পণের জন্য লাগাতার অত্যাচার,পড়াশোনা বন্ধেও চাপ, আত্মঘাতী একাদশ শ্রেণির ছাত্রী
Last Updated:
পণের জন্য লাগাতার অত্যাচার,পড়াশোনা বন্ধেও চাপ, আত্মঘাতী একাদশ শ্রেণির ছাত্রী
#মালদহ: পণের চাপে অত্যাচার চলতই। সঙ্গে যোগ হয় পড়াশোনা বন্ধে চাপ। শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারে সামিল হয় স্বামীও। মেনে নিতে না পেরে শেষমেশ আত্মহত্যা মালদহের চাঁচলের সুপ্রিয়া সিনহার।
আড়াই মাস আগে মালদহের চাঁচলের ঘোষপাড়ার সন্তোষ সিনহার সঙ্গে বিয়ে হয় সুপ্রিয়ার। তাঁর বাপেরবাড়ি চাঁচলেরই আশাপুর বাজারে। অভিযোগ, বিয়ের সময় পাত্রপক্ষের দাবি মতো পণ দেওয়া হয়েছিল। তবু বিয়ের পরও আরও পণ দাবি করা হয়।
দাবি মতো গাড়ি দিতে পারেননি সুপ্রিয়ারবাপের বাড়ির লোকজন। তাই দিনের পর দিন অত্যাচার চলত শ্বশুরবাড়িতে। তা প্রায় মুখ বুজেই সহ্য করত একাদশ শ্রেণির ছাত্রী সুপ্রিয়া। কিন্তু পড়াশোনা বন্ধের জন্য চাপ মানতে পারেননি। বাপের বাড়ি থেকেই পরীক্ষা দিচ্ছিলেন সুপ্রিয়া। সোমবার সন্ধেয় তা নিয়ে স্বামীর সঙ্গে ফোনে ঝগড়া হয়। শেষ পর্যন্ত অভিমানে বাড়ির দোতলায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হন সুপ্রিয়া।
advertisement
advertisement
চাঁচল থানায় স্বামী-সহ শ্বশুরবাড়ি লোকেদের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ জানানো হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি।
Location :
First Published :
Apr 11, 2018 4:54 PM IST









