corona virus btn
corona virus btn
Loading

 লক ডাউনঃ আনাহারে, অর্ধাহারে থাকা ভবঘুরেদের দু'বেলা খাবারের দায়িত্ব নিল জেলা পুলিশ

 লক ডাউনঃ আনাহারে, অর্ধাহারে থাকা ভবঘুরেদের দু'বেলা খাবারের দায়িত্ব নিল জেলা পুলিশ

প্রতিটি প্রান্তের ভবঘুরেদের জন্য দু'বেলা খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

  • Share this:

#বর্ধমানঃ অনেকের দিন কাটে রাস্তায়। খোলা আকাশের নিচেই তাঁদের সংসার। কেউ থাকেন ফুটপাতের পাশে ছেঁড়া ত্রিপলের আচ্ছাদনের তলায়। কেউ বা রাতের বিছানা পাতেন ফুটপাতে খোলা আকাশের নিচে। অনেকের রাত কাটে বাসস্ট্যান্ডে বা রেল স্টেশনে। চেয়ে চিন্তে যেটুকু জোটে তাতেই হয় গ্রাসাচ্ছাদন। লক ডাউনের জেরে সব চেয়ে বেশি সমস্যায় সেই সব মানুষগুলো। জুটছে না ভিক্ষা। হোটেল বয়া রাস্তার পাশের খাবারের দোকান বন্ধ। চারদিক শুনশান। দু'দিন খাবার জোটেনি অনেকেরই। তাদের প্রতিদিন দু'বেলা দুমুঠো খাবার নিশ্চিত করতে এগিয়ে এল পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ।

পূর্ব বর্ধমান জেলার পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায় জানান, জেলার প্রতিটি প্রান্তের ভবঘুরেদের জন্য দু'বেলা খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। জেলার প্রতিটি থানা এই কাজে অংশ নিচ্ছে। বুধবার রাত থেকেই এই পরিষেবা শুরু হয়েছে। থানা চত্ত্বর বা সুবিধা জনক জায়গায় প্রতিদিন দু'বেলা রান্না হবে। সেই খাবার স্বাস্থ্য সম্মত ভাবে ঢেকে গাড়িতে তুলে এলাকায় এলাকায় গিয়ে ভবঘুরে, স্টেশনে আটকে পড়া যাত্রীদের দিয়ে আসবেন পুলিশকর্মী এবং সিভিক ভলান্টিয়াররা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই পরিষেবা চলবে।

বর্ধমান-সহ অনেক রেল স্টেশনেই বেশ কিছু যাত্রী আটকে রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছেন। টাকা থাকলেও, দোকান বন্ধ। ফোলে মিলছে না খাবার।  জানা গিয়েছে, একটি বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তাঁদের  খাবার পৌঁছে দেওয়ার কর্মসূচি নিয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও রান্না করা খাবার সরবরাহের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এজন্য চাল সরবরাহের ইচ্ছে প্রকাশ করেছে রাইস মিল মালিকদের সংগঠন।

শুধু মানুষ নয়। সমস্যায় সারমেয়, রাস্তার গোরুরাও। তারা প্রয়োজনীয় খাবার পাচ্ছে না বললেই চলে। অনেক সারমেয় খাবারের অভাবে ঝিমিয়ে পড়েছে। অনেক পশুপ্রেমী সংগঠন সারা বছর পথপশুদের হয়ে নানান কর্মসূচি নেয়। তবে এই সময়ে তাদের অনেকেরই দেখা মিলছে না। তাঁদের দাবি, লক ডাউনের কারণেই অনেকে বের হতে পারছেন না। পথ পশুদের যাতে আমরা খাবার দিতে দেওয়া যায়, সেই অনুমতি চেয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে অনুমতি চেয়েছেন তাঁরা।

Saradindu Ghosh 

Published by: Shubhagata Dey
First published: March 26, 2020, 5:05 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर