প্রেমিক অন্যত্র বিয়ে করতেই পুলিশের দ্বারস্থ যুবতী! কোথায় ঘটল এমন ঘটনা?

প্রেমিক অন্যত্র বিয়ে করতেই পুলিশের দ্বারস্থ যুবতী! কোথায় ঘটল এমন ঘটনা?
ভাতারের দেবপুরের এক যুবতী বুধবার পুলিশের দ্বারস্থ হন। ভাতার থানার পুলিশের কাছে তাঁর অভিযোগ,দেবপুরের এক যুবকের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল।

ভাতারের দেবপুরের এক যুবতী বুধবার পুলিশের দ্বারস্থ হন। ভাতার থানার পুলিশের কাছে তাঁর অভিযোগ,দেবপুরের এক যুবকের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল।

  • Share this:

#বর্ধমান: প্রেমিক অন্যত্র বিয়ে করতেই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের যুবতীর। পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মহিলার অভিযোগ, তিনি স্বামী পরিত্যাক্তা। সেই স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক জোড়া লাগানোর আশ্বাস দিয়ে তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করে স্থানীয় এক যুবক। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করে সে। এরপর সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করে অন্য এক মহিলাকে বিয়ে করেছে ওই যুবক। সে কথা জানতে পেরেই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ এনে ওই যুবকের বিরুদ্ধে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিযোগকারিণী।

ভাতারের দেবপুরের এক যুবতী বুধবার পুলিশের দ্বারস্থ হন। ভাতার থানার পুলিশের কাছে তাঁর অভিযোগ,দেবপুরের এক যুবকের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল। ওই যুবক তাঁকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন। কিন্তু বার বার বলা সত্ত্বেও ওই যুবক তাঁকে বিয়ে করেনি। অথচ মঙ্গলবার রাতে ওই যুবক অন্য একজনকে বিয়ে করে নিয়ে আসে। প্রতিশ্রুতি দিয়েও বিয়ে না করায় ওই যুবকের বিরুদ্ধে ভাতার থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ওই যুবতী। পুলিশ লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তা খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে।

ওই যুবতী জানান, আমার বাবার বাড়ি বর্ধমানের ছোটনীলপুরে।2012 সালে আমার বিয়ে হয়েছিল ভাতারের দেবপুর গ্রামে। তিন বছর আগে আমার স্বামীর সঙ্গে অশান্তি ঘটে। স্বামী আমাকে ছেড়ে চলে যায়। আমার সাত বছরের একটি মেয়ে রয়েছে।


এরপর দেবপুর গ্রামের ওই যুবক আমার স্বামীর সঙ্গে সুসম্পর্ক করে দেবে বলে আশ্বাস দেয়। সে আমাকে ভালোবাসে বলে জানায়।প্রায় আড়াই বছর ধরে ওর সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। আমাকে বিয়ে করবে বলেছিল। আমার সঙ্গে তার বহুবার শারীরিক সম্পর্কও হয়েছে। আমি সে কারণে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ি। আমাকে সেই বাচ্চা নষ্ট করতে বাধ্য করা হয়।

এরপর গত এক সপ্তাহ ধরে সে আমার সঙ্গে সম্পর্ক রাখছিল না। তাতে আমার সন্দেহ হয়।খবর নিয়ে জানতে পারি গতকাল সে বিয়ে করেছে। আমি বাবার বাড়িতে থাকছিলাম। কিন্তু সেখানেও আর থাকা সম্ভব হচ্ছে না। আমার স্বামী নেই। তাই বাধ্য হয়েই এখন আমি প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছি।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: