Home /News /south-bengal /

 'ভাল থেকো, পাশে আছি'! কাজ হারানো মানুষদের জন্য সেরাম ও ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের যৌথ প্রয়াস

 'ভাল থেকো, পাশে আছি'! কাজ হারানো মানুষদের জন্য সেরাম ও ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের যৌথ প্রয়াস

ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে সঙ্গে নিয়ে করোনা জন্য কর্মহীন মানুষদের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছে তারা।

  • Share this:
#কলকাতা:   শুধুমাত্র থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের পাশে থাকাই নয়, বর্তমান করোনা আবহে কড়া বিধিনিষেধে আজ অনেক দিনমজুর সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে। দুবেলা দুমুঠো পেট ভরে খাওয়া দাওয়াও জুটছে না অনেকেরই। সেই সমস্ত অসহায় মানুষদের কথা ভেবে এগিয়ে এসেছে এই শহরের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। সেরাম থ্যালাসেমিয়া প্রিভেনশন ফেডারেশন। থ্যালাসেমিয়া রোগীদের রক্ত জোগাড় করা থেকে পরিবারের পাশে থাকা, সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে তারা। দীর্ঘদিন ধরে সংস্থাটি নিঃস্বার্থভাবে বিভিন্ন সেবামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত। আর এবার ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে সঙ্গে নিয়ে করোনা জন্য কর্মহীন মানুষদের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছে তারা। শহর কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে  ভ্রাম্যমাণ শিবিরের মাধ্যমে অসহায় পরিবারগুলির হাতে রান্না করা খাবার  তুলে দেওয়া হচ্ছে। সেরাম এবং ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন পুজো কমিটিগুলিকেও এই সেবামূলক কাজে পাশে পেয়েছে উদ্যোক্তারা। বেলগাছিয়ার আঞ্চলিক দুর্গাপূজা কমিটি হোক বা বেলেঘাটা , বেহালা হোক অথবা উত্তরে কোনও ক্লাব, পাশে অনেকেই। তাদের সহযোগিতায় অসহায় মানুষদের হাতে অন্ন তুলে দেওয়া হয়েছে। কার্যত অচল শহরে মানুষের জীবন সচল রাখা যেখানে কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে অনেকের কাছেই, সেখানে জীবন যুদ্ধের লড়াইয়ে তাদের পাশে থেকে আসলে সমাজের বন্ধু হিসেবেই নিজেদের দেখতে চাইছেন উদ্যোক্তারা। এই সেবামূলক কাজের অন্যতম উদ্যোক্তা সঞ্জীব আচার্য বলেন, 'গত মাসের একুশ তারিখ থেকে আমরা বিভিন্নভাবে অসহায় মানুষদের পাশে রয়েছি। পরিস্থিতি যতদিন না পর্যন্ত স্বাভাবিক হচ্ছে আমরা নুন আনতে পান্তা ফুরানো পরিবারগুলির পাশে থাকব। তাদের ভালো রাখার চেষ্টা করব। এই অঙ্গীকার নিয়েছি। তবে শুধুমাত্র অসহায় মানুষদের হাতে অন্ন তুলে দেওয়াই নয় , বর্তমান করোনা আবহে যাতে প্রত্যেক নাগরিক সুরক্ষিত থাকেন সে কারণে মাস্ক, স্যানিটাইজার দেওয়া হচ্ছে'। 'সেরাম' এর প্রাণপুরুষ তথা ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের অন্যতম কর্মকর্তা সঞ্জীব আচার্যের কথায় , 'ভগবানের সঙ্গে ভক্তের মেলবন্ধন ঘটানোয়  যেমন পুরোহিতের প্রয়োজন হয়, ঠিক তেমনই আমাদের নৈবেদ্য অসহায় মানুষদের হাতে তুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই সেবামূলক কাজে আমাদের পুরোহিত শহরের বিভিন্ন দুর্গাপুজোর আয়োজন করা ক্লাব,  স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। তাদের সহযোগিতাতেই আমরা কিছু মানুষের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার কাজে ব্রতী হয়েছি'।
Published by:Suman Majumder
First published:

Tags: Corona Pandemic, Corona Second Wave, East Bengal, Serum

পরবর্তী খবর