মদ খাওয়ার প্রতিবাদ করায় প্রাক্তন বক্সার ও তাঁর ছেলেকে হেনস্থা

মদ খাওয়ার প্রতিবাদ করায় প্রাক্তন বক্সার ও তাঁর ছেলেকে হেনস্থা

রাতে হাঁটতে বেরিয়ে মদ্যপ দুষ্কৃতীদের হাতে হামলার শিকার অমিত সামন্ত ও তাঁর ছেলে। অভিযোগ একশো ডায়ালেও মেলেনি সাহায্য।

  • Share this:

#শিবপুর: নবান্নর ঢিল ছোঁড়া দুরত্বে হাওড়ার শিবপুরে দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত প্রাক্তন বক্সার। রাতে হাঁটতে বেরিয়ে মদ্যপ দুষ্কৃতীদের হাতে হামলার শিকার অমিত সামন্ত ও তাঁর ছেলে। অভিযোগ একশো ডায়ালেও মেলেনি সাহায্য।

শিবপুরের জেটিয়া রোডের ওঙ্কারমল....নবান্ন থেকে মাত্র একশো মিটার দুরত্ব। রবিবার রাতে এখানেই আক্রান্ত হন বাংলার প্রাক্তন বক্সার অমিতকুমার সামন্ত। তাঁর অভিযোগ, প্রতিদিনের মত রাতে পোষ্যকে নিয়ে হাঁটতে বেরোন তিনি। বাড়ির সামনে টোটোয় চার যুবককে মদ্যপান করতে দেখে প্রতিবাদ করেন। পালটা তাঁর দিকেই মদের গ্লাস এগিয়ে দেয় ওই চারজন। শুরু হয় বচসা। তাঁর গলার সোনার চেন ছিনিয়ে নিতে যায় তারা। বাবাকে বাঁচাতে এসে আক্রান্ত হন ছেলে অরিন্দমও। ১০০ ডায়াল করে পুলিশের সাহায্য চান অমিত সামন্ত।

বক্সারের দাবি, ১০০ ডায়ালে কখনও শিবপুর থানা, কখনও কন্ট্রোলে ফোন করতে বলা হয়। এরপরই প্রাণে বাঁচতে বাড়ি থেকে নিজের লাইসেন্সড রিভলভার নিয়ে এসে শূন্য গুলি ছোঁড়েন অমিতকুমার সামন্ত। এক ঘণ্টা তাণ্ডব চালিয়ে দুষ্কৃতীরা চম্পট দেওয়ার পর এসে পৌঁছয় শিবপুর থানার পুলিশ।

এখানেই শেষ নয়। পুলিশ চলে যেতেই ফিরে আসে দুষ্কৃতীরা। এবার তাদের টার্গেট রাজ্য পুলিশের এক কর্মী । যিনি অমিতকুমারকে বাঁচাতে এগিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর বাড়ি লক্ষ করে ইট, মদের বোতল ছোঁড়া শুরু হয়। সঙ্গে অকথ্য গালিগালাজ। বাড়ির মহিলাদের তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি। প্রায় আড়াই ঘণ্টা তাণ্ডল চললেও, আসেনি পুলিশ।

ঘটনার তিনদিন পরও অভিযুক্তরা ধরা না পরায় এলাকায় বাড়ছে আতঙ্ক। খবর সম্প্রচার হতেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। আক্রান্ত প্রাক্তন বক্সার ও তাঁর ছেলেকে ডেকে পাঠিয়ে কথা বলেন হাওড়ার পুলিশ কমিশনার। নবান্নর ঢিল ছোঁড়া দুরত্বে এই ঘটনা ফের পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল।

First published: 03:43:00 PM Aug 08, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर