ডাইনোসরের ডিজিটাল মস্তিষ্ক! দেখুন কি আবিষ্কার করলেন বিজ্ঞানীরা

ডাইনোসরের ডিজিটাল মস্তিষ্ক! দেখুন কি আবিষ্কার করলেন বিজ্ঞানীরা

ডাইনোসরদের বেশ কিছু আচরণগত বৈশিষ্ট্য এবং খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে তথ্য পাওয়া গিয়েছে তথ্য

ডাইনোসরদের বেশ কিছু আচরণগত বৈশিষ্ট্য এবং খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে তথ্য পাওয়া গিয়েছে তথ্য

  • Share this:

    #কলকাতা: ডাইনোসরেরা কেমন ছিল, কি খেত, এসব নিয়ে গবেষণা কম হয়নি। এবার বিজ্ঞানীরা বানিয়ে ফেললেন খোদ ডাইনোসরের মাথা। ডিজিটালি তৈরি করা হয়েছে এই মস্তিষ্ক। আর তার থেকেই নাকি ডাইনোসরদের বেশ কিছু আচরণগত বৈশিষ্ট্য এবং খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে পাওয়া গিয়েছে তথ্য।

    এই বিষয়ে জুলজিক্যাল জার্নাল অফ লিনিয়ান সোসাইটি-তে প্রকাশিত তথ্য উদ্ধৃত করে সিএনএন একটি রিপোর্ট করেছে। সেই রিপোর্ট অনুযায়ী, ব্রিস্টল ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা থেকোডন্টোসরাস নামে একটি ডাইনোসর প্রজাতির মস্তিষ্ক তৈরি করেছে। প্রায় ২০৫ মিলিয়ন বছর আগে ডাইনোসরের এই প্রজাতির অস্তিত্ব ছিল ব্রিটেনে। এই গবেষণার মাধ্যমে জানা গিয়েছে, থেকোডন্টোসরাস ছিল মাংসাশী এবং এরা দুই পায়ে চলা ফেরা করত।

    জার্নালে এই গবেষণার বিষয়ে লিখেছেন অ্যান্টনিও ব্যালেল। তাঁর মতে, “থেকোডন্টোসরাসের মস্তিষ্ক নিয়ে বিশ্লেষণের মাধ্যমে আমরা বেশ কয়েকটি বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানতে পেরেছি। এর মধ্যে বেশ কিছু তথ্য যথেষ্ট বিস্ময়কর। যেমন এদের পরবর্তী প্রজন্ম চার পায়ে হাঁটলেও, এরা কিন্তু দুই পায়েই চলাফেরা করত। এছাড়া এরা মাংসাশীও ছিল।”

    এই প্রজাতির ডাইনোসরের ফসিল পাওয়া গিয়েছিল উনবিংশ শতকে। ব্যালেল বলেন, “যদিও মস্তিষ্ক নষ্ট হয়ে গিয়েছে অনেক আগেই, আমরা সফটওয়্যারের সাহায্যে মস্তিষ্ক এবং কানের ভিতরে অংশের পুনর্গঠন করেছি। খুলির যে অংশ এখনও ভাল আছে তার থেকেই আমরা ধারণা পেয়েছি মস্তিষ্কের আকৃতি সম্পর্কে।”

    এই প্রজাতির ডাইনোসরদের মস্তিষ্কে চারটি ফ্লক্যুলার লোব ছিল, এমনই ইঙ্গিত দিয়েছে বিজ্ঞানীদের তৈরি ডাইনোসরের ব্রেইন। এই লোবই তাদের সাহায্য করত দু’পায়ে চলার সময় শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে। এমনকি চোখ এবং ঘাড়ের নিয়ন্ত্রণের সঙ্গেও জড়িত মস্তিষ্কের এই কাঠামো। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিয়েই এই ডাইনোসরের মস্তিষ্কের ৩ডি মডেল তৈরি করা সম্ভব হয়েছে।

    Published by:Antara Dey
    First published: