চেন্নাইয়ে জেপি নাড্ডা, জাল্লিকাট্টু তামিল ইতিহাস এবং সংস্কৃতির প্রতীক মন্তব্য রাহুলের

চেন্নাইয়ে জেপি নাড্ডা, জাল্লিকাট্টু তামিল ইতিহাস এবং সংস্কৃতির প্রতীক মন্তব্য রাহুলের

photo/india today

তামিল সংস্কৃতি এবং ইতিহাসের অস্তিত্ব বহুদিনের। সারা দেশের মানুষের এটা জানা উচিত। এই সংস্কৃতির একটা অনবদ্য ক্রিয়া-কলাপ হল জাল্লিকাট্টু।

  • Share this:

    #চেন্নাই:  ভোট বড় বালাই ! একদিকে কংগ্রেস, অন্যদিকে বিজেপি। এবার তামিলনাড়ুর মানুষের মন পেতে আসরে নেমেছে বড় দলগুলো। চলতি বছরের মে মাসে ভোট দক্ষিণের এই রাজ্যে। পোঙ্গাল উদযাপন করার জন্য তামিলনাড়ুতে এসেছিলেন রাহুল গান্ধি। মাদুরাই থেকে কিছু দূরে তামিলদের এই প্রাচীন উৎসবে হাজির ছিলেন তিনি। সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ডিএমকে-র প্রধান এম কে স্টালিন। দু'বছর আগে লোকসভা নির্বাচনে গঠিত কংগ্রেস ডিএমকে জোট রাজ্যের আটত্রিশ আসনের মধ্যে এক ত্রিশ আসনে জয়লাভ করেছিল। রাহুল শুধু বসে এই খেলা দেখেছেন তাই নয়, কলাপাতায় খেয়েছেন, তামিল ইতিহাস সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করেছেন। তিনি জানিয়েছেন,"তামিল সংস্কৃতি এবং ইতিহাসের অস্তিত্ব বহুদিনের। সারা দেশের মানুষের এটা জানা উচিত। এই সংস্কৃতির একটা অনবদ্য ক্রিয়া-কলাপ হল জাল্লিকাট্টু। সুন্দর অভিজ্ঞতা হল। তামিল জনগণকে ধন্যবাদ জানাই। আমি আনন্দিত জাল্লিকাট্টু নিয়মমাফিক এবং সুরক্ষিতভাবে আয়োজন করা হয়েছে দেখে। ষাড় এবং মানুষ উভয়ই নিরাপদ এবং প্রত্যেকের যত্ন নেওয়া হয়।"

    যদিও অতীতে তামিলনাড়ুতে নির্বাচনের জন্য কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল ভোটে জিতে আসতে পারলে এই বার্ষিক অনুষ্ঠান বন্ধ করবে তাঁরা। ২০১৪ সালে সুপ্রিম কোর্ট এই খেলাটি নিষিদ্ধ করেছিল। কিন্তু ব্যাপক বিক্ষোভের পরে, রাজ্য সরকার পশুর উপর নিষ্ঠুরতা রোধ সম্পর্কিত আইন সংশোধন করে তিন বছর পরে এটি পুনরুদ্ধার করে।বিষয়টি উত্তর-দক্ষিণ বিভাজনকে প্রকট করে তুলেছিল, রাজ্যের বাসিন্দারা দাবি করেছিলেন যে জাল্লিকট্টুর বিরোধিতা করা লোকেরা তামিল ভাষা ও সংস্কৃতি বুঝতে পারে না।

    এছাড়াও বিদ্যালয়গুলিতে হিন্দি বাধ্যতামূলকভাবে তৃতীয় ভাষা হিসাবে নামকরণের কেন্দ্রের পদক্ষেপের পরে গত বছর হিন্দি ভাষার সারিতে এই বিভাজন আরও গভীর হয়েছিল। পাশাপাশি বিজেপি তামিল জনগণকে আশ্বস্ত করার কাজ করছে। পার্টির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা পৌঁছে গিয়েছেন চেন্নাইয়ে। তিনিও ঠিক এরকমই একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সঙ্গে রয়েছেন সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত। দু'পক্ষের কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: