Boy Saved Train : খুদের বুদ্ধিতে এড়ানো গেল বড়সড় দুর্ঘটনা! বাঁচল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল লোকাল...

শিশুর তৎপরতায় রক্ষা

Boy Saved Train : সেই সময় হর্ন দিয়ে ধেয়ে আসছিল শিয়ালদহগামী ক্যানিং স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেন। সংকেত চোখে পড়ায় বিপদের আশঙ্কায় শেষপর্যন্ত ট্রেন থামান চালক।

  • Share this:

    #কলকাতা : ক্লাস টু-তে পড়ে বছর সাতেকের দীপ নস্কর। আজ তারই উপস্থিত বুদ্ধিতে দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেল শিয়ালদহগামী ক্যানিং লোকাল। ছোট্ট ছেলেটি রেল লাইনে ফাটল দেখে ছুটে গিয়ে খবর দেয় তার মাকে। মা সোনালী নস্কর বিষয়টির গুরুত্ব বুঝতে পেরে প্রতিবেশী মহিলাদের দ্রুত জানান। এরপরে সবাই মিলে বাড়ি থেকে লাল কাপড় এনে লাইনের উপর উঠে পড়েন ট্রেন আটকাতে। সেই সময় হর্ন দিয়ে ধেয়ে আসছিল শিয়ালদহগামী ক্যানিং স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেন। মহিলাদের সংকেত চোখে  পড়ায় বিপদের আশঙ্কায় শেষপর্যন্ত ট্রেন থামান চালক।

    ট্রেন থামার পর এলাকাবাসী গিয়ে বিদ্যাধরপুরের বুকিং সুপারভাইজারকে খবর দেন। এরপর ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের কর্মীরা এসে লাইন মেরামতির কাজ শুরু করেন। প্রায় চল্লিশ মিনিট পর ট্রেনটি আবার যাত্রা শুরু করে। শিয়ালদহের ডিআরএম এসপি সিং বলেন, “লাইনে আগের থেকে ওয়েলডিং ছিল। তা খুলে যাওয়ায় বিপদের শঙ্কা ছিল। ওই শিশু বিষয়টি জানানোয় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পায় ট্রেনটি। আমি কর্মীদের বলেছি শিশুটির পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে। আমার হাতে যে ক্ষমতা রয়েছে তাতে হাজার পাঁচেক টাকা দিয়ে তাকে পুরস্কৃত করবে। এটা বড় কাজ। শিশুটিকে উৎসাহ দিতে রেলের এই উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

    পূর্ব রেল জানিয়েছে, সোমবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ স্থানীয় মুকুন্দপুরের বাসিন্দাদের চেষ্টায় বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে বেঁচে যায় আপ ক্যানিং লোকাল। তাও সম্ভব হয়েছে একটি শিশুর জন্য। এদিন বছর সাতেকের দীপ নস্কর রেল লাইনের ধারে খেলার সময় লক্ষ্য করে লাইনের উপর একটি বড়সড় ফাটল তৈরি হয়েছে। ওই ছাত্রটি শুনেছে লাইনে ফাটল থাকলে ট্রেন উলটে যেতে পারে। সেই আশঙ্কায় বাড়িতে গিয়ে তার মাকে প্রথম খবর দেয়। মা ছুটে এসে দেখেন আপ লাইনে একটি বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। একটা পাত আরেকটির ওপর উঠে বিপজ্জনক হয়ে রয়েছে। মা সোনালী নস্কর সঙ্গে সঙ্গে আশপাশের মহিলাদের জড়ো করে লাল কাপড় নিয়ে লাইনে উঠে পড়েন। মহিলারা ক্যানিং লোকালের চালকের উদ্দেশ্যে লাল কাপড় নেড়ে সতর্ক করতে থাকেন। ঘটনাস্থলের কাছাকাছি এসে ট্রেনটি দাঁড়িয়ে যায়। শেষমেশ দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়।

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published: