবার বেলা ১১টা নাগাদ বর্ধমান রেল স্টেশনের মূল প্রবেশদ্বারের পোর্টিকোর দু’জায়গায় ফলস সিলিংয়ের জিপসাম বোর্ড খসে পড়ার পাশাপাশি বেশ কিছু জায়গায় ফাটল সৃষ্টি হয়। ফলস সিলিং খসে পড়ায় কেরল ফেরত এক পরিযায়ী শ্রমিক আহত হন। তারপরও ঘণ্টা দুয়েক বিপজ্জনক ওই পোর্টিকোর তলা দিয়েই বিশেষ ট্রেনে আসা যাত্রীদের বাইরে নিয়ে যাওয়ার কাজ চলছিল। সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরার পর ওই অংশে গার্ড ওয়াল ও বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়। আলাদা পথ দিয়ে বের করে নিয়ে যাওয়া হয় বিশেষ ট্রেনের যাত্রীদের।এরপর দুপুর ১:৩০টা নাগাদ ঠিকাদার সংস্থার লোকজন ভেঙে পড়া অংশ সারাইয়ের কাজ শুরু করে দেয়।

তড়িঘড়ি এই সংস্কারের কাজ শুরু হয় প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন শহরের বাসিন্দারা। তারা বলছেন, প্রথম থেকেই রেল বিষয়টিকে ছোট করার চেষ্টা করছিল। কেন মাত্র তিন মাসের মধ্যেই ফলস সিলিং খসে পড়ার মতো ঘটনা ঘটল তার কারণ অনুসন্ধান না করেই তা চাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় ৷ তাদের অভিযোগ, যাত্রী নিরাপত্তায় গুরুত্ব না দিয়ে তড়িঘড়ি সংস্কারের কাজ শেষ করতে চেয়েছিল রেল। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রেল স্টেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কাজ হয়েছে। তার ফলেই এই বিপত্তি। সেসব ঢাকা দিতেই তদন্ত না করে তাপ্পি মেরে ভেঙে পড়া অংশ সারিয়ে ফেলার চেষ্টা করা হল। তবে এই ব্যাপারে বর্ধমান রেল স্টেশনের রেল আধিকারিকরা কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: