advertisement

কাজের চাপে কেউ আত্মহত্যা করলে দায় থাকবে না বসের, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

Last Updated:

অতিরিক্ত কাজের ভারে কর্মচারী আত্মহত্যা করলে দোষী হবেন না উচ্চকর্তা, রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট।

#নয়াদিল্লি: কাজের ভার সহ্য করতে না পেরে কোনও কর্মী যদি আত্মহননের সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে দায়ী থাকবে না কর্তৃপক্ষ, এমনটাই রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এদিন বম্বে হাইকোর্টের ঔরঙ্গাবাদ বেঞ্চের প্রস্তাব খারিজ করে দেয় জাস্টিস অরুণ মিশ্র ও উদয় ললিতের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। এদিনের রায়ে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, কর্মচারীর উপর অতিরিক্ত কাজের দায়িত্ব দেওয়াকে কখনোই আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়া বলা যাবে না ।
২০১৭ সালের আগস্ট মাসে আত্মঘাতী হয়েছিলেন ঔরঙ্গাবাদ অফিসে কর্মরত মহারাষ্ট্র সরকারের শিক্ষা দফতরের ডেপুটি ডিরেক্টর কিশোর পরাশর। এরপরই তাঁর স্ত্রী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ জানান। অভিযোগে বলা হয়, অত্যন্ত বেশী কাজের চাপেই কিশোরবাবু এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ছুটির দিনেও কাজ করতে বাধ্য করা হত তাঁকে ৷ পাশাপাশি বেতন বন্ধ করা, বেতন বৃদ্ধি না করার মতো হুমকিও দিয়েছিলেন  আধিকারিকরা, এমনটাই জানান কিশোরবাবুর স্ত্রী। এরপরেই কিশোরবাবুর সিনিয়র অফিসারের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে ঔরঙ্গাবাদ পুলিশ।
advertisement
২৩শে জানুয়ারি এফআইআর রদ করার আর্জি খারিজ করে দেয় বম্বে হাইকোর্ট। হাইকোর্ট জানায়, এই ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে আত্মহত্যার প্ররোচনা না দেওয়া হলেও,  মৃত ব্যক্তির জন্য এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে যার ফলে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন। তাই অনিচ্ছাকৃত ভাবেও যদি উচ্চকর্তা তার কর্মীর মানসিক উদ্বেগের কারণ হন, তাহলে পরোক্ষভাবে  কর্তৃপক্ষ কর্মচারীর আত্মহত্যার জন্য দায়ী হবেন।
advertisement
advertisement
এরপরই সুপ্রিম কোর্টে যান ওই অভিযুক্ত সিনিয়র অফিসার। এই অফিসারে বিরুদ্ধে আর্জি জানান মহারাষ্ট্র সরকারের পরামর্শদাতা নিশান্ত কাটনেসওয়ারকার । কিন্তু হাইকোর্টের রায়কে অসমর্থনযোগ্য বলে সুপ্রিম কোর্ট এফআইআর টি খারিজ করে দেয়। জাস্টিস ললিতের রায় অনুযায়ী 'ইচ্ছাকৃতভাবে আত্মহত্যার কারণ তৈরি করলে তা ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কিন্তু এই ঘটনায় পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ নেই । তাই এখানে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন'|
advertisement
view comments
বাংলা খবর/ খবর/দেশ/
কাজের চাপে কেউ আত্মহত্যা করলে দায় থাকবে না বসের, জানাল সুপ্রিম কোর্ট
Next Article
advertisement
TMC: মুকুল রায়ের পর ফেলানি বসাক! রাইটার্স বিল্ডিংয়ে মমতার আন্দোলনের অন্যতম মুখ, প্রয়াত নদিয়ার 'এই' বীরাঙ্গনা, চিনুন তাঁকে
মুকুল রায়ের পর ফেলানি বসাক! মমতার আন্দোলনের অন্যতম মুখ, প্রয়াত নদিয়ার 'এই' বীরাঙ্গনা
  • নদিয়ার শান্তিপুরের আন্দোলনের অন্যতম মুখ ফেলানি বসাকের মৃত্যু।

  • ১৯৯৩ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন।

  • ফেলানি বসাকের মেয়ের ধর্ষকদের শাস্তির দাবি আজও পূরণ হয়নি।

VIEW MORE
advertisement
ফরচুন কুকি
ফরচুন কুকি ভাঙুন আর ঝটপট জেনে নিন, আজ আপনার জীবনে কী সারপ্রাইজ লুকিয়ে আছে!
fortune cookie
advertisement