Heavy Rain: ক'দিনের বৃষ্টিতেই বেহাল বেলঘড়িয়া এক্সপ্রেসওয়ে, প্রতিদিন ঘটছে দুর্ঘটনা

কোথাও বড় বড় গর্ত। কোথাও আবার আড়াআড়ি ভেঙে গিয়েছে রাস্তার বেশ কিছুটা অংশ।

কোথাও বড় বড় গর্ত। কোথাও আবার আড়াআড়ি ভেঙে গিয়েছে রাস্তার বেশ কিছুটা অংশ।

  • Share this:

#বেলঘড়িয়া: বর্ষা শুরু হতেই বেহাল বেলঘড়িয়া এক্সপ্রেসওয়ের বেশ কিছু অংশ। কোথাও বড় বড় গর্ত। কোথাও আবার আড়াআড়ি ভেঙে গিয়েছে রাস্তার বেশ কিছুটা অংশ। ফলে প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। একই ঙ্গে কমছে যান চলাচলের গতিও।গঙ্গার পশ্চিম ভাগের সঙ্গে কলকাতার যোগাযোগ স্থাপনকারী রাস্তাগুলোর মধ্যে বেলঘড়িয়া এক্সপ্রেসওয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন অসংখ্য গাড়ি কলকাতা ও শহরতলি থেকে এই রাস্তা ধরে গঙ্গার ওপারে যায়। আবার একইভাবে ওপার থেকে এদিকে আসে। টালা ব্রিজ পুনর্নির্মাণ শুরু হওয়ার পর থেকে বেলঘড়িয়া এক্সপ্রেসওয়ের গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়। দিল্লি রোড, বোম্বে রোড বা দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে ধরার জন্য উত্তর কলকাতা, সল্টলেক, নিউ টাউন, বাগুইহাটির মানুষ কলকাতা বিমানবন্দর হয়ে এই পথে যাতায়াত করে থাকেন। একই ভাবে হাওড়া হুগলিসহ ওদিকের মানুষও টালা ব্রিজ এড়িয়ে এই পথেই খুব সহজেই কলকাতায় প্রবেশ করতে পারেন। কিন্তু বিগত আট-দশ দিনের বৃষ্টিতেই বেহাল দশা বেলঘড়িয়া এক্সপ্রেসওয়ের।

বিমানবন্দর থেকে দক্ষিণেশ্বর, আবার উল্টো পথে দক্ষিনেশ্বর থেকে বিমানবন্দর, রাস্তার দুদিকেই একাধিক জায়গায় তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। কোথাও আবার বেশ কয়েক ফুট রাস্তা ভেঙে গিয়েছে। সেই সব খানাখন্দের গভীরতা কোথাও কোথাও প্রায় এক ফুট। ফলে বৃষ্টি হলেই সেইসব খানাখন্দ ভরে যাচ্ছে জলে। গাড়ি চালক বা বাইক আরোহীরা বুঝতে না পেরে অনেক সময় সেই সব খানাখন্দের ওপর দিয়ে যেতে গিয়ে দুর্ঘটনার সম্মুখীন হচ্ছেন। আলম বাজারের বাসিন্দা সুদীপ দে চাকরি করেন সল্টলেকে। চলতি মাসের ১৫ তারিখ থেকে অফিস খুলেছে । কিন্তু বাস না চলায় বাইক নিয়ে যাতায়াত করছেন সুদীপবাবু। তিনি বলেন, "শুক্রবার সন্ধ্যাবেলা অফিস থেকে ফেরার সময় প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল। বেলঘড়িয়া ডাম্পিং গ্রাউন্ডের আগে রাস্তার উপর একটা গর্তে বাইকের চাকা ঢুকে যায়। আমি পড়ে যাই। ভাগ্য ভাল ছিল যে পেছনে সেই সময় কোনও গাড়ি ছিল না।" বেলঘড়িয়া এক্সপ্রেসওয়ের ওপর দোকান চালানো এক ব্যক্তির বক্তব্য, "করোনার জন্য এখন বাস চলছে না। অন্যান্য গাড়ির সংখ্যা অনেক কম। বর্ষাও সবে শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে যানবাহনের সংখ্যা বাড়বে। আরও বৃষ্টি হবে। প্রশাসন তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা না নিলে তখন পরিস্থিতি যা দাঁড়াবে তা এখন থেকে ভেবেই ভয় করছে।"

Published by:Suman Majumder
First published: