• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • EAST BARDWAN PEOPLE ARE SCARE FOR CORONA VIRUS SUSPECTED PEOPLE 66 PEOPLE ARE IN QUARANTINE SDG

করোনা আতঙ্কে হু হু করে বাড়ছে হোম কোয়ারেন্টাইনের সংখ্যা! উদ্বেগে বাসিন্দারা

বিদেশে থেকে এখন পর্যন্ত ৬৬ জন এসেছেন। তাদের মধ্যে ছ'জন পর্যবেক্ষণের সময়সীমা শেষ করেছেন। বাকিরা নজরদারির মধ্যে রয়েছেন।

বিদেশে থেকে এখন পর্যন্ত ৬৬ জন এসেছেন। তাদের মধ্যে ছ'জন পর্যবেক্ষণের সময়সীমা শেষ করেছেন। বাকিরা নজরদারির মধ্যে রয়েছেন।

  • Share this:

#বর্ধমানঃলাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে হোম কোয়ারেন্টাইনের সংখ্যা। তাতেই প্রমাদ গুনছেন করোনায় আতঙ্কিতরা। বর্তমান পূর্ব বর্ধমানে ৬৬ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। অর্থাৎ তাঁরা করোনা আক্রান্ত বিভিন্ন দেশ থেকে এসেছেন। তাঁদের বাড়িতেই বিশেষ পর্যবেক্ষণে রেখেছে প্রশাসন। নিয়মিত তাদের শারীরিক পরীক্ষা করছে মেডিকেল টিম। আতঙ্কিত বাসিন্দারা বলছেন, আক্রান্ত দেশ থেকে আসা পুরুষ-মহিলাদের বাড়ি পাঠিয়ে না দিয়ে প্রথমে আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হোক। করোনায় আক্রান্ত নয় নিশ্চিত হওয়ার পর তবেই বাড়ি ফেরার ছাড়পত্র দিক প্রশাসন।

কলকাতায় বিদেশ থেকে আসা যুবকের দেহে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতির প্রমাণ মিলেছে। তাতে বেড়েছে আতঙ্ক। জেলায় বিদেশ থেকে ফেরা পুরুষ মহিলার সংখ্যা যত বাড়ছে ততই আতঙ্ক বাড়ছে বাসিন্দাদের মধ্যে। ইতিমধ্যেই বিদেশ থেকে আসা ব্যক্তিদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁদের কারও কারও জ্বর সর্দি কাশির উপসর্গও মিলেছে। তাঁদের বাড়িতেই বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। আলাদা ঘরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। অন্যদের সঙ্গে মেলামেশাতেও রয়েছে নিষেধাজ্ঞা।

পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক বিজয় ভারতী জানান, বিদেশে থেকে এখন পর্যন্ত ৬৬ জন এসেছেন। তাদের মধ্যে ছ'জন পর্যবেক্ষণের সময়সীমা শেষ করেছেন। বাকিরা নজরদারির মধ্যে রয়েছেন।

বাসিন্দারা বলছেন, বিমানবন্দর থেকে সকলেই বাসে, ট্রেনে বা গাড়িতে বাড়ি ফিরছেন। তাদের কেউ ভাইরাস বহন করলে তা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। তাছাড়া তাঁরা বাড়ি ফিরে পরিবারের সদস্য বা প্রতিবেশীদের সঙ্গে মেলামেশাও করছেন। তাই এ ব্যাপারে প্রশাসনকে আরও বেশি সতর্কতা নেওয়া দরকার। প্রয়োজনে তাদের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রেখে তারপর বাড়ি ফেরানো হোক।  হেল্থ চেক  আপ বাধ্যতামূলক করা হোক।

Saradindu Ghosh

Published by:Shubhagata Dey
First published: