• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • স্থগিত পঁচাত্তর বছরের অনুষ্ঠান, মুখ্যমন্ত্রীর ত্রান তহবিলে অর্থ দিলেন স্টাফ রিক্রিয়েশন ক্লাবের সদস্যরা

স্থগিত পঁচাত্তর বছরের অনুষ্ঠান, মুখ্যমন্ত্রীর ত্রান তহবিলে অর্থ দিলেন স্টাফ রিক্রিয়েশন ক্লাবের সদস্যরা

 শুক্রবার  ক্লাবের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার টাকা মুখ্যমন্ত্রীর ত্রান তহবিলে জমা দেওয়া হয়।

শুক্রবার ক্লাবের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার টাকা মুখ্যমন্ত্রীর ত্রান তহবিলে জমা দেওয়া হয়।

শুক্রবার ক্লাবের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার টাকা মুখ্যমন্ত্রীর ত্রান তহবিলে জমা দেওয়া হয়।

  • Share this:

#মেমারিঃ আমোদ উল্লাস হবে অন্য সময়। এখন ওসব তোলা থাক ভবিষ্যতের জন্য। আপাতত দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই চলুক। এ লড়াই করোনা নামক মারণ ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানোর লড়াই। এ লড়াই নিজেকে ঘরে দিনের পর দিন বন্দি রেখে দেশকে বাঁচানোর লড়াই। তাই পঁচাত্তর বছরে পা দেওয়ার অনুষ্ঠান আপাতত স্হগিদ রেখে নিজেদের খাওয়া দাওয়ার খরচ বাঁচিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ত্রান তহবিলে সে টাকা দান করল পূর্ব বর্ধমানে মেমারি এক ব্লক স্টাফ রিক্রিয়েশন ক্লাব। তাদের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

 মেমারি-১ ব্লক স্টাফ রিক্রিয়েশন ক্লাব তৈরি হয় ১৯৫৬ সালে।  এ বছর ৭৫ বর্ষে পা দিল সরকারি কর্মচারীদের এই ক্লাব। সেই উপলক্ষে নানান কর্মসূচি, আনন্দ অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা ছিল অনেক আগে থেকেই।  কিন্তু বর্তমান করোনা নিয়ে সারা দেশ জুড়ে যে ভয়াবহ পরিস্থিতি হয়েছে তাতে ক্লাব তার সমস্ত কর্মসূচি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।  প্রতি বছর ক্লাবের সদস্যদের উপহার দেওয়া হয়। এই পরিস্থিতিতে  সেই উপহারও কেউ নিতে রাজি হয়নি। প্রত্যেকে সিদ্ধান্ত নেয়, ক্লাবের পক্ষ থেকে কিছু অর্থ মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিলে দেওয়া হবে। সেই মতো শুক্রবার  ক্লাবের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার টাকা মুখ্যমন্ত্রীর ত্রান তহবিলে জমা দেওয়া হল। পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের হাতে এদিন সেই চেক তুলে দেন ক্লাবের সদস্যরা। ক্লাবের সম্পাদক শুভেন্দু সাঁই,সদস্য বিকাশ ঘোষ, সাধন দে এই চেক তুলে দেন অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারন) অরিন্দম নিয়োগী এবং অতিরিক্ত জেলাশাসক ( উন্নয়ন) রজত নন্দার হাতে।

মেমারি এক ব্লক স্টাফ রিক্রিয়েশন ক্লাবের সম্পাদক শুভেন্দুবাবু বলেন, এই সময় অনেক দরিদ্র মানুষ গৃহবন্দি রয়েছেন। তাঁদের হাতে অর্থ নেই। খাদ্য সামগ্রী নেই। তাদের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমেই আমাদের ক্লাবের  পঁচাত্তর বছরে পদার্পণ পালিত হোক- এই সিদ্ধান্তই নিয়েছেন সদস্যরা। পরবর্তী সময়েও আনন্দ অনুষ্ঠানের বাজেটে কাটছাঁট করে রাজ্য তথা দেশ গঠনে অনেকেই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবেন এমনটাই আমরা আশা রাখি।

Saradindu Ghosh

Published by:Shubhagata Dey
First published: