প্রথম সারির কোডিভ যোদ্ধা হয়েও পাচ্ছেন না যোগ্য় সম্মান-বেতন! বর্ধমানে বিক্ষোভ অস্থায়ী ঠিকা কর্মীদের

প্রথম সারির কোডিভ যোদ্ধা হয়েও পাচ্ছেন না যোগ্য় সম্মান-বেতন! বর্ধমানে বিক্ষোভ অস্থায়ী ঠিকা কর্মীদের
অবিলম্বে বেতন বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সুপারের ঘরের সামনে তাঁরা দাবির সমর্থনে স্লোগানও দেন।

অবিলম্বে বেতন বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সুপারের ঘরের সামনে তাঁরা দাবির সমর্থনে স্লোগানও দেন।

  • Share this:

#বর্ধমান: সমবেতনের দাবি তুলে বিক্ষোভে সরব হলেন বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অস্থায়ী ঠিকা কর্মীরা। স্বাস্থ্যকর্মীর মর্যাদাও দাবি করেছেন তাঁরা। শুক্রবার এই অস্থায়ী ঠিকা কর্মীরা বর্ধমান মেডিক্য়াল কলেজ হাসপাতালে সুপারের ঘরের সামনে অবস্থান-বিক্ষোভ করেন। তাদের প্রত্যেকের হাতে ছিল পোস্টার-প্লাকার্ড। অবিলম্বে বেতন বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। সুপারের ঘরের সামনে তাঁরা দাবির সমর্থনে স্লোগানও দেন।

অবস্থান বিক্ষোভে অংশ নেওয়া বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ঠিকা কর্মী,অস্থায়ী কর্মীদের বক্তব্য, আমরা ২০০১ সাল থেকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরিষেবা দিয়ে চলেছি। অন্যান্য স্থায়ী কর্মীদের মতো হাসপাতালে ডিউটি করতে হয়। তাদের সমান কাজ করতে হয়। অথচ সম্মানজনক বেতন মিলছে না। স্বাস্থ্যকর্মীর মর্যাদা দিয়ে স্থায়ীকরণের দাবিতে সরব হন তাঁরা।


বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ঠিকা কর্মী দীপক দাস বলেন, আমরা প্রথম সারির কোভিড যোদ্ধা। করোনার সময় যখন কেউ ঘর থেকে বের হতে পারত না তখন আমরা প্রতিদিন চব্বিশ ঘণ্টা কাজ করেছি। তা সত্ত্বেও আমাদের ওপর সরকারের কোনও দৃষ্টি নেই। অন্যান্য সব দফতরের কর্মীদের বেতন বেড়েছে। শুধু আমরাই বঞ্চিত থেকে যাচ্ছি। তাই আমরা চাই আমাদের কোভিড যোদ্ধার স্বীকৃতি দিয়ে সরাসরি স্বাস্থ্য কর্মী হিসেবে নিয়োগ করা হোক। স্বাস্থ্য দফতর থেকে যাতে আমাদের বেতন হয় তা নিশ্চিত করা হোক। সমকাজে সমবেতনের দাবি জানাচ্ছি আমরা।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কর্মীরা বলছেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম লাগামছাড়া। প্রতিদিন তা বেড়ে চলেছে। অথচ আমরা যে বেতন পাই তাতে সম্মানজনকভাবে সংসার চালানো সম্ভব হচ্ছে না। তাই আমরা একত্রিত হয়ে অবস্থান-বিক্ষোভ অংশ নিয়েছি। আমাদের আবেদন মানা না হলে বৃহত্তর আন্দোলন হবে। বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিভিন্ন ওয়ার্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন অস্থায়ী ঠিকা কর্মীরা। হাসপাতালে নিরাপত্তা ব্যবস্থা থেকে শুরু করে সাফাই সহ বেশিরভাগ পরিষেবা তাঁরাই সামাল দেন বলে দাবি বিক্ষোভকারীদের।

Published by:Pooja Basu
First published:

লেটেস্ট খবর