• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • “এতো একেবারে জীবন্ত, আমার হাইট পেলে কোথায়?" নিজের মোমের মূর্তি দেখে বলেছিলেন প্রণববাবু

“এতো একেবারে জীবন্ত, আমার হাইট পেলে কোথায়?" নিজের মোমের মূর্তি দেখে বলেছিলেন প্রণববাবু

একই রকম দেখতে দুজন। অবাক চোখে দেখেছিলেন প্রণববাবু। সেই মুখ, চোখ চুল, গায়ের রং, পোশাক জুতো সব কিছুই এক!

একই রকম দেখতে দুজন। অবাক চোখে দেখেছিলেন প্রণববাবু। সেই মুখ, চোখ চুল, গায়ের রং, পোশাক জুতো সব কিছুই এক!

একই রকম দেখতে দুজন। অবাক চোখে দেখেছিলেন প্রণববাবু। সেই মুখ, চোখ চুল, গায়ের রং, পোশাক জুতো সব কিছুই এক!

  • Share this:

    #আসানসোল: “এতো একেবারে জীবন্ত। দেখলে মনে হবে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আছি। আমার হাইট পেলে কোথায়” ? নিজের মোমের মূর্তি দেখে প্রথম এই মন্তব্যই করেছিলেন  তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়। রাইসিনা হিলসে গিয়ে প্রণব বাবুর মূর্তি দিয়ে এসেছিলেন আসানসোলের মোম ভাস্কর্য্য শিল্পী সুশান্ত রায়।

    ২০১৩ সালে শিল্পী সুশান্ত রায় তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের মোমের মূর্তি তৈরি করে রাইসিনা হিলে পৌঁছে দিয়েছিলেন। একই রকম দেখতে দুজন। অবাক চোখে দেখেছিলেন প্রণববাবু। সেই মুখ, চোখ চুল, গায়ের রং, পোশাক জুতো সব কিছুই এক! দুই প্রণব পাশাপাশি দাঁড়িয়ে, ক্যামেরা বন্দী সেই দৃশ্যটি রাখা রয়েছে মোম ভাস্কর শিল্পী সুশান্ত রায়ের আসানসোলের মহিশীলা কলোনীর গ্যালারিতে।

    শিল্পীর দাবি, দেশের প্রথম বাঙালি রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়। নিজের থেকেই প্রণব বাবুর মোমের মূর্তি তৈরি শুরু করি। ইন্টারনেট ঘেঁটে, বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত ছবি দেখে শুরু হয় কাজ। দেড় মাসের মধ্যে হুবহু এক মাপের মূর্তিটি তৈরি করে ফেলি। তার আগে আমি অমিতাভ বচ্চন, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, রোনাল্ডো, কপিল দেব, শচীন তেণ্ডুলকার, জ্যোতি বসুর মূর্তি তৈরি করে ফেলেছি। তিনি বলেন ২০১৩ সালের পর, কলকাতায় যখন মাদার ওয়াক্স মিউজিয়াম তৈরি হয় তখন প্রথম যে ১৯ টি মূর্তির বরাত পেয়েছিলাম তার মধ্যে প্রণব মুখোপাধ্যায়েরও মূর্তিটি তৈরির অর্ডার ছিল।

    অর্থাৎ শিল্পীর দুবার প্রণব বাবুর মূর্তি তৈরি করা সৌভাগ্য হয়েছে। সুশান্ত রায় বলেন, প্রণববাবু আমাকে ডেকে পাঠান। প্রচুর উপহার তুলে দেন। আমাকে অনেক উৎসাহ দেন তিনি।

    Dipak Sharma

    Published by:Elina Datta
    First published: