Chai Capital of India: কোন শহরকে 'ভারতের চায়ের রাজধানী' বলা হয় জানেন? দার্জিলিং নয় কিন্তু, এক বারে বলুন দেখি!

Last Updated:

Chai Capital of India: দিগন্ত বিস্তৃত চায়ের বাগান যতদূর চোখ যায়। ভোরের আলোয় তাজা পাতা তোলার সুগন্ধ। বাঁশের ঝুড়ি হাতে শ্রমিকরা পান্না-সবুজ ঝোপের মধ্যে দিয়ে হেঁটে চলেছেন।

কোন জায়গা বলুন তো?
কোন জায়গা বলুন তো?
কেউ যদি কখনও ভেবে থাকেন যে, সকালের নিখুঁত এক কাপ চা আসলে কোথা থেকে আসে, তাহলে বলতে হয় সম্ভবত তা অসম থেকেই আসে। উত্তর-পূর্ব ভারতের এই রত্নভূমি শুধু ভারতের চায়ের রাজধানী হিসেবেই পরিচিত নয়; আধুনিক ভারতের চায়ের পুরো গল্পের শুরুটা এখানেই হয়েছিল। চা নিয়ে সিরিয়াস হলে অসমকে ভ্রমণ তালিকায় রাখতেই হবে।
দিগন্ত বিস্তৃত চায়ের বাগান যতদূর চোখ যায়। ভোরের আলোয় তাজা পাতা তোলার সুগন্ধ। বাঁশের ঝুড়ি হাতে শ্রমিকরা পান্না-সবুজ ঝোপের মধ্যে দিয়ে হেঁটে চলেছেন। এটাই অসম, যে রাজ্য ভারতের অর্ধেকেরও বেশি চা উৎপাদন করে এবং সকালের কাপে সেই পরিচিত শক্তিশালী, মল্টযুক্ত স্বাদ সরবরাহ করে। কিন্তু পরিসংখ্যান এবং উৎপাদনের সংখ্যার বাইরেও চায়ের সঙ্গে অসমের সম্পর্কটি গভীরভাবে সাংস্কৃতিক, ঐতিহাসিক এবং অত্যন্ত আকর্ষণীয়। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কেন!
advertisement
কেন অসমকে ভারতের চায়ের রাজধানী বলা হয়
advertisement
তথ্য দিয়েই শুরু করা যাক। অসম ভারতের মোট চা উৎপাদনের ৫০ শতাংশেরও বেশি উৎপাদন করে। এই রাজ্যে ৮০০টিরও বেশি চায়ের বাগান রয়েছে, যার মধ্যে অনেকগুলো ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমল থেকে বিদ্যমান। ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা, তার অনন্য জলবায়ু এবং মাটির কারণে, চা চাষের জন্য নিখুঁত পরিবেশ তৈরি করে। উচ্চ বৃষ্টিপাত, আর্দ্র উপক্রান্তীয় আবহাওয়া এবং উর্বর পলিমাটি একত্রিত হয়ে এমন চা উৎপাদন করে যা শক্তিশালী, সমৃদ্ধ এবং স্বতন্ত্রভাবে মাল্টযুক্ত, একটি স্বাদ যা বিশ্বজুড়ে অসম চায়ের সমার্থক হয়ে উঠেছে। কিন্তু এটি শুধু পরিমাণের বিষয় নয়। অসম চায়ের একটি বিশ্বব্যাপী খ্যাতি রয়েছে। এটি ইংলিশ ব্রেকফাস্ট ব্লেন্ডের মেরুদণ্ড। কাটিং চায়ে এই চা-ই ব্যবহার করা হয়। এটি সকলকে জাগিয়ে তোলার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী এবং আরাম দেওয়ার জন্য যথেষ্ট মসৃণ। ভূখণ্ড, ইতিহাস এবং বিশালতার সংমিশ্রণ অসমকে ভারতের অবিসংবাদিত চায়ের রাজধানীতে পরিণত করেছে।
advertisement
আসল চমকটা এখানেই:
অসম মূলত চায়ের জন্য পরিচিত ছিল না। ব্রিটিশরা ১৮২০-এর দশকে এখানে বন্য চায়ের গাছ আবিষ্কার করে এবং এর ফলস্বরূপ এই অঞ্চলের অর্থনীতি ও পরিচয়ের সম্পূর্ণ পরিবর্তন ঘটে।
চা এবং অসমের ভূমিকার ইতিহাস
আজ আমরা যে চা চিনি, তা সংস্কৃতি এবং ইতিহাসের এক আকর্ষণীয় মিশ্রণ। গল্পটি হাজার হাজার বছর আগের প্রাচীন চিনে নিয়ে যায়, যেখানে প্রথম চায়ের পাতা খাওয়া হয়েছিল। কিন্তু ভারতে চা সম্পূর্ণ ভিন্ন পথে যাত্রা করেছিল।
advertisement
কীভাবে চা ভারতে এল
১৯ শতকের শুরুতে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি চায়ের উপর চিনের একাধিপত্য ভাঙতে মরিয়া ছিল। তারা উদ্ভিদবিজ্ঞানী রবার্ট ফরচুনকে চা গাছ এবং চাষের গোপনীয়তা চুরি করার জন্য চিনে একটি গোপন অভিযানে পাঠায়। ফরচুন সফল হন এবং চা গাছ ও চিনা চা শ্রমিকদের ব্রিটিশ-শাসিত ভারতে, বিশেষ করে দার্জিলিং ও অসমে পাচার করেন। কিন্তু এখানেই গল্পটি আকর্ষণীয় মোড় নেয়। ফরচুনের আনা চিনা চা গাছগুলো অসমের আর্দ্র জলবায়ুতে টিকে থাকতে হিমশিম খাচ্ছিল, ঠিক তখনই অন্য একটি জিনিস আবিষ্কৃত হল: অসমের পাহাড়ে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো বুনো চা গাছ। এই গাছগুলো, যা পরে ক্যামেলিয়া সিনেনসিস ভার আসামিকা হিসাবে চিহ্নিত হয়েছিল, এই অঞ্চলের জন্য নিখুঁত প্রমাণিত হয়। ১৮৫০-এর দশকের মধ্যে ব্রিটিশরা অসমে বিশাল চা বাগান স্থাপন করে এবং বাকিটা ইতিহাস।
advertisement
মশলা চায়ের জন্ম
এত চা উৎপাদন সত্ত্বেও ভারতীয়রা প্রাথমিকভাবে কালো চা পছন্দ করত না। অনেকেরই তেতো লাগত এবং স্থানীয় স্বাদের সঙ্গে মানানসই ছিল না। চায়ের ব্যবহার বাড়ানোর জন্য ব্রিটিশ-সমর্থিত ইন্ডিয়া টি কমিটি ব্যাপক প্রচার অভিযান, রেলস্টেশনে বিনামূল্যে চা বিতরণ, প্রচারমূলক অনুষ্ঠান এবং অবিরাম বিপণন শুরু করে। কিন্তু ভারতীয়রা নিজেদের মতো করে মানিয়ে নিল। রাস্তার বিক্রেতারা চা-কে আরও সাশ্রয়ী করতে এবং এর পরিমাণ বাড়াতে দুধ, চিনি এবং মশলা যোগ করতে শুরু করে। এভাবেই মশলা চায়ের জন্ম হয়, যা ছিল এলাচ, আদা, দারুচিনি এবং লবঙ্গ মেশানো কালো চায়ের একটি মিশ্রণ। এটি ছিল আংশিক বিদ্রোহ, আংশিক উদ্ভাবনী কৌশল এবং সম্পূর্ণভাবে একটি অসাধারণ বুদ্ধিদীপ্ত কাজ। আজ জলের পর চা ভারতের সবচেয়ে বেশি গৃহীত পানীয়। আর সেই চায়ের ভিত্তি কী? অসম চা।
advertisement
কীভাবে অসমে চা সফরে যাওয়া যেতে পারে
অসম ভারতের বাকি অংশের সঙ্গে ভালভাবে সংযুক্ত, যদিও সেখানে পৌঁছাতে কিছুটা পরিকল্পনার প্রয়োজন হয়।
আকাশপথে:
গুয়াহাটির লোকপ্রিয় গোপীনাথ বরদলৈ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আসামের প্রধান প্রবেশদ্বার। এটি দিল্লি, মুম্বই, কলকাতা এবং বেঙ্গালুরুর সঙ্গে দৈনিক ফ্লাইটের মাধ্যমে ভালভাবে সংযুক্ত। গুয়াহাটি থেকে জোরহাট এবং ডিব্রুগড়ের মতো চা উৎপাদনকারী অঞ্চলে যাওয়া যেতে পারে।
advertisement
ট্রেনে:
গুয়াহাটি উত্তর-পূর্ব ভারতের একটি প্রধান রেলওয়ে কেন্দ্র। রাজধানী এক্সপ্রেস এবং নর্থইস্ট এক্সপ্রেসের মতো ট্রেনগুলো এটিকে দিল্লি, কলকাতা এবং অন্যান্য প্রধান শহরগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত করে। কেউ যদি সরাসরি চা অঞ্চলে যেতে চায়, তবে জোরহাট এবং ডিব্রুগড়েও রেল স্টেশন রয়েছে।
সড়কপথে:
শিলিগুড়ি করিডোর (যা চিকেন’স নেক নামেও পরিচিত) দিয়ে অসমে গাড়ি চালিয়ে যাওয়াটা হবে মনোরম এবং স্মরণীয় একটি অভিজ্ঞতা। এনএইচ২৭ অসমকে ভারতের বাকি অংশের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। প্রতিবেশী রাজ্যগুলো থেকেও নিয়মিত বাস এবং শেয়ার্ড ট্যাক্সি চলাচল করে।
চা বাগান: যেখানে জাদু ঘটে
অসমের চা বাগানগুলো শুধু কর্মব্যস্ত খামার নয়; এগুলো জীবন্ত জাদুঘর, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং অত্যন্ত মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য। এই বাগানগুলো পরিদর্শন করা অসম ভ্রমণের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।
জোরহাট: রাজধানীর মধ্যে চায়ের রাজধানী
জোরহাটকে প্রায়শই বিশ্বের চা রাজধানী বলা হয়, এবং এর কারণ সহজেই বোঝা যায়। শহরটি চা বাগান দ্বারা পরিবেষ্টিত এবং বাতাসে তাজা চা পাতার সুগন্ধ ভেসে বেড়ায়। টকলাই চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিশ্বের প্রাচীনতম এবং বৃহত্তম চা গবেষণা কেন্দ্র) মতো প্রধান বাগানগুলো এখানেই অবস্থিত। অনেক বাগানে গাইডেড ট্যুরের ব্যবস্থা আছে, যেখানে বাগানের মধ্যে হাঁটা যাবে, পাতা তোলার প্রক্রিয়া দেখা যাবে এবং চা প্রসেসিং সম্পর্কে জানা যাবে, যেমন পাতা তোলা ও মোচড়ানো থেকে শুরু করে অক্সিডেশন ও শুকানো পর্যন্ত। কিছু বাগান আবার ঔপনিবেশিক আমলের বাংলোগুলিতে থাকার সুযোগও দেয়।
ডিব্রুগড়: যেখানে সেরা অসম চা জন্মায়
ডিব্রুগড় উচ্চ অসমে অবস্থিত এবং এটি রাজ্যের কিছু সেরা চা বাগানের আবাসস্থল। এখানকার বাগানগুলোতে উচ্চ-মানের অর্থোডক্স চা উৎপাদিত হয়, যা হাতে মোচড়ানো হয় এবং যত্ন সহকারে প্রসেস করা হয়। কেউ যদি একজন চা-প্রেমী হন, তবে এই জায়গাটি তাঁর জন্য একেবারে মানানসই। কাছেই ব্রহ্মপুত্র নদ প্রবাহিত হয়েছে, যা এই অঞ্চলের সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। অনেক বাগানে টি টেস্টিং সেশনের ব্যবস্থা আছে, যেখানে বিভিন্ন গ্রেডের চা চেখে দেখা যাবে এবং অসম চায়ের বৈশিষ্ট্যসূচক সূক্ষ্ম স্বাদগুলো চেনা যাবে।
কাজিরাঙ্গা এবং তার বাইরে
যদিও কাজিরাঙ্গা তার একশৃঙ্গ গন্ডারের জন্য বিখ্যাত, এই অঞ্চলটিও চা বাগানে পরিপূর্ণ। বন্যপ্রাণী সাফারি এবং চা বাগান ভ্রমণকে একত্রিত করলে এটি একটি অবিশ্বাস্যভাবে অনন্য অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে। কেউ সকালটা গন্ডার খুঁজে কাটাতে পারে এবং বিকেলটা চা বাগানের ঝোপের মাঝে বসে সদ্য তৈরি চা পান করতে পারে।
কেউ যদি অসম ভ্রমণ করেন, তবে চা সম্পর্কিত কয়েক কাজ বাদ দিলে চলবে না:
একটি চা বাগানের বাংলোতে থাকা:
বেশ কয়েকটি এস্টেট ঔপনিবেশিক আমলের বাংলোগুলিতে ঐতিহ্যবাহী থাকার ব্যবস্থা করে। এগুলো শুধু থাকার জায়গাই নয়, এগুলো যেন টাইম মেশিন। কাঠের মেঝে, ভিন্টেজ আসবাবপত্র এবং চা বাগানের অন্তহীন দৃশ্য অন্য জগতে নিয়ে যাবে। কর্মীদের পাতা তোলার দৃশ্য দেখে ঘুম থেকে ওঠা যাবে, বারান্দায় বসে সদ্য তৈরি চা উপভোগ করা যাবে এবং বাগান জীবনের ধীর, শান্তিপূর্ণ ছন্দে নিজেকে ডুবিয়ে দেওয়া যাবে।
একটি টি-টেস্টিং সেশনে যোগদান
অনেক এস্টেট পেশাদার টি টেস্টিং সেশনের আয়োজন করে, যেখানে কেউ স্বাদ চিনতে, গুণমান মূল্যায়ন করতে এবং সিটিসি (ক্রাশ, টিয়ার, কার্ল) এবং অর্থোডক্স চায়ের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে শিখবে। এটি ওয়াইন টেস্টিংয়ের মতোই, তবে আরও ভাল, কারণ জিনিসটি চা।
ভোরের আলোয় বাগান ঘুরে দেখা
চা বাগান পরিদর্শনের জন্য ভোরবেলা সেরা সময়। বাতাস শীতল থাকে, আলো স্নিগ্ধ হয় এবং শ্রমিকরা সবেমাত্র তাঁদের দিনের কাজ শুরু করেন। সূর্যোদয়ের সময় চায়ের ঝোপের সারিগুলোর মধ্যে দিয়ে হেঁটে যাওয়া অবিশ্বাস্যভাবে শান্তিদায়ক।
বাগান থেকে সরাসরি তাজা চা ক্রয়
প্যাকেটজাত চা বাদ দিতে হবে এবং সরাসরি বাগান থেকে কিনতে হবে। অনেক জায়গায় খুচরো মূল্যের চেয়ে অনেক কম দামে সদ্য প্রক্রিয়াজাত চা বিক্রি হয়। বিভিন্ন গ্রেড, ফ্লাশ এবং প্রক্রিয়াজাতকরণের শৈলী থেকে তা বেছে নেওয়া যেতে পারে।
কোথায় কেনাকাটা করতে হবে:
ফ্যান্সি বাজার, গুয়াহাটি
ফ্যান্সি বাজার গুয়াহাটির সবচেয়ে পুরনো এবং ব্যস্ততম বাজার, যা চায়ের দোকানে একেবারে ঠাসা। স্থানীয়রা এখান থেকেই তাঁদের চা কেনেন, যার মানে ন্যায্য দামে আসল জিনিসটি পাওয়া যাবে। এখানকার বিক্রেতারা হাঁকডাক করেন, মশলার গন্ধ চায়ের সঙ্গে মিশে যায়, মানুষ দর কষাকষি করে। তাই নমুনা চাইতে লজ্জা পেলে চলবে না। বেশিরভাগ দোকানদারই কেনার আগে সানন্দে এক কাপ চা তৈরি করে দেবে। আগে থেকে প্যাকেট করা বাক্সের পরিবর্তে ওজন করে খোলা চা বিক্রি করে এমন দোকান খুঁজতে হবে- এতে তাজা চা এবং সস্তা দাম পাওয়া যাবে।
পল্টন বাজার, গুয়াহাটি
ঠিক পাশেই পল্টন বাজার কিছুটা বেশি সুশৃঙ্খল কেনাকাটার অভিজ্ঞতা প্রদান করে। বেশ কিছু প্রতিষ্ঠিত চা ব্যবসায়ী সরাসরি বাগান থেকে পণ্য সংগ্রহ করেন। দোকানদাররা জ্ঞানী এবং তাঁরা ফার্স্ট ফ্লাশ (হালকা, আরও সূক্ষ্ম) এবং সেকেন্ড ফ্লাশের (ক্লাসিক মাল্টি অসম ফ্লেভার) মধ্যে পার্থক্য ব্যাখ্যা করতে পারেন। কেউ যদি কোনও নির্দিষ্ট বাগান পরিদর্শন করে থাকেন, তবে সম্ভবত তাদের চা এখানে খুঁজে পাওয়া যাবে।
জোরহাট এবং ডিব্রুগড়ের বাজার
কেউ যদি চা অঞ্চলে থাকে, তবে জোরহাট এবং ডিব্রুগড়ের স্থানীয় বাজারগুলো সোনার খনি। যেহেতু এগুলো বাগান দ্বারা পরিবেষ্টিত, তাই এখানকার চা অবিশ্বাস্যভাবে তাজা থাকে, কখনও কখনও মাত্র কয়েক দিন আগেই প্রসেস করা হয়। গুয়াহাটির তুলনায় দাম প্রায়শই কম থাকে কারণ এই এলাকা চায়ের উৎস। যে পরিবারগুলো প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তাদের দ্বারা পরিচালিত সাধারণ দোকানগুলোও সেরা ডিল অফার করে।
চা বাগানের দোকান
অসমে চা কেনার জন্য এটি নিঃসন্দেহে সেরা উপায়। অনেক বাগানেই নিজস্ব খুচরো দোকান রয়েছে যা সরাসরি বিক্রি করে। কেউ সরাসরি বাগান থেকে কম দামে ক্রয় করতে পারেন। জোরহাট এবং ডিব্রুগড়ের মতো বাগানগুলো প্রায়শই ভ্রমণের জন্য ভ্যাকুয়াম-সিল করা প্যাকেজিংয়ের ব্যবস্থা করে। কোনও মধ্যস্বত্বভোগী নেই, কোনও ভুল লেবেলিং নেই, শুধু খাঁটি, বাগানে উৎপাদিত অসম চা পাওয়া যাবে।
স্মার্ট কেনাকাটার টিপস, চা পাতা পরীক্ষা;
পাতাগুলো আস্ত বা সমান আকারের হওয়া উচিত, ধুলোযুক্ত নয়। গন্ধ শুঁকে দেখতে হবে, তাজা অসম চায়ের একটি শক্তিশালী, মল্টের মতো সুগন্ধ থাকে। ফসল তোলার তারিখ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে হবে (যত তাজা, তত ভাল)। সম্ভব হলে খোলা চা কিনতে হবে। এক কেজি ভাল সিপিসি চায়ের দাম ৩০০-৬০০ টাকা, আর প্রিমিয়াম অর্থোডক্স চায়ের দাম ৮০০-১৫০০ টাকা। ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য ৫০০ গ্রাম থেকে ১ কেজিই যথেষ্ট। পরিবহনের বিষয়ে চিন্তিত হলে অনেক দোকান কুরিয়ার পরিষেবা প্রদান করে, সেই সুযোগও নেওয়া যায়।
view comments
বাংলা খবর/ খবর/পাঁচমিশালি/
Chai Capital of India: কোন শহরকে 'ভারতের চায়ের রাজধানী' বলা হয় জানেন? দার্জিলিং নয় কিন্তু, এক বারে বলুন দেখি!
Next Article
advertisement
West Bengal Weather Update: রাজ্য জুড়ে আবার জাঁকিয়ে শীত ! থাকবে কুয়াশার দাপটও
রাজ্য জুড়ে আবার জাঁকিয়ে শীত ! থাকবে কুয়াশার দাপটও
  • রাজ্য জুড়ে আবার জাঁকিয়ে শীত !

  • থাকবে কুয়াশার দাপটও

  • হাড়কাঁপানো ঠান্ডা উত্তরবঙ্গেও

VIEW MORE
advertisement
ফরচুন কুকি
ফরচুন কুকি ভাঙুন আর ঝটপট জেনে নিন, আজ আপনার জীবনে কী সারপ্রাইজ লুকিয়ে আছে!
fortune cookie
advertisement