নার্সিংহোমে বিক্রির জন্যই বর্ধমান মেডিক্যাল থেকে শিশু চুরি

নার্সিংহোমে বিক্রির জন্যই বর্ধমান মেডিক্যাল থেকে শিশু চুরি
বর্ধমান মেডিকেলে শিশু চুরির ঘটনাতেও নার্সিংহোম যোগ!

নার্সিংহোমে বিক্রির জন্যই বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সুপার স্পেশালিটি উইং অনাময় হাসপাতাল থেকে শিশুকন্যা চুরি করা হয়েছিল

  • Share this:

#বর্ধমান: বর্ধমান মেডিক্যালে শিশু চুরির ঘটনাতেও নার্সিংহোম যোগ! নার্সিংহোমে বিক্রির জন্যই বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সুপার স্পেশালিটি উইং অনাময় হাসপাতাল থেকে শিশুকন্যা চুরি করা হয়েছিল - ধৃতদের জেরা করে এমনটাই জানতে পেরেছে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ।

পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পেরেছে, শিশুকন্যা চুরির পর তা নার্সিংহোমের মাধ্যমে বিক্রি করার পরিকল্পনা ছিল ধৃতদের। সে ব্যাপারে একাধিক নার্সিংহোমের সঙ্গে ধৃত মহিলা মধুমিতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৈরাগ্য ওরফে পিঙ্কির কথাও হয়। শিশুকন্যা চুরির পরই সে নার্সিংহোমের সঙ্গে যোগাযোগ করে। কিন্তু আশানুরূপ দাম না মেলায় তারা শিশুকন্যা নিয়ে দুর্গাপুর চলে যায়।

যাদের সঙ্গে শিশু বিক্রির জন্য পিঙ্কি যোগাযোগ করেছিল তাদের হদিশ পেতে ইতিমধ্যেই অভিযানে নেমেছেন তদন্তকারী পুলিশ অফিসাররা। এর আগেও এই চক্র শিশু চুরির ঘটনা ঘটিয়েছিল কিনা, তা জানতে এখন বিশেষ আগ্রহী পুলিশ।

4581_IMG-20200122-WA0052

রবিবার বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সুপার  স্পেশালিটি উইং অনাময় হাসপাতাল  থেকে রিমা মালিক নামে এক মহিলার সদ্যোজাত শিশুকন্যা চুরি হয়। সরকারি আর্থিক সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে একরকম তাঁর কোল থেকে শিশুকন্যা নিয়ে চম্পট দেয় পিঙ্কি। গ্রেফতার করা হয় পিঙ্কির স্বামী মনি বৈরাগ্যকেও। শিশু চুরির সময় হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তাদের চিহ্নিত করে পুলিশ।

সম্প্রতি বর্ধমানের লাইফ লাইন নার্সিংহোম থেকে প্রায় একই কায়দায় শিশুকন্যা চুরির ঘটনায় রাজ্য জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। সেক্ষেত্রে নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের মদতেই এক মহিলাকে গর্ভবতী সাজিয়ে সেই নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়েছিল। অন্যের শিশুকন্যা তার কোলে তুলে দিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি করে দেওয়া হয়। শিশুকন্যা চুরির অভিযোগে গ্রেফতার হয় দম্পতি। গ্রেফতার করা হয় নার্সিংহোমের এক কর্মীকেও। সেই ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। ওই নার্সিংহোমের লাইসেন্স বাতিল করার সুপারিশও করা হয়েছে। তার মাঝেই এবার সরকারি হাসপাতাল থেকেই শিশুকন্যা চুরির ঘটনায় স্তম্ভিত রোগীরা।

Saradindu Ghosh

First published: January 22, 2020, 7:11 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर