corona virus btn
corona virus btn
Loading

রাস্তা যেন নদী! নিউজ ১৮ বাংলার খবরের জের, শুরু হল বর্ধমান কাটোয়া রোড সংস্কারের কাজ

রাস্তা যেন নদী! নিউজ ১৮ বাংলার খবরের জের, শুরু হল বর্ধমান কাটোয়া রোড সংস্কারের কাজ

রাস্তায় জমে থাকা জল সরানোর উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি সেই রাস্তা সারাইয়ের জন্য খোঁড়াখুঁড়ি শুরু হয়েছে।

  • Share this:

#বর্ধমান: নিউজ ১৮ বাংলার খবরের জেরে বর্ধমান কাটোয়া বেহাল রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হল। বর্ধমান শহরে ঢোকার মুখে এই রাস্তার বেহাল দশার খবর বিস্তারিত ভাবে প্রচারিত হয়েছিল নিউজ ১৮ বাংলায়। দ্রুত এই রাস্তা সংস্কারের নির্দেশ দিয়েছিলেন পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক বিজয় ভারতী। সেই খবরের পরই রাস্তা সংস্কারের কাজে হাত পড়ল। রাস্তায় জমে থাকা জল সরানোর উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি সেই রাস্তা সারাইয়ের জন্য খোঁড়াখুঁড়ি শুরু হয়েছে।

বর্ধমান কাটোয়া রাজ্য সড়ক। কিন্তু এখন বর্ষার শুরুতে সেই রাস্তা চেনা দায়। জল জমে সেই রাস্তা নদীতে পরিণত হয়েছে। বিস্তীর্ণ অংশ জুড়েই বড় বড় খানাখন্দের মিছিল। জল জমে সেই সব গর্ত ছোট বড় জলাশয়ে পরিণত হয়েছে। রাস্তায় গর্ত হয়ে জল দাঁড়িয়ে গিয়েছে। সেই জলের উপর দিয়েই যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছে বড় মালবাহী ট্রাক, যাত্রীবাহী বাস থেকে শুরু করে রোগী নিয়ে হাসপাতাল উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া অ্যাম্বুলেন্স। রাস্তার সেই কঙ্কালসার অবস্থা কথা তুলে ধরা হয়েছিল নিউজ ১৮ বাংলায়। অতি দ্রুত রাস্তা সংস্কারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক বিজয় ভারতী।

শুক্রবার দুপুরে দেখা গেল বর্ধমানের বাজেপ্রতাপপুর থেকে শুরু করে দেওয়ান দিঘি পর্যন্ত ভাঙ্গা রাস্তা মেরামতের কাজে হাত পড়েছে। রাস্তার ধারে নালা কেটে জমে থাকা জল বের করার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি ভেঙে যাওয়া অংশ মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে। অবশেষে প্রশাসনের টনক নড়ায় খুশি এলাকার বাসিন্দা থেকে শুরু করে গাড়ি চালকরা। তাঁরা বলছেন, অল্প বৃষ্টি হলেই রাস্তায় জল দাঁড়িয়ে যায়। বছরের বেশির ভাগ সময় এই ভাঙ্গা রাস্তায় জল পেরিয়ে যাতায়াত করতে হয়। তার জেড়ে দুর্ঘটনাও ঘটে মাঝেমধ্যেই।

এই রাস্তা ব্যবহারকারীরা বলছেন, জেলার অতি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলির মধ্যে অন্যতম রাস্তা এই রাজ্য সড়ক। তাই জোড়াতালি দিয়ে সংস্কার না করে দীর্ঘমেয়াদী সংস্কার করা হোক। আগেও দেখা গেছে ভেঙে যাওয়া অংশে তাপ্পি দিয়ে দায়মুক্ত হয়েছে ঠিকাদার। তারপর ফের দৃষ্টিতে যে কে সেই অবস্থা দেখা দেয়। এই ব্যস্ততম রাস্তার উপর দিয়ে ইট বালি পাথরের ট্রাক, বিভিন্ন লৌহ আকরিক কারখানার ভারি সামগ্রী নিয়ে যাওয়া হয়। তাই মজবুতভাবে এই রাস্তা তৈরি করা জরুরি। নচেৎ দুদিন পর আবার ইট পাথর সরে গিয়ে এই রাস্তা ফের চলাচলের অযোগ্য হয়ে দাঁড়াবে।

Saradindu Ghosh

Published by: Ananya Chakraborty
First published: June 27, 2020, 6:36 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर