corona virus btn
corona virus btn
Loading

পার্টি অফিসে তালা, চাবি ঢুকল পুলিশের পকেটে! কোথায় ঘটল এমন ঘটনা?

পার্টি অফিসে তালা, চাবি ঢুকল পুলিশের পকেটে! কোথায় ঘটল এমন ঘটনা?

দু-পক্ষকেই শান্ত করার চেষ্টা চালিয়েও কোনও ফল হলনি।

  • Share this:

#শক্তিগড়: পার্টি অফিস কার? তা নিয়েই তুমুল ঝামেলা তৃনমূল-কংগ্রেস এবং বিজেপির। বিবাদ গড়াতে গড়াতে সংঘর্ষের পর্যায়ে পৌঁছে যায়।ততক্ষণে দলের কর্মী-সমর্দেথকেরা এলাকায় ভিড় জমাতে শুরু করেছেন। খবর পেয়ে বিশাল বাহিনী নিয়ে এলাকায় পৌঁছয় পুলিশও। দু-পক্ষকেই শান্ত করার চেষ্টা চালিয়েও কোনও ফল হলনি। অবশেষে পার্টি অফিসে তালা ঝুলিয়ে, চাবি পকেটে নিয়ে এলাকা ছাড়ে পুলিশ। সেই সঙ্গে বলে দেওয়া হয়, আগে ঠিক করতে হবে অফিস কাদের। তারপরই থানা থেকে চাবি নিয়ে এসে অফিস খুলে দেওয়া হবে। পার্টি অফিসে পুলিশ তালা দিতেই অবাক বিষ্ময়ে প্রায় বাকরুদ্ধ হয়ে যান যুযুধান দু-পক্ষই। কিন্তু কোথায় ঘটল এমন অভিনব ঘটনা!

পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড় থানার গাংপুর বাজারে রাস্তার ধারে পার্টি অফিস। সেই অফিস গেরুয়া রঙে রাঙানো। পদ্মফুল আঁকা। সেই অফিসের দখলদারি নিয়েই যত গোলমাল। বুধবার সকাল থেকেই এই পার্টি অফিসের দখল নিয়ে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। বেলা দশ'টা নাগাদ গোলমালের খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছয় শক্তিগড় থানার পুলিশ। পুলিশের দাবি, বিবাদমান দু'দলের মধ্যে কয়েকজন সমর্থক অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেয়। পুলিশ কোনও তালা দেয়নি। তাঁরাি পুলিশের হাতে চাবি তুলে দেয়। এদিন অশান্তি কমাতে দু'দলকেই থানার পক্ষ থেকে সংযত থাকতে বলা হয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে বিবাদ মিটিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয় বিজেপি নেতা মন্মথ অধিকারী বলেন, "প্রতিদিনের মত এদিনও অফিস খুলে বসেছিলেন দলের কিছু কর্মী। সেই সময় হঠাৎই তৃনমূল কংগ্রেসের গুন্ডাবাহিনী জোর করে অফিসে ঢোকে। তারা আমাদের কর্মীদের টেনে-হিঁচড়ে বের করে দেয়। এলাকায় পায়ের তলায় মাটি সরে গেছে বুঝেই পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে গায়ের জোরে এলাকা দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে তৃনমূল। পুলিশ যে তৃনমূলের বি-টিম হিসেবে কাজ করছে অফিসের চাবি তাদের হাতে ওঠাতেই তার প্রমাণ মিলেছে। অবিলম্বে আমাদের হাতে অফিসের চাবি তুলে না দেওয়া হলে এলাকায় প্রতিবাদ মিছিল, ধিক্কার সভা-সহ জোরদার আন্দোলন হবে।"

তৃনমূল নেতা সেখ আজাদ রহমান বলেন, "ওই অফিস তৃনমূল কংগ্রেসের কর্মীদের হাতেই তৈরি। লোকসভা ভোটের পর বিজেপি গায়ের জোরে ওই পার্টি অফিসের দখল নেয়। তৃনমূল নেত্রীর ছবি, দলীয় পতাকা ফেলে দিয়ে গেরুয়া রঙ করে নেয়। তখন এলাকায় উত্তেজনা বাড়বে ভেবে আমরা সংযত আচরন করেছি। এখন এলাকায় বিজেপির কোনও সমর্থন নেই। নিয়মিত তারা অফিসও খুলতে পারে না। এলাকার কর্মীদের দাবি মেনে আমরা পার্টি অফিস খুলতে গেলে এক বিজেপি নেতা কিছু লোকজন জুটিয়ে বাধা দেয়। আমরা অশান্তি চাইনি। আমরাই অফিসে তালা দিয়ে চাবি পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি। পুলিশ তদন্ত করে দেখুক আমাদের দাবি সঠিক কিনা।"

Saradindu Ghosh

First published: March 11, 2020, 6:54 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर