corona virus btn
corona virus btn
Loading

মুম্বই থেকে ফিরে করোনা আক্রান্ত অ্যাম্বুলেন্স চালক, কোয়ারান্টিনে গেলেন ৫৩ জন!

মুম্বই থেকে ফিরে করোনা আক্রান্ত অ্যাম্বুলেন্স চালক, কোয়ারান্টিনে গেলেন ৫৩ জন!

যিনি আক্রান্ত হয়েছেন তিনি মুম্বইয়ে অ্যাম্বুলান্স চালান। আক্রান্ত ব্যক্তিকে দুর্গাপুরে কোভিড হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে এসেছে এরকম ৫৩ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

  • Share this:

Saradindu Ghosh

#বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামে মুম্বই ফেরত এক অ্যাম্বুলান্স চালক করোনা আক্রান্ত হওয়ায় কোয়ারান্টিনে পাঠানো হল ৫৩ জনকে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেতুগ্রামের নৈহাটি গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না অনেকেই। করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি  মুম্বইয়ের চেম্বুরের এক বেসরকারি  নার্সিংহোমে অ্যাম্বুলেন্স চালকের কাজ করতেন। ওই ব্যক্তি এখন দুর্গাপুরের কোভিড থ্রি সনকা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁর সরাসরি সংস্পর্শে আসা দশ জনকে বর্ধমানের প্রি কোভিড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আরও ৪৩ জনকে কোয়ারান্টিন সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার  জন্য পাঠানো হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ১১ মে এক মহিলা সহ সাতজন মুম্বইয়ের চেম্বুর থেকে অ্যাম্বুলেন্সে চেপে পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামে নিজেদের বাড়ি ফেরার জন্য রওনা দেন। ১৪ মে আসানসোল সীমানায় পৌঁছন তাঁরা। সেখানে করোনা পরীক্ষার জন্য  চিকিৎসকরা ওই সাত জনের লালারস সংগ্রহ করেন। তাঁদের মধ্যে এক জনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তবে বাড়ি ফেরার আগে কেতুগ্রাম দুই নম্বর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রত্যেকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছিল। ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের চিকিৎসক মুম্বই ফেরত সকলকেই হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন। যদিও সেই পরামর্শ উপেক্ষা করে একজন ব্যক্তি অ্যাম্বুলান্স নিয়ে মুম্বই ফেরত চলে গিয়েছেন। তবে তাঁর রিপোর্ট নেগেটিভ ছিল।

যিনি আক্রান্ত হয়েছেন তিনিও মুম্বইয়ে অ্যাম্বুলান্স চালান। আক্রান্ত ব্যক্তিকে দুর্গাপুরে কোভিড হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে এসেছে এরকম ৫৩ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদের বর্ধমানে প্রি কোভিড হাসপাতাল ও কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। ওই এলাকাকে কন্টেইনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে ওই এলাকায় বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে। জেলা পুলিশ জানিয়েছে, একুশ দিন ওই কন্টেইনমেন্ট জোনের বাসিন্দারা বাইরে যেতে পারবেন না। তাঁদের ঘর থেকে বের হতেও নিষেধ করা হয়েছে। ওষুধ বা নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর প্রয়োজন হলে এলাকার পুলিশ কর্মীরাই তা এনে দেবেন। ওই এলাকায় বাইরের বাসিন্দাদেরও প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। যত দ্রুত সম্ভব ওই ব্যক্তির বাড়ি ও আশপাশের এলাকা স্যানিটাইজ করা হবে।

Published by: Simli Raha
First published: May 23, 2020, 2:14 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर