• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • VIVEK DUBEY CERTIFIES 1ST PHASE ELECTION HAS HAPPENED PEACEFULLY IN NORTH BENGAL 2

কেমন হল প্রথম দফার ভোট? কী বলছে কমিশন? কী বলছে বিরোধীরা

কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ পেয়েই ব্যবস্থা নিয়েছে কমিশন। আটজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে।

কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ পেয়েই ব্যবস্থা নিয়েছে কমিশন। আটজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে।

  • Share this:

    #কলকাতা: কংগ্রেস-বাম-বিজেপি সকলেরই এক সুরে দাবি, প্রথম দফায় যেখানেই কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল না সেখানেই ঠিক মতো ভোট হয়নি। বিভিন্ন বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবিও তুলেছে তারা। পালটা নির্বাচন কমিশনের দাবি, প্রথম দফার ভোট শান্তিতেই মিটেছে। কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ পেয়েই ব্যবস্থা নিয়েছে কমিশন। আটজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে।

    কেমন হল উত্তরবঙ্গে প্রথম দফার ভোট?

    শুরুর দিন থেকেই তরজা শুরু। রাজ্যের পুলিশের দিকে আঙুল তুলে বিজেপির দাবি, যেখানে যেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল না, সেখানেই ঠিক মতো ভোট হয়নি। প্রথমে সিইও দফতর এবং পরে রাজ্যের বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষকের কাছে গিয়ে এই নালিশ জানায় বিজেপি। তাদের দাবি, কোচবিহারে সাতশো বুথে ঠিক মতো ভোট হয়নি। প্রথম দফায়, কোচবিহারে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। বড়শোলমারিতে আছাড় মেরে ভাঙা হয় ইভিএম ৷ এ রকমই বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে সরব বিরোধীরা। বিজেপির পাশাপাশি কংগ্রেস-বামও সিইও দফতরে গিয়ে অভিযোগ জানায়। কোচবিহারের ১৭০টি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানায় বামেরা। নির্বাচন কমিশনের অবশ্য পালটা দাবি, প্রথম দফার ভোট শান্তিপূর্ণভাবেই মিটেছে।

    মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব বলেন, ‘‘ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে। কোথাও তেমন কোনও মেজর ঘটনা ঘটেনি। বিক্ষিপ্ত ঘটনার খবর আসতেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইভিএম যেখানে ভাঙচুর সেখানে প্রিসাইডিং অফিসারকে শোকজ। শীতলকুচিতে বাইরের লোক বুথে। প্রিসাইডিং অফিসারকে শোকজ। বিরোধীরা রিপোলের দাবি জানিয়েছে। স্ক্রুটিনি করার পরে আমরা দেখব।’’ বিরোধীরা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেও, বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক কিন্তু রাজ্যের পুলিশকে সার্টিফিকেটই দিয়েছেন।

    বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে বলেছেন, ‘‘ভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ হয়েছে। রাজ্য পুলিশ সমস্ত রকম সহযোগিতা করেছে ৷’’ বৃহস্পতিবার, প্রথম দফার ভোট হল কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারে। দ্বিতীয় দফার ভোট ১৮ এপ্রিল। দার্জিলিং, রায়গঞ্জ, জলপাইগুড়িতে।

    First published: