• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • অঙ্কের পাশাপাশি ইতিহাস-ভূগোলেও ১০০ তে ১০০ পেল মাধ্যমিকে প্রথম অরিত্র

অঙ্কের পাশাপাশি ইতিহাস-ভূগোলেও ১০০ তে ১০০ পেল মাধ্যমিকে প্রথম অরিত্র

মাধ্যমিকের শীর্ষস্থানাধিকারী অরিত্র কোন সাবজেক্টে কত পেল জানেন

মাধ্যমিকের শীর্ষস্থানাধিকারী অরিত্র কোন সাবজেক্টে কত পেল জানেন

মাধ্যমিকের শীর্ষস্থানাধিকারী অরিত্র কোন সাবজেক্টে কত পেল জানেন

  • Share this:

#পূর্ব বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমানের মফস্বল শহর মেমারি থেকে মাধ্যমিকে রাজ্যের প্রথম স্থান দখল করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে অরিত্র পাল।  সাতশোর মধ্যে সে পেয়েছে ছশো চুরানব্বই নম্বর। ভালো ফল হবে এমনটা আশা করেছিলেন বাবা-মা থেকে শুরু করে স্কুলের শিক্ষকদের সকলেই। সবার সেই আশাকে সত্য প্রমাণ করে প্রথম স্থান দখল করে জেলার মুখ উজ্জ্বল করেছে অরিত্র।

অরিত্রের  মার্কশিটে দেখা যাচ্ছে, তিনটি বিষয়ে সে একশোয়  একশো পেয়েছে। গণিতে সে একশোর মধ্যে একশ নম্বর পেয়েছে। একইভাবে ইতিহাস এবং ভূগোলেও সে একশো করে নম্বর পেয়েছে। ইংরেজিতে সে পেয়েছে নিরানব্বই নম্বর। বাংলায় পেয়েছে আটানব্বই নম্বর। ফিজিক্যাল সায়েন্সও সে পেয়েছে ৯৮ নম্বর। জীবন বিজ্ঞানে অরিত্র পেয়েছে ৯৯ নম্বর। তার এই ফলাফলে খুশি স্কুলের শিক্ষকরা। ফল প্রকাশিত হওয়ার পরই শিক্ষকরা তার বাড়িতে গিয়ে তাকে শুভেচ্ছা জানান।

অরিত্র জানিয়েছে, মাধ্যমিকেরের টেস্টের পর তার পড়াশোনার সময়সীমা আরও বেড়ে গিয়েছিল। দিনে সতেরো আঠারো ঘন্টা পড়াশোনার মধ্যেই থাকতো সে। পড়াশোনার বাইরে ছবি আঁকতে তার ভাল লাগত। তবে সে জন্য পড়াশোনায় সে খামতি দেয়নি। গান-বাজনা বা খেলাধূলায় বিশেষ সময় দেওয়া হয়ে ওঠেনি এই সময়ে। খেলার মধ্যে তার ক্রিকেট ভালো লাগে। তার চেয়েও বেশি ভালো লাগে কাবাডি।  তার দেখা সেরা ক্রিকেটার শচীন তেন্ডুলকর।  সিনেমা সে বিশেষ দেখেনি। তবে থ্রি ইডিয়েটস তার পছন্দের সিনেমা।

অরিত্র জানিয়েছে,সকাল বা রাত্রে বাঁধাধরা পড়ার রুটিন ছিলনা। খুব গভীর রাত পর্যন্ত সে পড়াশোনা করেনি। তবে রাত্রে খাওয়া দাওয়ার পর দেড়-দুঘন্টা পড়াশোনা চলত। ভবিষ্যতে তার রসায়ন বা গণিত নিয়ে গবেষণা করার ইচ্ছে রয়েছে। ডাক্তারি নিয়ে পড়ার ইচ্ছেও রয়েছে তার। তবে পড়াশোনার জন্য বাইরে যাওয়ার এখনই কোনও ইচ্ছা নাই। অরিত্র মেমারি থেকেই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে চায়। অন্যান্য বছরের মতো এবারও মাধ্যমিকে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায।  রাজ্যের মেধা তালিকায় প্রথম দশের মধ্যে পূর্ব বর্ধমান জেলার অনেকেই রয়েছে। বর্ধমান মিউনিসিপাল হাই স্কুল, বর্ধমানের সিএমএস হাই স্কুল, কাটোয়ার কাশীরাম দাস ইনস্টিটিউশন গত বছরগুলির মত এবারও নজরকাড়া ফলাফল করেছে।

Saradindu Ghosh

Published by:Debalina Datta
First published: