• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • করোনা সচেতনতায় পুলিশের পাশে এনসিসি ও ভগৎ সিং বাহিনী, মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা

করোনা সচেতনতায় পুলিশের পাশে এনসিসি ও ভগৎ সিং বাহিনী, মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা


ক্রমেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা

ক্রমেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা

ক্রমেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: করোনা মোকাবিলায় কেন্দ্র এবং রাজ্যের হাতিয়ার লকডাউন। এছাড়া বিকল্প কোনো পথ খোলা নেই। তবু অনেকেই সরকারী নিয়মকে তোয়াক্কা না করে পথে নামছেন। রাজ্যের বিভিন্ন জেলাতেই প্রতিদিনই এই ছবি ধরা পড়ছে। লকডাউনেও খোলা থাকছে বাজার, রেশন দোকান, মুদিখানার দোকান। খুলেছে মিষ্টির দোকান, ফুল বাজারও। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, বাজারঘাটে যান। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলুন। মুখ্যমন্ত্রী নিজে রাস্তায় নেমে গণ্ডি কেটে দিয়েছেন। বিভিন্ন বাজারেও ব্যবসায়ীরা নিজের থেকে উদ্যোগ নিয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দিয়ে চলেছেন।

তবু এক শ্রেণির ক্রেতা এখোনো সতর্ক নয়। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে   নজর দিলেই দেখা যাবে হাটে গাদাগাদি ভিড়ের ছবি। প্রতিনিয়ত সতর্ক বার্তা মাইকিং করা হচ্ছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। মাস্ক পড়ে বাড়ির বাইরে বের হতে হবে। পুলিশও একই বার্তা দিয়ে চলেছে। বিভিন্ন বাজারে নজরদারী চালালেও শিলিগুড়ির একাধীক জায়গায় পারস্পরিক দূরত্ব মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এবারে পুলিশের পাশে এসে দাঁড়ালো এন সি সি এবং ভগৎ সিং বাহিনীর ক্যাডাররা।

শিলিগুড়ি মহকুমার বিধাননগরে স্কুল, কলেজ পড়ুয়ারা এন সি সি'র পোশাকে নেমে পড়ছে৷ বিধাননগরের রাস্তায়। পুলিশের সঙ্গেই ডিউটি করছে। বিধাননগরের বিভিন্ন ব্যাঙ্কের শাখা থেকে সবজি বাজার, মাছ বাজারে নিজেদের কর্তব্যে অবিচল ওরা। সকাল ৮টায় পথে নেমে পড়া। সামাজিক দূরত্ব কি আদৌ মানা হচ্ছে? মাস্ক বা ফেস কভার পড়ে কি বাড়ি থেকে রাস্তায় বেড়িয়েছেন? তারই নজরদারি চালাচ্ছে ওরা। ওরা মানে এন সি সি'র ক্যাডার সুজিত সিংহ, রাজাবুল হক, ভগৎ সিং বাহিনীর টিংকু সিংহরা।

পুলিশের কাজে সহযোগিতা করতেই পথে নেমেছি বলে জানায় ওরা। পারস্পরিক দূরত্ব না মানলে তাদেরকে সতর্ক করছে ওরা। মাস্ক না পড়লে সে বিষয়েও সতর্ক করছে পথে নামা মানুষেরা। বিধাননগর ফাঁড়ির ওসি জানান, লকডাউনের পর থেকেই ওরা কাজে নামবে বলে জানায়। সেইমতো বাজারে ডিউটি করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, এহেন উদ্যোগকে স্বাগত। মানুষকে সচেতন করাই এই মূহূর্তে বড় কাজ।

Partha Sarkar

Published by:Arjun Neogi
First published: