• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • আদিবাসী শিশুর জন্মদিনে বাড়ি সাজল বেলুনে, টহলদারির সময় জানতে পেরে কেক নিয়ে হাজির পুলিশ

আদিবাসী শিশুর জন্মদিনে বাড়ি সাজল বেলুনে, টহলদারির সময় জানতে পেরে কেক নিয়ে হাজির পুলিশ

লক ডাউনে জন্মদিন পালন। পুলিশের এই উদ্যোগে হতবাক আদিবাসী  মা ও বাবা।

লক ডাউনে জন্মদিন পালন। পুলিশের এই উদ্যোগে হতবাক আদিবাসী মা ও বাবা।

লক ডাউনে জন্মদিন পালন। পুলিশের এই উদ্যোগে হতবাক আদিবাসী মা ও বাবা।

  • Share this:

#ময়ূরেশ্বরঃ লক ডাউনে জন্মদিন পালন। পুলিশের এই উদ্যোগে হতবাক আদিবাসী  মা ও বাবা। শনিবার রাতে বীরভূমের ময়ূরেশ্বর থানার মহিসা আদিবাসী পাড়ায় গিয়ে পুলিশ জানতে পারে রবিবার গ্রামেরই বাসিন্দা তিন বছরের ছোট্ট লক্ষীশ্বর সোরেনের জন্মদিন। সেইমতই আজ দুপুরে হঠাতই পুলিশের 'মাতৃস্নেহ' টিম গিয়ে হাজির হয় লক্ষীশ্বরের বাড়িতে। বাড়ি সাজান হয় বেলুন দিয়ে। তারপর লক্ষীশ্বরকে নিয়ে কেক কাটান তাঁরা। সেই সময় সামাজিক দূরত্ব মেনে হাজির করান হয়েছিল গ্রামের অন্যান্য বাচ্চাদের। কেক কাটার পর সেই কেক খাওয়ানো হয় গ্রামের বাকি বাচ্চাদেরও। এভাবেই আজ লক্ষীশ্বরের ইচ্ছাপূরন করেছে তার পুলিশকাকুরা।

লক্ষ্মীশ্বর সোরেনের মা কালবুড়ি সোরেন আর বাবা লক্ষীরাম সরেন। জানা গিয়েছে,  লক্ষীশ্বরকে কোনও এক সময় তার জন্মদিনের বিষয়ে জানিয়েছিল তার মা-বাবা।  এরপর পুলিশ রবিবার গ্রামে গেলে কথাটা কোনওভাবে পুলিশের কানে পৌঁছে যায়। তারপরই থানার পুলিশকর্মীরা সিদ্ধান্ত নেন আদিবাসী ওই শিশুর জন্মদিন পালনের দায়িত্ব নেবেন তাঁরা। এরপর থানায় এসে মাতৃস্নেহ টিম বাকি পুলিশকর্মীদের জন্মদিন পালনের কথা বলতেই গতকাল প্ল্যানিং শুরু হয়ে যায়। তারপর এদিন দুপুর হতেই গ্রামে পৌঁছায় পুলিশ। কোনও কথা বলার আগেই বেলুন দিয়ে সাজানো শুরু হয়ে যায় বাড়ি। লক্ষ্মী সোরেনের মাথায় বার্থডে টুপি পরিয়ে শুরু হয় জন্মদিন পালন। তখন লক্ষীশ্বরের মুখে হাসি আর ধরে না।বেজায় খুশি সেপুলিশকাকুকের কাজে।

এদিকে, একেবারে অবাক হয়ে যান মা-বাবা। পুলিশের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন গ্রামবাসীরাও। জন্মদিন উপলক্ষে এক রঙিন পরিবেশ তৈরি হয়েছিল গ্রামে। তবে জন্মদিনের আনন্দ যতই থাক, ছোট থেকে বড় গ্রামের প্রত্যেককেই মাস্ক পরিয়ে তবেই হয়েছে সেলিব্রেশন। মানা হয়েছে যথাযথ সামাজিক দূরত্ব।

Supratim Das

Published by:Shubhagata Dey
First published: