corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা সতর্কতায় পুলিশের মুখে মাস্ক বেঁধে দিলেন কোন মন্ত্রী!

করোনা সতর্কতায় পুলিশের মুখে  মাস্ক বেঁধে দিলেন কোন মন্ত্রী!

রাস্তায় গাড়ি দাঁড় করিয়ে মাস্ক বেঁধে দিলেন সাংবাদিক, সিভিক ভলান্টিয়ারদের মুখেও।

  • Share this:

#কালনাঃ রাস্তার পুলিশের কর্মী এবং অফিসারদের মাস্ক পড়ালেন মন্ত্রী! রাস্তায় গাড়ি দাঁড় করিয়ে মাস্ক বেঁধে দিলেন সাংবাদিক, সিভিক ভলান্টিয়ারদের মুখেও। প্রাণী সম্পদ বিকাশ মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের এই উদ্যোগে খুশি সকলেই। মন্ত্রী বলেন, "করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে আগামী দিনগুলিতে সবাইকে আরও বেশি সতর্ক থাকতে হবে। সাংবাদিক, পুলিশ কর্মী বা সিভিক ভলান্টিয়ারদের পথে নেমে কাজ করতেই হবে। তাই তাঁদের বেশি সাবধানতা অবলম্বন করা দরকার। সেই জন্যই তাঁদের মুখে মাস্ক লাগিয়ে দিলাম।"

বুধবার সকালেই গাড়িতে মাস্ক নিয়ে বেরিয়ে পড়েন প্রানী সম্পদ বিকাশ মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। প্রথমেই কালনার ধাত্রীগ্রামে যান তিনি। সেখানের বাসিন্দাদের করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতন করেন। বাসিন্দাদের মুখে মাস্ক পরিয়ে দেন। এরপর কালনা থানায় গিয়ে পুলিশ কর্মী এবং আধিকারিকদের মুখেও  মাস্ক বেঁধে দেন তিনি। এরপর কালনার উচ্চমাধ্যমিক সেন্টারগুলিতে যান মন্ত্রী। সেখানে অভিভাবকদের করোনা সম্পর্কে সতর্ক করার পাশাপাশি তাঁদের কী কী সাবধানতা নেওয়া দরকার তা বোঝান। অভিভাবকদের মুখে মাস্ক বেঁধে দেন মন্ত্রী। মন্ত্রীকে সামনে পেয়ে আনেকেই জানান, স্হানীয় বাজারে মাস্ক মিলছে না। এমনকি অনেকে কালোবাজারির অভিযোগ তোলেন। বেশিরভাগ জায়গাতেই সাধারন মাস্ক চড়া দামে কিনতে হচ্ছে বলেও মন্ত্রীকে জানান আভিভাবকেরা।

মন্ত্রী বলেন, "মাস্ক যে মিলছে না তা আমিও কিনতে গিয়ে বুঝতে পারছি। গতকাল মাস্ক কিনতে গিয়ে হন্যে হয়ে ঘুরতে হয়েছে। কোথাও যে একটা কৃত্রিম অভাব তৈরি করা হচ্ছে তা বোঝা যাচ্ছে। জেলা প্রশাসনকে বিষয়টি দেখতে বলেছি।" এদিকে পূর্ব বর্ধমান জেলার পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায় জানান, ইতিমধ্যেই জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকদের নিয়ে বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠন করা হয়েছে। তারা নিয়মিত বিভিন্ন বাজারে অভিযান চালাচ্ছে। হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা মাস্ক মজুত রেখে কালোবাজারি করা হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাসিন্দারা বলছেন, মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজারকে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী ঘোষণা করেছে সরকার। অথচ বাজারে তা পাওয়া যাচ্ছে না। নিম্ন মানের মাস্ক চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। এসব বন্ধ করা দরকার।  তাদের প্রস্তাব, গুরুত্বপূর্ণ স্হানগুলিতে কাউন্টার খুলে প্রশাসনিক উদ্যোগে কম দামে মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিক্রি করা হোক। তাতে তা বাসিন্দাদের কাছে সহজলভ্য হবে। কালো বাজারিও ঠেকানো যাবে।

Saradindu Ghosh

First published: March 18, 2020, 3:07 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर