দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

খুন করতে সময় লাগতো এক মিনিট, ৫ মিনিটেই অপারেশন শেষ করতো চেনম্যান!

খুন করতে সময় লাগতো এক মিনিট, ৫ মিনিটেই অপারেশন শেষ করতো চেনম্যান!

তদন্তকারি পুলিশ অফিসাররা জেরায় জেনেছেন,শুয়ে থাকা মহিলাদের মাথায় লোহার রড দিয়ে জোরে আঘাত করে মারা হত।

  • Share this:

#বর্ধমান: খুন করতে লাগতো এক মিনিট, ৫-৭ মিনিটেই অপারেশন শেষ করত চেন ম্যান। জেরায় ধৃত কামরুজ্জামানের স্বীকারোক্তিতে অবাক হয়ে গিয়েছিল তদন্তকারি পুলিশ অফিসাররা। আগামী সোমবার সিরিয়াল কিলিংয়ে অভিযুক্ত কামরুজ্জামানের সাজা ঘোষণা করবে কালনা আদালত। কালনার এক নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের মামলায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত।

তদন্তকারি পুলিশ অফিসাররা জেরায় জেনেছেন,শুয়ে থাকা মহিলাদের মাথায় লোহার রড দিয়ে জোরে আঘাত করে মারা হত।এক আঘাতেই মৃত্যু নিশ্চিত করত সে। দাঁড়িয়ে থাকা মহিলাদের পিছন থেকে লোহার চেন পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করার কথা কবুল করেছে চেনম্যান। অনেক ক্ষেত্রে খুনের পর যৌন লালসা মিটিয়েই চম্পট দিত সে। লুট নয়, খুন করাই কি মূল উদ্দেশ্য থাকত চেন ম্যানের।

পুলিশ অফিসারদের ধারণা, মাঝেমধ্যেই খুনের নেশা পেয়ে বসতো চেন ম্যানের। খুনের পর বিকৃত যৌনতা মিটিয়ে হাতের কাছে গয়না টাকাকড়ি যা পেত তা নিয়েই চম্পট দিত চেনম্যান। সামান্য কিছু অর্থের জন্য পর পর খুনের পন্থা দেখে তাজ্জব হয়ে গিয়েছিলেন তদন্তকারি পুলিশ অফিসাররা। তাঁরা দেখেছেন, বারে বারে নিম্নবিত্ত বা নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের মহিলারাই তার টার্গেট হয়েছে। তাদের কাছে বেশি টাকাকড়ি গয়না থাকবে না জেনেও খুন করত সে। শহর ছেড়ে প্রত্যন্ত গ্রামের মহিলাদের টার্গেট করত চেনম্যান। সেভাবেই বাড়িতে একলা রয়েছে বুঝেই কালনার নাবালিকার বাড়িতে ঢুকে তার ওপর পাশবিক অত্যাচার চালায় কামরুজ্জামান।

পুলিশ জানিয়েছে, বাড়ি থেকে প্যান্ট শার্ট পড়ে লাল কালো মোটর সাইকেল নিয়ে মাথায় হেলমেট পরে অপারেশনে বের হতো চেনম্যান। বাড়ি থেকে ৫০-৬০ কিলোমিটার দূরেও সে অপারেশন চালাত। কোন বাড়ির কোন মহিলা একা রয়েছে তা আগাম রেইকি করত সে। তারপরই সে সুযোগ বুঝে অপারেশন সারতো। বেশিরভাগ দিন সে অপারেশন চালিয়েছে দুপুর বা বিকেলের মধ্যেই। সেইসব এলাকার রাস্তার সি সি টিভি ফুটেজ দেখেই তার লাল কালো গাড়ি, লাল হেলমেট, মোটর সাইকেলে রাখা নাইলনের ব্যাগের কথা জানতে পারে পুলিশ। এরপর সম্ভাব্য স্কেচ এঁকে তা প্রতিটি প্রান্তে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। তা দেখেই সন্দেহ হয়েছিল বুলবুলিতলা ফাঁড়ির সিভিক ভলান্টিয়ারের। এরপর তার ব্যাগে লোহার চেন মিলতেই কামরুজ্জামানই যে চেন ম্যান সে ব্যাপারে অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যায় পুলিশ।

Published by: Dolon Chattopadhyay
First published: July 4, 2020, 4:55 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर