• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • SABUJ SATHI CYCLE PARENTS ARE SELLING IN MINIMUM PRICE AS SCHOOLS ARE CLOSE SANJ

Sabuj Sathi Cycle : স্কুল-টিউশন বন্ধ! স্বপ্নের 'সবুজ সাথী' ২৫০ টাকায় বিকোচ্ছে ফেরিওয়ালার কাছে...

স্বপ্নের প্রকল্প সবুজ সাথী

Sabuj Sathi Cycle : রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(CM Mamata Banerjee) স্বপ্নের প্রকল্প সবুজ সাথী। ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার জন্যেই এই প্রকল্প চালু করেন মুখ্যমন্ত্রী।

  • Share this:

#রায়গঞ্জ : স্কুল বন্ধ। বাড়িতে পড়ে নষ্ট হচ্ছে রাজ্য সরকারের স্বপ্নের প্রকল্প সবুজ সাথী সাইকেল (Sabuj Sathi Cycle)। সেই নষ্ট হওয়া সাইকেল জলের বিক্রি করে দিচ্ছেন ছাত্রদের অভিভাবকরা। ২০২০ সালে গোটা বিশ্ব জুড়ে করোনা প্রকোপ আছড়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সারা দেশেই লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই থেকেই বন্ধ রয়েছে স্কুল-কলেজ ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অন্যদিকে লকডাউনের ফলে মানুষের রুটিরুজি বন্ধ হয়ে পড়েছে। চরম আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(CM Mamata Banerjee) স্বপ্নের প্রকল্প সবুজ সাথী(Sabuj Sathi Project)। ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার জন্যেই এই প্রকল্প চালু করেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু প্রায় দু'বছর যাবৎ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে আছে। এমনকি বন্ধ গৃহ শিক্ষকদের কাছে যাওয়াটুকুও। তাই ছাত্রছাত্রীদের জন্য দেওয়া সবুজ সাথী সাইকেল বাড়িতে পড়েই নষ্ট হচ্ছে। আর্থিক সংকটের কারণে পড়ে থাকা সবুজ সাথীর সাইকেল এবার জলের দামে ফেরিওয়ালার কাছে অভিভাবকরা বিক্রি করে দিচ্ছেন।

আনন্দ দাস নামে এক ফেরিওয়ালা জানান, রায়গঞ্জ শহরে ফেরি করার সময় মাত্র ২৫০ টাকার বিনিময়ে একটি সাইকেল কিনে এনেছেন তিনি। ২৫/৩০ টাকা লাভে তিনি তার মহাজনের কাছে সাইকেলটি বিক্রি করে দেবেন। দেখা যায় সেটি সবুজ সাথী প্রকল্পের দেওয়া সাইকেল। আনন্দ জানান, প্রায় প্রতিদিনই তিনি এধরনের সাইকেল পাচ্ছেন তিনি। তার কাছে অবশ্য কোনটা 'সবুজ সাথী' আর কোনটা সাধারণ সাইকেল সেটা কোনও মানে রাখে না। তিনি ফেরি করে কিনে নিয়ে গিয়ে সামান্য লাভে তা বিক্রি করে দেন।

এক অভিভাবক হেমেন্দ্র নাথ বর্মন  জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। লকডাউনের কারনে রুটিরুজি বন্ধ অনেকেরই। কারণ কাজের সন্ধানে তাঁরা বাইরে যেতে পারছেন না। চরম আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছেন। সংসার চালানো চরম কষ্টের। তাই বাড়িতে পড়ে নষ্ট হচ্ছে মেয়ের সাইকেলটি। সেটি বিক্রি করে সামান্য হলেও কিছু আর্থিক সংস্থান করতে পেলেন।

হেমেন্দ্র বাবুর কাতর আবেদন, করোনা সংকট কাটিয়ে সমাজ স্বাভাবিক জনজীবনে ফিরে আসুক। নইলে তাদের মত অসহায় সংসারগুলো নষ্ট হয়ে যাবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও শিক্ষকদের বেতন বন্ধ হয়নি। ফলে স্কুল বন্ধ থাকলেও তাঁদের কিছু যায় আসে না। এই অবস্থার পরিবর্তনের জন্য সরকারের কাছে আবেদন আবেদন জানান হেমেন্দ্র।

Published by:Sanjukta Sarkar
First published: