ডেবরায় ফের ট্যারেন্টুলার আতঙ্ক, বিষাক্ত মাকড়সার কামড়ে গুরুতর অসুস্থ অন্তঃসত্ত্বা

নিজস্ব চিত্র

পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরায় ফের ট্যারেন্টুলার আতঙ্ক। ঘরে একটি বাঁশির মধ্যে ছিল মাকড়সাটি।

  • Share this:

    #ডেবরা: পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরায় ফের ট্যারান্টুলার আতঙ্ক।বিষধর মাকড়সার কামড়ে অসুস্থ অন্তঃসত্ত্বা। তাঁকে ডেবরার সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে ভরতি করা হয়। ২০১৬ ও ২০১৭ সালেও পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা ও গোপীবল্লভপুরে ছড়িয়েছিল ট্যারান্টুলার আতঙ্ক। আতঙ্ক ছড়িয়েছিল উত্তরবঙ্গেও। ট্যারান্টুলা জুজু নয়। মত বিশেষজ্ঞদের।

    আরও পড়ুন: কৈখালিতে মহিলা সিভিক ভলান্টিয়ার রহস্যজনক মৃত্যু, উদ্ধার রক্তাক্ত দেহ

    বাঁশির মধ্যে লুকিয়ে ছিল মাকড়সাটি। বিছানার উপর রাখা বাঁশি সরাতে গেলে বেরিয়ে আসে সে। তাকে মারতে গেলেই অন্তঃসত্ত্বা মমতা পাত্র সাঁতরার হাতে কামড় বসিয়ে দেয় মাকড়সাটি। ডেবরার স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এটি ট্যারান্টুলা। তার কামড়ে ফুলে যায় হাত। মমতাকে ডেবরা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে।

    এই প্রথম নয়। ২০১৬ ও ২০১৭ সালেও ট্যারান্টুলার আতঙ্ক ছড়িয়েছিল পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা ও ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরে। ডেবরায় মাকড়সার কামড়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন প্রায় ষাটজন। যদিও সেটি ট্যারেন্টুলা নয় বলে দাবি করে বনদফতর। ২০১৭ সালে জুনে ট্যারান্টুলার দেখা মিলেছিল জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতেও। বর্ষার আগে নদীর ধার বরাবর গ্রামগুলিতে ট্যারান্টুলার দেখা পাওয়া অস্বাভাবিক নয়। বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

    আরও পড়ুন: বাংলায় পঞ্চায়েত ভোটে সবুজ ঝড়, চার দশক পর বামেদের রেকর্ড ভাঙল তৃণমূল

    তবে আতঙ্কের কিছু নেই। সঠিক সময়ে ব্যবস্থা নিলে ট্যারান্টুলা কামড়ালেও প্রাণহানির সম্ভাবনা নেই। মত ডিএফও-র। আর কিছুদিন পরই বর্ষা। সেই সময়ে নদী ধারের জঙ্গল ঘেরা গ্রামগুলিতে এই ধরণের মাকড়সার আরও দেখা মিলতে পারে। নদী বা ঝোরার জল বেয়ে আসা বিষাক্ত মাকড়সাগুলির সবচেয়ে বেশি পছন্দ বাড়ির আশপাশের আবর্জনা। চিকিৎসকরা বলছেন, এই সময়ে সতর্ক থাকলেই সমস্যা এড়ানো সম্ভব। ---রাতে মশারি টাঙিয়ে শুতে হবে ---বাড়ি থেকে বেরলে টর্চ বা আলো নিয়ে বেরতে হবে ----বাড়ির আশপাশ পরিস্কার রাখতে হবে ---নিয়মিত ঝোপে কীটনাশক ছড়াতে হবে ডেবরায় ট্যারান্টুলার কামড়ে আহত অন্তসত্ত্বা মমতার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। আরও ফুলে গেছে হাত। তবে এটি সত্যি ট্যারান্টুলা কিনা খতিয়ে দেখছে বন দফতর।

    First published: