পড়তে চেয়ে দাদার মারে রক্তাক্ত বোন, পালিয়ে কোনওরকমে রক্ষা পেলেন

Last Updated:

বোনের বিএড পড়ার ইচ্ছা থাকলে দাদা লিটন দাস বোনের সেই ইচ্ছা পূরণ করতে রাজি নয়।

#মহাদেবপুর: দাদার মারে আহত বোন। ঘটনাটি উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ থানার মহাদেবপুর গ্রামে।
জানা গিয়েছে, মহাদেবপুর গ্রামের বাসিন্দা সীমা দাসের সঙ্গে দাদা লিটন দাসের বনিবনা হয় না। বোনের বিএড পড়ার ইচ্ছা থাকলে দাদা লিটন দাস বোনের সেই ইচ্ছা পূরণ করতে রাজি নয়। তাঁকে বিয়ে দিয়ে বাড়ি থেকে সরিয়ে দিলে বাবার সমস্ত সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় ছিল লিটন ৷ সেই ভাবনায় বোনের উপর প্রতিনিয়ত শারীরিক এবং মানসিক অত্যাচার চালাত দাদা লিটন দাস। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার পঞ্চায়েতে সালিশি সভা হয়। তাতেও ভাই বোনের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হয়নি।
advertisement
গতকাল রাতে সীমা গৃহশিক্ষকতা সেরে বাড়িতে ফিরলে দাদা তাঁকে ঘরের মধ্যে আটকে রেখে বেধরক মারধর করে বলে অভিযোগ। প্রাণ বাঁচাতে সীমা তার হাত থেকে পালিয়ে এসে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে চলে আসে। শিল্পীনগর উন্নয়ন সমিতির সদস্যরা দূর্গাপুর থেকে ফেরার পথে রক্তাক্ত অবস্থায় সীমাকে দেখতে পান। সীমা তাদের কাছে পেয়ে হাত পা ধরে প্রাণ বাঁচানোর আর্জি জানান। সীমাকে তৎক্ষণাৎ গাড়িতে তুলে রায়গঞ্জ সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালে শুয়ে সীমা দাদার শাস্তির দাবি করেছেন। বোনের অভিযোগ, পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছে দাদা লিটন দাস। দাদার দাবি, মায়ের সঙ্গে সে কথা বলার সময় আচমকা তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল বোন। সামান্য শাসন ছাড়া বোনকে অতিরিক্ত মারধোর করা হয়নি।
advertisement
view comments
বাংলা খবর/ খবর/দক্ষিণবঙ্গ/
পড়তে চেয়ে দাদার মারে রক্তাক্ত বোন, পালিয়ে কোনওরকমে রক্ষা পেলেন
Next Article
advertisement
Tamil Nadu Bus Accident:  দুটি সরকারি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, তামিলনাড়ুতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা! মৃত অন্তত ১১
দুটি সরকারি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, তামিলনাড়ুতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা! মৃত অন্তত ১১
  • তামিলনাড়ুতে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় মৃত ১১৷

  • দুটি সরকারি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ৷

  • বাড়তে পারে হতাহতের সংখ্যা৷

VIEW MORE
advertisement
advertisement