Home /News /south-bengal /
CBI: গরু পাচার মামলায় আদালতে ভর্ৎসনার মুখে সিবিআই

CBI: গরু পাচার মামলায় আদালতে ভর্ৎসনার মুখে সিবিআই

গরু পাচার মামলায় আসানসোল আদালতে ভর্ৎসনার মুখে সিবিআই-এর তদন্তকারী অফিসার

  • Share this:

# আসানসোল: গরু পাচার মামলায় আসানসোল আদালতে ভর্ৎসনার মুখে সিবিআই-এর তদন্তকারী অফিসার। মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় সিবিআই-কে, আদালত সূত্রে এমনই খবর। শুক্রবার জেল হেফাজতের মেয়াদ শেষে আদালতে পেশ করা হয় সায়গল হোসেনকে। শুনানিতে সায়গলের আইনজীবী অনির্বাণ গুহঠাকুরতা আদালতে জানান, এই মামলা পক্ষপাতদুষ্ট, রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য করা হয়েছে। তাঁর যুক্তি, এই মামলায় সিবিআইয়ের ডিআইজি-র করা এফআইআর-এ উল্লেখ রয়েছে বিএসএফ ও শুল্ক দফতরের যোগসাজসের কথা। এমনকি এই দুই কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থার একাংশ জড়িত গরু পাচার মামলায় । তাহলে কেন শুধু মাত্র রাজ্য সরকারের কর্মীদের টার্গেট করা হচ্ছে? কেন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ডাকা হচ্ছে না বা তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হচ্ছে না? আদালতে প্রশ্ন তোলেন সায়গল হোসেনের আইনজীবী

সায়গল হোসেনের আইনজীবী অনির্বাণ বলেন,  এফআইআর- এ উল্লেখ রয়েছে, উত্তরপ্রদেশ, বিহারের মতও রাজ্য হয়ে গরু এ রাজ্যের বীরভূম দিয়ে ঢুকে বাংলাদেশে পাচার হয়েছে। তাহলে ওই রাজ্যের সরকারি কর্মচারী বা পুলিশের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নয়, প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, আর তাতেই মান্যতা দিয়েছেন আসানসোল বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারকের । আদালত সূত্রে খবর, প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে আইও-কে। সদুত্তর দিতে না পাড়ায় তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছে তদন্তকারী অফিসারকে। আদালত সূত্রে খবর, ৯০ দিন সময় চেয়েছেন আইও।

শুক্রবার সায়গল হোসেনকে আদালতে পেশ করা হয়। তাঁকে ফের ২২ জুলাই পর্যন্ত জেল হেফাজতে পাঠান হয়েছে। প্রসঙ্গত, এই মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে মূল চক্রী এনামূল হক, বিএসএফ কম্যান্ড্যান্ট সতীশ কুমার, যাদের জেরা করে ও নথি বাজেয়াপ্ত করে সয়গল সম্পর্কে তথ্য হাতে পেয়েছে সিবিআই। সেই তথ্যের সূত্র ধরেই অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী তথা রাজ্য পুলিশ কনস্টেবল সায়গল হোসেনকে গ্রেফতার করে সিবিআই। কিন্তু প্রথম দিনও গ্রেফতারি নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল তদন্তকারী সংস্থাকে।

Amit Sarkar

Published by:Rukmini Mazumder
First published:

Tags: Cattle Smuggling Case

পরবর্তী খবর