Home /News /south-bengal /
Piyali Basak: এভারেস্টের পর লোৎসে জয়! অসাধ্য সাধন করে নজির গড়লেন চন্দননগরের পিয়ালি

Piyali Basak: এভারেস্টের পর লোৎসে জয়! অসাধ্য সাধন করে নজির গড়লেন চন্দননগরের পিয়ালি

নিজস্ব চিত্র

নিজস্ব চিত্র

Piyali Basak: গত অ্ক্টোবরে প্রথম মহিলা হিসাবে অতিরিক্ত অক্সিজেনের সাহায্য ছাড়াই ধৌলাগিরি শৃঙ্গ জয় করেছিলেন পিয়ালি।

  • Share this:

    #কলকাতা: একেই তো বলে নজির! এভারেস্টে তিনি উঠেছিলেন অক্সিজেন ছাড়াই, এ বার তিনি জয় করলেন লোৎসে শৃঙ্গও। যা এক কথায় এক অবিশ্বাস্য নজির। চন্দননগরের মেয়ে পিয়ালি বসাকের কৃত্বিতে এখন গর্বিত গোটা বাংলা। পরপর দুটি শৃঙ্গ জয় করে কার্যত এক অনন্য কৃতিত্বের অধিকারী হলেন পিয়ালি। রবিবার বিকেলে তিনি জয় করেছিলেন পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্ট, মঙ্গলবার তিনি জয় করলেন পৃথিবীর চতুর্থ উচ্চতম শৃঙ্গ লোৎসে!

    অনেকদিন ধরেই এভারেস্ট-লোৎসে জোড়া শৃঙ্গ জয় করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন পিয়ালি। কিন্তু তাঁর স্বপ্নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল অর্থের যোগান। এভারেস্ট অভিযানের মোট খরচ ৩৫ লক্ষ টাকা। অত টাকা জোগাড় রতে পারছিলেন না পিয়ালি। সেই কারণেই শুরু হয় প্রাথমিক লড়াই। বাড়ি বন্ধক দিয়ে, সমস্ত সঞ্চয় একত্রিত করেও অর্ধেক টাকা বাকি পড়ে। শেষে সাধারণ মানুষের দান করা অর্থে ও এজেন্সির সহযোগিতায় তিনি অভিযান শুরু করেন।

    আরও পড়ুন: বড় খবর! বাড়িতে-বাড়িতে জল পৌঁছে দিতে বিরাট সিদ্ধান্ত রাজ্যের, যা হতে চলেছে...

    গত অ্ক্টোবরে প্রথম মহিলা হিসাবে অতিরিক্ত অক্সিজেনের সাহায্য ছাড়াই ধৌলাগিরি শৃঙ্গ জয় করেছিলেন পিয়ালি। মে মাসে তিনি অতিরিক্ত অক্সিজেন ছাড়াই পা রাখেন পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্টে। কথা ছিল একই পদ্ধতিতে তিনি লোৎসে শৃঙ্গ জয় করবেন। সোমবার সকাল ১১টা নাগাদা তিনি ক্যাম্প ফোর থেকে বেরিয়ে পড়েন শৃঙ্গ জয়ের উদ্দেশ্যে। শোনা গিয়েছে, স্নো ব্লাইন্ডনেসে আ্ক্রান্ত হয়েছিলেন পিয়ালি। যদিও শৃঙ্গ জয়ের পথে তা বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। মঙ্গলবার তাঁর এজেন্সি মারফত সন্ধ্যার পর খবর পাওয়া যায়, লোৎসে জয় করে ফেলেছেন তিনি। খুশির হাওয়া বয় চন্দননগরের বাড়িতে।

    আরও পড়ুন: ডি বাপি বিরিয়ানির দোকানে কার নির্দেশে গুলি? চমকে দেওয়া নাম প্রকাশ্যে আনল পুলিশ

    পর্বতারোহী বসন্ত সিংহরায় বলছেন, এভারেস্ট আরোহন খুবই কঠিন। এর সঙ্গে লোৎসে। অনেক বড় একটা বিষয়। একটি পিক সামিট করতে গেলেই, ওই আটহাজার মিটারের উপর উঠতে গেলেই শরীর ছেড়ে দেয়। সেখানে এটা আট হাজার মিটার চড়ে, তার পর ফের আরও একটা সামিট করা কৃতিত্বের। লোৎসে কিন্তু চতুর্থ উচ্চতম শৃঙ্গ। আমার তো আগে ধারণাই ছিল না এ ভাবে পাহাড়ে চড়া যায়। ২০১৩-তে ছন্দা গায়েন আমার ধারণটা পাল্টে দিয়েছিল প্রথম। আসলে এক সঙ্গে এই দুই শৃঙ্গে চড়লে খরচ একটু কম হয়, আর এই দুই শৃঙ্গের শেষ ক্যাম্পও মোটামুটি একই জায়গায়, তাই সুবিধা বেশি। এসবের মধ্যেও পিয়ালির সাফল্য বিশেষ সাধুবাদের দাবি রাখে।

    কিন্তু অতিরিক্ত অক্সিজেন ছাড়া ওই উচ্চতায় পৌঁছে যাওয়া কী সম্ভব! মানুষের শরীরে এতটা শক্তি থাকতে পারে! বসন্ত বলছেন, সম্ভব। আসলে শরীরে সেই পরিমাণ শক্তি অর্জন করতে হয়। দু-একদিনের প্রস্তুতিতে নয়, দীর্ঘ দিন ধরে এর প্রস্তুতি নিতে হয়। পিয়ালির সেই নাছোড়বান্দা মনোভাব, মনের জোর ছিল, ও নিয়মিত এ ভাবেই নিজেকে প্রস্তুত করেছিল, সেই কারণেই অতিরিক্ত অ্ক্সিজেন ছাড়া ওর শৃঙ্গ জয় এ আলাদা মাহাত্ম্য যোগ করেছে এই গোটা কর্মকাণ্ডে।

    Published by:Uddalak B
    First published:

    Tags: Everest Expedition

    পরবর্তী খবর