বিনা পয়সায় চোখের চিকিৎসা, কম্বল বিতরণ...পুলিশের ভূমিকায় দারুণ খুশি গ্রামবাসীরা

বিনা পয়সায় চোখের চিকিৎসা, কম্বল বিতরণ...পুলিশের ভূমিকায় দারুণ খুশি গ্রামবাসীরা
নিজস্ব চিত্র ৷
  • Share this:

SARADINDU GHOSH

#ভাতার: বয়স বাড়লে ছানি পড়ে। দৃষ্টি ঝাপসা। ছানি পড়েছে অনেকের চোখেই। জীবনের ভবিতব্য ধরে নিয়ে চিকিত্সা করান না অনেকেই। ক্রমশ তা জটিল আকার ধারণ করে। ক্ষীণ হয়ে আসে দৃষ্টিশক্তি। দরিদ্র গ্রামের বাসিন্দাদের অনেকেই চোখ সম্পর্কে বিশেষ সচেতন নন। প্রথমেই চিকিত্সা করলে যে আজীবন পরিষ্কার দেখা যাবে সব কিছু, এই ধারনাও নেই অনেকের। সেই দরিদ্র বাসিন্দাদের পাশে দাঁড়ালো পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার পুলিশ।

রবিবার ছুটির দিনে দাউড়ডাঙ্গা প্রাথমিক স্কুলে সকাল থেকেই পুলিশের আনাগোনা। ঘন ঘন গ্রামে ঢুকছে পুলিশ জিপ। তবে আজ পুলিশের কঠিন কঠোর মুখগুলি যেন বদলে গিয়েছে। অনেকটাই হাসিখুশি মেজাজে সকলেই। ডেকে নিলেন গ্রামের পুলিশ মহিলাদের। যত্ন নিয়ে একে একে প্রায় দেড়শ জনের চোখ পরীক্ষা করলেন পুলিশের সঙ্গে আসা চিকিত্সকরা। দিলেন ওষুধ ও প্রয়োজনীয় পরামর্শও। বিনামূল্যে দেওয়া হয় চশমাও।

শুধু চোখ পরীক্ষাই নয়, দরিদ্র বয়স্ক পুরুষ-মহিলাদের হাতে তুলে দেওয়া হল কম্বলও। খড়দহের মহিলাদের পরিচালিত সমাজসেবী​সংস্থা শ্রী সারদা কল্যাণের সহায়তায় এই উদ্যোগ নেয় ভাতার থানার পুলিশ। পুলিশের এই ভূমিকায় আপ্লুত গ্রামবাসীরা।

দাউড়ডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা সোম সরেন জানান, পুলিশ এভাবে এসে আমাদের পাশে দাঁড়িয়ে চিকিত্সা ও কম্বল বিতরণ করবে তা ভাবতেও পারিনি। ওঁনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ।

উপস্থিত পুলিশ কর্তারা জানালেন, জেলা জুড়েই সারা বছর এলাকার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে নানান সামজিক কর্মসূচি নেওয়া হয়। আজকের অনুষ্ঠান তারই অঙ্গ। এতে পুলিশের সঙ্গে এলাকার বাসিন্দাদের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। পুলিশ সম্পর্কে অনেক বাসিন্দাদের মনে বাসা বাঁধা ভয় ভীতি দূর হয়। এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজটাও অনেক সহজ হয়ে যায়।​

First published: 08:39:05 PM Dec 15, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर