• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • করোনার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছেন ৪১ জন রোগী

করোনার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছেন ৪১ জন রোগী

বর্ধমান শহর লাগোয়া গাঙপুরে দু নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে বেসরকারি ক্যামরি হাসপাতালকে করোনা হাসপাতাল করা হয়েছে। সেখানেই নতুন করে এক রোগীর মৃত্যু হওয়ায় শহরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

বর্ধমান শহর লাগোয়া গাঙপুরে দু নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে বেসরকারি ক্যামরি হাসপাতালকে করোনা হাসপাতাল করা হয়েছে। সেখানেই নতুন করে এক রোগীর মৃত্যু হওয়ায় শহরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

বর্ধমান শহর লাগোয়া গাঙপুরে দু নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে বেসরকারি ক্যামরি হাসপাতালকে করোনা হাসপাতাল করা হয়েছে। সেখানেই নতুন করে এক রোগীর মৃত্যু হওয়ায় শহরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

  • Share this:

#বর্ধমান: বর্ধমানের করোনা হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে রয়েছেন আট জন রোগী। শ্বাসকষ্ট দেখা দেওয়ায় অক্সিজেন সাপোর্টে রয়েছেন আরও ১১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে এই হাসপাতালে। নতুন করে একজনকে ভেন্টিলেশনে পাঠানো হয়েছে। এই হাসপাতলে করোনার উপসর্গ নিয়ে এখন ৪১ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। নতুন করে ভর্তি হয়েছেন আরও আটজন।তাদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য তা কলকাতায় পাঠানো হচ্ছে। ১০ জনকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

বর্ধমান শহর লাগোয়া গাঙপুরে দু নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে বেসরকারি ক্যামরি হাসপাতালকে করোনা হাসপাতাল করা হয়েছে। সেখানেই নতুন করে এক রোগীর মৃত্যু হওয়ায় শহরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তার মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য দফতর। অন্যদিকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা এক রোগীরও মৃত্যু হয়েছে। তাঁর মৃত্যুর কারণও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমান জেলার ফ্লু ওপিডিতে হাজির হয়েছিলেন ৪৩৬ জন। ফ্লু এমারজেন্সি মতে চিকিৎসা করান ছেচল্লিশ জন।

অন্যদিকে পূর্ব বর্ধমান জেলার খন্ডঘোষের বাদুলিয়ার করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিকে পুরোপুরি সুস্থ ঘোষণা করেছে স্বাস্থ্য দফতর। তিনিই পূর্ব বর্ধমান জেলার প্রথম করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি। তাঁকে দুর্গাপুরের লেভেল থ্রি করোনা হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ওই ব্যক্তির সংস্পর্শে এসে করোনা আক্রান্ত হয়েছিল তাঁর ন বছরের ভাইঝিও। তাকেও একই সঙ্গে ছুটি দিয়েছে দুর্গাপুরের হাসপাতাল। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তির বাড়ি এখনও স্যানিটাইজ করা হয়নি। তাছাড়া বাড়ির অন্যান্য সদস্যরা সকলেই কোয়ারান্টিন সেন্টারে রয়েছেন। তাই বাদুলিয়া গ্রামে গেলেও তাদের বাড়িতে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। তাদের আপাতত কোয়ারান্টিন সেন্টারেই রাখা হচ্ছে। তবে তাঁদের রাখা হচ্ছে আলাদা ঘরে।

পূর্ব বর্ধমানের জেলা শাসক বিজয় ভারতী বলেন, জেলায় করোনা আক্রান্ত দুজনই সুস্থ। তাদের সংস্পর্শে আসা সকলেরই রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। তবুও এখন ওই এলাকাকে কন্টেইনমেন্ট জোন হিসেবেই দেখা হবে।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: