corona virus btn
corona virus btn
Loading

বাবা সামান্য চাষী, ছেলে জগন্নাথ হাই মাদ্রাসা বোর্ডের দশম শ্রেণির ফলাফলে রাজ্যে ষষ্ঠ

বাবা সামান্য চাষী, ছেলে জগন্নাথ হাই মাদ্রাসা বোর্ডের দশম শ্রেণির ফলাফলে রাজ্যে ষষ্ঠ

বৃহস্পতিবার ২০২০ সালের হাই মাদ্রাসা বোর্ডের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এ বছর করোনা আবহে ফলাফল অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছে।

  • Share this:

#দুবরাজপুর: সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরায়। সেই পরিবারের সন্তান জগন্নাথ এবারে হাই মাদ্রাসা বোর্ডের দশম শ্রেণি ফলাফলে মেধাতালিকায় রাজ্যের ষষ্ঠ স্থানাধিকারী। কথায় আছে অসাধ্য সাধন বলে কিছু হয় না। অধ্যাবসায় থাকলে আর্থিক দিক হোক অথবা অন্যকিছু, কোন কিছুই বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেন না। ঠিক সেটাই প্রমাণ করল বীরভূমের দুবরাজপুর ব্লকের খণ্ডগ্রামের বাসিন্দা জগন্নাথ দাস।

বৃহস্পতিবার ২০২০ সালের হাই মাদ্রাসা বোর্ডের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এ বছর করোনা আবহে ফলাফল অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছে। আর তাতেই দেখা গিয়েছে মেধা তালিকার ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেছে বীরভূমের দুবরাজপুরের জগন্নাথ। তার প্রাপ্ত নম্বর ৭৬০। খণ্ডগ্রামের ডিএস হাই মাদ্রাসার পড়ুয়া। রাজ্যের ষষ্ঠ স্থান অধিকার করার পাশাপাশি জগন্নাথ জেলায় প্রথম স্থানের অধিকারী।

জগন্নাথের বাবা দীনবন্ধু দাস চাষী। যৎসামান্য রোজগার। সংসারে দিন আনা দিন পরিস্থিতি। চাষের কাজ করার পাশাপাশি দীনবন্ধু দাস হাই মাদ্রাসারই ছোটখাটো বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা করেন। যা থেকে অল্পবিস্তর সাহায্য পান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে। জগন্নাথের মা রীনা দাস গৃহবধু। সংসারে একেবারেই আর্থিক স্বচ্ছলতা নেই। ফলে জগন্নাথকে ছোট থেকেই গৃহশিক্ষকের কাছে পড়াতে পারেননি দাস দম্পতি। কিন্তু তাতেও দমে যায়নি জগন্নাথ। নিজের চেষ্টায় এবং স্কুলের শিক্ষকদের সাহায্যে তাঁর এই নজরকাড়া সাফল্য।

স্কুলের শিক্ষকরা জানিয়েছেন, জগন্নাথ সম্পূর্ণ নিজের প্রচেষ্টায় পড়াশোনা চালিয়ে যেত। স্কুল এবং স্কুলের শিক্ষকদের তরফ থেকে পড়াশোনা বিষয়ক যেকোনও রকম সহযোগিতা করা হত, সে চাইলেই। ছোট থেকেই মেধাবী ছিল জগন্নাথ। ফলে ভাল ফল হবে, একথা সকলেই বুঝতে পেরেছিলেন। কিন্তু এতটা ভাল ফলাফল করে মেধাতালিকায় স্থান করে নেবে, তা সে নিজে ভাবতে পারেনি।

হাই মাদ্রাসার মাধ্যমিকে রাজ্যের ষষ্ঠ স্থান অধিকার করার পর জগন্নাথ খুশিতে আত্মহারা। পাশাপাশি তার এই সাফল্যের জন্য খুশি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে পাড়া-প্রতিবেশী।

Supratim Das

Published by: Shubhagata Dey
First published: July 16, 2020, 7:01 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर