Galsi Covid 19 Vaccine : অভিনব উদ্যোগ, ড্রপ বক্সে নাম জমা দিলেই মিলছে করোনার ভ্যাকসিন 

প্রতি পঞ্চায়েতের নাম ধরে সারিবদ্ধ ভাবে সাজানো আছে বাক্স

পূর্ব বর্ধমানের (East Burdwan) গলসি (Galsi) ২ নম্বর ব্লকের ছবিটা একটু হলেও আলাদা

  • Share this:

গলসি : রাজ্যের মডেল হতেই পারে এই ব্যবস্থা । রাত জেগে লাইনে দাঁড়ানোর ব্যাপার নেই । ড্রপ বক্সে নাম জমা দিলেই মিলছে ভ্যাকসিন (Corona Virus Vaccine) ।

রাজ্য জুড়ে ভ্যাকসিন নিয়ে সাধারণ মানুষের অভাব অভিযোগ দুর্ভোগের অন্ত নেই । হয়রানির চিত্রটা নিত্যদিনের । ভোর থেকে দীর্ঘ লাইনের যেমন দেখা মেলে তেমনই ভ্যাকসিন নেওয়াকে কেন্দ্র করে মারধরের ঘটনাও ঘটছে প্রায়ই ।

তবে পূর্ব বর্ধমানের (East Burdwan) গলসি (Galsi) ২ নম্বর ব্লকের ছবিটা একটু হলেও আলাদা । এই ব্লকে সাধারণ মানুষের ভ্যাকসিন ভোগান্তি নেই । সৌজন্যে গলসি ২ নং ব্লকের বিডিও সঞ্জীব সেন । তিনিই নিয়েছেন বিশেষ উদ্যোগ ।

ব্লক অফিসে ঢুকতেই আপনার চোখে পড়বে প্রতি পঞ্চায়েতের নাম ধরে সারিবদ্ধ ভাবে সাজানো আছে বাক্স । সেই বাক্সেই নির্দিষ্ট পঞ্চায়েত অনুযায়ী  ভ্যাকসিনের জন্য আধার কার্ড ও ফোন নম্বার দিয়ে আবেদনপত্র জমা করছেন ব্লকের বাসিন্দারা । দিনে তিনবার সেই বাক্স খোলা হচ্ছে। যাচাই করা হচ্ছে আবেদনপত্র । তার পরই ভ্যাকসিনের জন্য ভ্যাকসিন  সেন্টারের নাম ও সময় সম্বলিত টোকেন আবেদনকারীর বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছেন আশাকর্মীরা । সেই টোকেন নিয়ে নির্দিষ্ট সময়ে ভ্যাকসিন কেন্দ্রে পৌঁছলেই কোনও রকম হয়রানি ছাড়াই মিলছে ভ্যাকসিন ।

গলসি ২ নম্বর ব্লকের বিডিও সঞ্জীব সেন জানিয়েছেন, গলসি, কুরকুবা, খানো, সাটিনন্দী, ভূঁড়ি, সাঁকো, গোহগ্রাম, মসজিদপুর, আদ্রা- এই নয়টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মানুষ করোনা ভ্যাকসিনের জন্য আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন ।

জমা পড়া আবেদনপত্র নিয়ে বরাদ্দ অনুযায়ী পঞ্চায়েত ভিত্তিক মানুষকে টিকা প্রদান করা হবে বলে জানা গিয়েছে । তার জন্য বিডিও অফিসে একটি টিম কাজ করছেন প্রতিদিন।

সঞ্জীব বাবু জানান, গলসি ২ নম্বর ব্লকে প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার ভোটার আছেন । যেহেতু ভ্যাকসিন প্রদানের বয়সও ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে, তাই প্রাথমিক ভাবে এই ১ লক্ষ ২০ হাজার জনকেই ভ্যাকসিন দেবার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে । এখনও পর্যন্ত প্রায় ৪০ হাজার জনকে করোনা ভাইরাসের টিকার প্রথম ডোজের  ভ্যাকসিন দেওয়াও হয়েছে । প্রথম দিনই এই ড্রপ বক্সে প্রায় ৩৮০০ টি আবেদনপত্র জমা পড়েছে । এমন উদ্যোগে খুশি এলাকার বাসিন্দারা ।

Published by:Arpita Roy Chowdhury
First published: