• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • দু-চোখের দৃষ্টি নেই ! স্বপ্ন আছে ! দারিদ্র্রের সঙ্গে লড়াই করে উচ্চমাধ্যমিকে মালদহের আনসারুল হক

দু-চোখের দৃষ্টি নেই ! স্বপ্ন আছে ! দারিদ্র্রের সঙ্গে লড়াই করে উচ্চমাধ্যমিকে মালদহের আনসারুল হক

জন্ম থেকেই দুই চোখে দৃষ্টি নেই। তবে মন স্বপ্নে রঙিন । লক্ষ্য ভবিষ্যতে স্বনির্ভর হয়ে সংসারের দারিদ্র দূর করা ।

জন্ম থেকেই দুই চোখে দৃষ্টি নেই। তবে মন স্বপ্নে রঙিন । লক্ষ্য ভবিষ্যতে স্বনির্ভর হয়ে সংসারের দারিদ্র দূর করা ।

জন্ম থেকেই দুই চোখে দৃষ্টি নেই। তবে মন স্বপ্নে রঙিন । লক্ষ্য ভবিষ্যতে স্বনির্ভর হয়ে সংসারের দারিদ্র দূর করা ।

  • Share this:

#মালদহ: জন্ম থেকেই দুই চোখে দৃষ্টি নেই। তবে মন স্বপ্নে রঙিন । লক্ষ্য ভবিষ্যতে স্বনির্ভর হয়ে সংসারের দারিদ্র দূর করা । অসম লড়াইকে হেলায় হারিয়ে রাইটার এর সাহায্য নিয়ে এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছে মালদহের রতুয়া বলদিপুকুর গ্রামের জন্মান্ধ আনসারুল হক।২০১১ সালে আচমকা মৃত্যু হয় বাবা ইউসুফ খানের । পরিবারের তিন ভাই-বোনের বড় ভাই পেটের তাগিদে ভিন রাজ্যে। আনসারুলের  নিজের পড়াশোনায় সম্বল বলতে সরকারি স্কলারশিপ । বোন রোশনারা খাতুন এখন স্কুলের ছাত্রী । সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরোয়। পড়াশোনাতেও  সেভাবে খরচ করার সামর্থ্য নেই । তবু লড়াই ছাড়তে নারাজ আনসারুল।

হরিশ্চন্দ্রপুর এর মিলনগড় স্কুলের ছাত্র আনসারুল এর পরীক্ষা কেন্দ্র পড়েছে হরিশ্চন্দ্রপুরের মিটনা হাইস্কুল। উচ্চ শিক্ষা সংসদের অনুমতিতে রাইটারের সাহায্য নিয়ে এবার পরীক্ষা দিচ্ছে আনসারুল । রাইটার হিসেবে তার সাহায্যকারী প্রতিবেশী ইজাজ আহমেদ। এখনো পর্যন্ত উচ্চমাধ্যমিকের পরীক্ষা গুলি বেশ ভালোই হয়েছে আনসারুলের । বাকি পরীক্ষাগুলো আরো ভালো করে দিয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে চাই সে। ছোটবেলা থেকেই দারিদ্র্য নিত্যসঙ্গী। তবে কখনোই পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবেনি আনসারুল। বরং জন্মান্ধ হয়েও যথেষ্ট মেধাবী ছাত্র। তাঁর জন্য আলাদা করে পরীক্ষার বন্দোবস্ত করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। আনসারুলের নিজের কথায়, শত অসুবিধার মধ্যে মধ্যেও মা সংসারের অভাব বুঝতে দেননি। বুঝতে দেননি দৃষ্টি না থাকার সমস্যা। তাই আপাতত লক্ষ্য বড় হয়ে সরকারি চাকরি লাভ। যাতে করে সংসারের হাসি ফোটাতে পারে সে।

সেবক দেবশর্মা
Published by:Piya Banerjee
First published: