সমকাম সম্পর্ক জেনে যাওয়ায় ব্ল্যাকমেল, টাকা না দেওয়ায় খুন

সমকাম সম্পর্ক জেনে যাওয়ায় ব্ল্যাকমেল, টাকা না দেওয়ায় খুন

কুলটির কলেজপাড়ায় জোড়া খুনের কিনারা। সমকাম সম্পর্ক জেনে যাওয়ায় ব্ল্যাকমেল।

কুলটির কলেজপাড়ায় জোড়া খুনের কিনারা। সমকাম সম্পর্ক জেনে যাওয়ায় ব্ল্যাকমেল।

  • Share this:

    #কুলটি: কুলটির কলেজপাড়ায় জোড়া খুনের কিনারা। সমকাম সম্পর্ক জেনে যাওয়ায় ব্ল্যাকমেল। টাকা জন্য চাপ দিতেই বচসার জেরে খুন অতনু বন্দ্যোপাধ্যায় ও দেবাশিস কর্মকার। খুনের আগে দেবাশিসের এটিএম কার্ড হাতিয়ে পিন নম্বর জেনে নেয় অপরাধীরা। দফায় দফায় এটিএম থেকে টাকাও তোলে তারা। এটিএমের সূত্র ধরেই জালে দুই দুষ্কৃতী, আপাতত ন'দিনের পুলিশ হেফাজতে।

    কুলটি জোড়া খুনের কিনারা করল আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ। খুনের নেপথ্যে সমকামী সম্পর্ক নিয়ে ব্ল্যাকমেল। টাকার জন্য চাপ। টাকা না পেয়ে প্রৌঢ়ের গলা কেটে খুন। ফাঁস লাগিয়ে কলেজ পড়ুয়াকে হত্যা। এটিএমের সূত্র ধরে দুই অপরাধীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে--

    খুনের নেপথ্যে সমকাম 

    -- প্রতিবেশী দেবাশিস কর্মকারের সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক ছিল অতনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের -- বাড়িতে একাই থাকতেন পেশায় ব্যবসায়ী অতনু বন্দ্যোপাধ্যায় -- মাঝে মাঝেই দেবাশিস অতনুবাবুর বাড়িতে যেতেন -- সমকামী ছিলেন দেবাশিস কর্মকার ও অতনু বন্দ্যোপাধ্যায়

    দেবাশিস ও অতনুবাবুর সম্পর্ক জেনে যাওয়াতেই তাঁদের ব্ল্যাকমেল করা শুরু করে স্থানীয় দুষ্কৃতীরা। পুলিশ সূত্রে খবর,

    -- শনিবার অতনুবাবুর বাড়িতে গিয়ে ২ হাজার টাকা চায় কৌশিক দাস, গোবিন্দ পাত্র ও তার এক সঙ্গী -- অতনুবাবু ৫০০ টাকা দেওয়ায় বচসায় জড়ায় দু'পক্ষ -- বাড়ির উঠোনে চপার দিয়ে অতনুবাবুকে আঘাত করে কৌশিক দাস -- ঘটনাস্থলেই মারা যান অতনু বন্দ্যোপাধ্যায় -- সেই সময় ওই বাড়িতেই ছিলেন দেবাশিস কর্মকার -- প্রমাণ লোপাটে দেবাশিসকেও শ্বাসরোধ করে খুন করে তিনজন -- খুনের আগে দেবাশিসের এটিএম ও পিন নম্বর হাতিয়ে নেয় দুষ্কৃতীরা -- সেই এটিএম কার্ড দিয়ে দফায় দফায় প্রায় ৯০ হাজার টাকা তোলে অপরাধীরা -- এটিএম ও মোবাইলের টাওয়ার লোকেট করেই কৌশিক ও গোবিন্দকে গ্রেফতার করে পুলিশ

    শনিবার ধৃতদের আদালতে তোলা হয়। খুনের অস্ত্র উদ্ধার করতে না পারায় নিজেদের হেফাজতে নিতে আবেদন করে পুলিশ। আদালত ধৃতদের ৯ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়। তৃতীয় অপরাধী অবশ্য এখনও অধরা।

    First published: