হোম /খবর /দক্ষিণবঙ্গ /
'অশান্তির সবে শুরু, প্রার্থী নিয়ে চুলোচুলি হবে', আদি-নব্য বিজেপি কোন্দলকে কটাক্ষ জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের

'অশান্তির সবে শুরু, প্রার্থী নিয়ে চুলোচুলি হবে', আদি-নব্য বিজেপি কোন্দলকে কটাক্ষ জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের

বিজেপি কর্মীরা তাদের দলীয় কার্যালয় ভেঙেছে। নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে জড়িয়েছে। এবার এই ঘটনা পাড়ায় পাড়ায় হবে। সেটা শুধুই সময়ের অপেক্ষা।

  • Last Updated :
  • Share this:

#বর্ধমান: বিজেপি কর্মীরা তাদের দলীয় কার্যালয় ভেঙেছে। নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে জড়িয়েছে। এবার এই ঘটনা পাড়ায় পাড়ায় হবে। সেটা শুধুই সময়ের অপেক্ষা।নির্বাচনের আগে দেখতে পাবেন বিজেপির প্রার্থী নিয়ে চুলোচুলি হবে,মারামারি হবে,ধস্তাধস্তি হবে। পূর্ব বর্ধমান জেলায় এসে এমনই মন্তব্য করলেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের রায়নার উচালনে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এই মন্তব্য করেন।

জেলা কার্যালয়ে ধুন্ধুমার কান্ডের ঘটনায় তাদের দলীয় কোন্দলের কথা প্রকাশ্যে এলেও বিজেপি নেতৃত্ব এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করেছে। বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, এলাকায় বিজেপির প্রভাব দিনকে দিন ব্যাপকভাবে বাড়তে থাকায় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে চক্রান্ত করে তৃণমূল এই ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, তৃণমূলের কি কাজ নেই যে তারা বিজেপির পার্টি অফিসে ভাঙচুর করতে যাবে বা সেখানে হামলা করতে যাবে।

বৃহস্পতিবার বর্ধমানে ঘোড়দৌড়চটি এলাকায় বিজেপির জেলা কার্যালয় রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল। সেখানে দুপক্ষের মধ্যে ব্যাপক ইট বৃষ্টি হয়। ভাঙচুর করা হয় বিজেপির জেলা কার্যালয়ে। ভেঙে দেয়া হয় বেশ কয়েকটি মোটর সাইকেল। আগুন ধরানো হয় দুটি গাড়িতে। খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক সেই প্রসঙ্গে বলেন, আদি বিজেপি ও নব বিজেপির মধ্যে গোলমাল তো সবে শুরু হয়েছে। তৃণমূল থেকে যাওয়া কিছু ব্যক্তি বিজেপি দলটাকে দখল করার চেষ্টা করছে। তা নিয়েই নব বিজেপি ও পুরনো বিজেপি কর্মী নেতাদের মধ্যে গোলমাল শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, বিজেপির তো কোন মুখ নেই। যারা এতদিন তৃণমূলকে ভোগ করেছে, তৃণমূলের খেয়েছে, তৃণমূলের পড়েছে, তারাই এখন তৃণমূল থেকে বেরিয়ে গিয়ে এই নোংরামি করছে। বর্ধমান থেকে এই গোলমালের শুরু হল। এটা যদি এক হয় তো এরকম একশো ঘটনা দেখবেন রাজ্যের বাসিন্দারা। বিজেপির এই প্রকাশ্যে এসে পড়া গোষ্ঠী কোন্দলকে নির্বাচনী প্রচারে অন্যতম অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করবে তৃণমূল কংগ্রেস- এমনটা মনে পড়ছে ওয়াকিবহাল মহল। তার ইঙ্গিত মিলল এদিন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বক্তব্যে। তিনি বলেন,এটা তো কিছুই নয়, এরপর যখন বিধানসভা নির্বাচনের টিকিট দেওয়া হবে তখন এই কাজিয়া আরও বাড়বে। প্রার্থী দাঁড় করানো নিয়ে চুলোচুলি হবে বিজেপিতে।

Saradindu Ghosh

Published by:Shubhagata Dey
First published:

Tags: East Bardhaman, Jyotipriyo Mallick