• Home
  • »
  • News
  • »
  • off-beat
  • »
  • KOLKATA CHINESE KALI TEMPLE IN INDIA SERVES NOODLES CHOP SUEY AS PRASAD PBD

Chinese Kali Temple in Kolkata: কালী মন্দিরের প্রসাদে চাউমিন, কলকাতাতেই রয়েছে চাইনিজ কালীবাড়ি, জানুন কোথায়

কলকাতার চিনা কালী মন্দির

মাকে (Chinese Kali Temple offered Chinese food as prasad) পুজো দেওয়া হয় নুডলস, চপসয়ে, ভাত এবং সবজি দিয়ে৷

  • Share this:

    #কলকাতা: দেশে বিভিন্ন মন্দিরে বিভিন্ন রকমের প্রসাদ পাওয়া যায়৷ বেশিভাগ ক্ষেত্রেই প্রসাদে মেলে মিষ্টি৷ অনেক সময় অন্ন প্রসাদও পাওয়া যায়৷ অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা হয় নিরামিষ৷ তবে যে কোনও কালী মন্দিরে আমিষ ভোগও দেওয়া হয় মাকে৷ তাই ভক্তরাও পান আমিষ প্রসাদ৷ যার মধ্যে থাকে মাছে, এমকী মাংসও৷ তবে এমন এক কালী মন্দির রয়েছে যেখানে প্রসাদ হিসেবে পাওয়া যায় বিভিন্ন চাইনিজ খাবার (Kali Temple prasad noodles), যেমন চাউমিন, চপসয়ে বা স্টিকি রাইস! ভাবলেই অবাক লাগে৷ তবে এটাই বাস্তব এবং এই কালী মন্দির চাইনিজ কালী মন্দির (Chinese Kali Temple in Kolkata)হিসেবে পরিচিত৷ রয়েছে কলকাতাতেই৷

    কলকাতাতে রয়েছে চাইনিজ কালী মন্দির৷ ট্যাংরা এলাকার চায়না টাউনের এই মন্দির খুবই প্রসিদ্ধ (Chinese Kali Temple in Tangra)৷ কলকাতার চিনা পাড়ার আলাদই ঐতিহ্য রয়েছে৷ তিব্বতি স্টাইলের অলিগলিতে পুরনো কলকাতা মেজাজ ধরা পড়ে৷ একই সঙ্গে এখানে পূর্ব এশিয়ার ছাপও রয়েছে৷ সঙ্গে অবশ্যই রয়েছেন চিনা খাবারের হাতছানি৷ সন্ধে নামতেই চিনা খাবারের জন্য যেখানে ভিড় করেন বহু মানুষ৷ করোনার সময় থেকে পরিস্থিতি কিছুটা বদলেছে৷ তবে বদলায়নি এখানকার কালীমন্দিরের নিত্য পুজোর রীতি৷ এবং সেখানেই পুজোর পর প্রসাদের জন্য হাত পাতলে পাওয়া যায় চাইনিজ খাবার৷ মাকে পুজো দেওয়া হয় নুডলস, চপসয়ে, ভাত এবং সবজি দিয়ে৷

    মন্দিরের পুজারী বাঙালি, হিন্দু৷ অশুভ শক্তিকে দূরে রাখতে পড়ানো হয় হাতে তৈরি কাগজ৷ দিওয়ালির সময় জ্বালানো হয় লম্বা মমবাতি সঙ্গে চিনা ধূপ৷ শুধু প্রসাদেই ফারাক নয়, এই কালী মন্দিরে প্রবেশ করলেই টের পাওয়া যাবে অন্যান্য কালী মন্দিরের সঙ্গে এর তফাত৷

    আরও পড়ুন মুসলিম মহিলাদের শরীর ঢাকা পোশাক কী কী? বোরখা-হিজাব-নিকাবের পার্থক্য জানুন

    প্রায় ২০ বছর আগে এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত হয় ট্যাংরা অঞ্চলে৷ চিনা ও বাঙালিরা মিলেমিশেই তৈরি করেন এই মন্দির৷ মন্দির প্রতিষ্ঠার আগে এই জায়গায় একটি গাছের তলায় মূর্তি পুজো হত৷ দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে গাছের তলাতেই ধুমধাম করে হত পুজো৷ এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন যে, একবার এক চিনা বালকের শরীর খারাপ হয়৷ কোনও চিকিৎসাই কাজে আসছিল না৷ শেষ পর্যন্ত চিকিৎসায় সব আশা ছেড়ে তাঁর বাবা-মা এসে মানত করেন দেবীর কাছে৷ গাছের তলায় শুইয়ে রাখা হয় তাঁদের অসুস্থ ছেলেকে৷ ধীরেধীরে সে সুস্থ হয়ে ওঠে৷ তারপর থেকেই চিনাদের বিশ্বাস বেড়েছে৷ এবং পরবর্তীতে মন্দির প্রতিষ্ঠাতে এগিয়ে আসেন তারাও৷ ফলে কলকাতার বুকেই তৈরি হয় চিনা কালী মন্দির৷ এই মন্দিরে নিয়মিত আসেন এলাকার চিনা বাসিন্দারা৷ তাঁরা প্রণাম করেন, পুজোতে অংশও নেন৷ এখানে হিন্দু ও চিনাদের মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই৷ সকলেই ভক্তি ভরে মায়ের পুজো করেন৷

    Published by:Pooja Basu
    First published: